কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে মাঘের শীত
jugantor
কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে মাঘের শীত

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৫২:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

‘বাহে জারোত হাত-পাও নুলা হয়া যাবার নাগছে। কম্বল দিয়া জার ঠেকপের নাগছে না। ছওয়া-পওয়াগুলা কাহিল হয়া পরছে।’ এ রকম অভিব্যক্তি ব্যক্ত করলেন কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নের চর সিতাইঝাড়ের সত্তরোর্ধ মকবুল মিয়া।

তিনি মোগলবাসা ইউনিয়ন পরিষদে এসেছিলেন শীতবস্ত্রের খোঁজে।

এ সময় চেয়ারম্যান নুর জামাল বাবলু মিয়া জানান, আমার ইউনিয়নে ৩০-৩৫ হাজার মানুষের বসবাস। আমি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাত্র ৭-৮শ’ কম্বল বিতরণ করেছি। মানুষের চাপ সামাল দিতে পারছি না। বেসরকারি সংস্থা ও ধনাঢ্য ব্যক্তিরা এগিয়ে না আসলে হতদরিদ্র মানুষরা কোথা থেকে শীতবস্ত্র পাবে। করোনার কারণে এমনিতেই ঢাকা এবং অন্যান্য জেলাগুলোতে গিয়ে যারা কাজ করতো তাদের বেশির ভাগ লোক কাজ না থাকায় বাড়িতে ফিরে বসে আছে।

এরকম অবস্থা জেলার বেশিরভাগ এলাকাগুলোতে। অনেকে কম্বল পেলেও সামান্য কম্বলে শীত নিবারণ করতে পারছে না। ফলে ভীষণ ঠাণ্ডায় দিন ও রাত কাটছে তাদের।

বিকাল হলেই তীব্র ঠাণ্ডা হাওয়ায় বাইরে বের হওয়া কষ্ট হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকেই ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টির মতো ঝড়তে থাকে শিশির। সকালটা ঘনকুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকায় কৃষক ও দিনমজুরদের মাঠে কাজ করতে ভীষণ সমস্যা হচ্ছে। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারা। হঠাৎ করেই আবহাওয়া নিম্নগামী হওয়ায় বিপাকে পড়েছে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর আধিক্য।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পুলক কুমার সরকার জানান, মৃদু শৈত্যপ্রবাহের ফলে হাসপাতালে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে রোগীরা ভালো আছে।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, সোমবার সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরকম অবস্থা ২-৩ দিন থাকতে পারে বলে তিনি জানান।

কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে মাঘের শীত

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘বাহে জারোত হাত-পাও নুলা হয়া যাবার নাগছে। কম্বল দিয়া জার ঠেকপের নাগছে না। ছওয়া-পওয়াগুলা কাহিল হয়া পরছে।’ এ রকম অভিব্যক্তি ব্যক্ত করলেন কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নের চর সিতাইঝাড়ের সত্তরোর্ধ মকবুল মিয়া।

তিনি মোগলবাসা ইউনিয়ন পরিষদে এসেছিলেন শীতবস্ত্রের খোঁজে।
 
এ সময় চেয়ারম্যান নুর জামাল বাবলু মিয়া জানান, আমার ইউনিয়নে ৩০-৩৫ হাজার মানুষের বসবাস। আমি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাত্র ৭-৮শ’ কম্বল বিতরণ করেছি। মানুষের চাপ সামাল দিতে পারছি না। বেসরকারি সংস্থা ও ধনাঢ্য ব্যক্তিরা এগিয়ে না আসলে হতদরিদ্র মানুষরা কোথা থেকে শীতবস্ত্র পাবে। করোনার কারণে এমনিতেই ঢাকা এবং অন্যান্য জেলাগুলোতে গিয়ে যারা কাজ করতো তাদের বেশির ভাগ লোক কাজ না থাকায় বাড়িতে ফিরে বসে আছে।

এরকম অবস্থা জেলার বেশিরভাগ এলাকাগুলোতে। অনেকে কম্বল পেলেও সামান্য কম্বলে শীত নিবারণ করতে পারছে না। ফলে ভীষণ ঠাণ্ডায় দিন ও রাত কাটছে তাদের।

বিকাল হলেই তীব্র ঠাণ্ডা হাওয়ায় বাইরে বের হওয়া কষ্ট হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকেই ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টির মতো ঝড়তে থাকে শিশির। সকালটা ঘনকুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকায় কৃষক ও দিনমজুরদের মাঠে কাজ করতে ভীষণ সমস্যা হচ্ছে। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারা। হঠাৎ করেই আবহাওয়া নিম্নগামী হওয়ায় বিপাকে পড়েছে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর আধিক্য।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পুলক কুমার সরকার জানান, মৃদু শৈত্যপ্রবাহের ফলে হাসপাতালে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে রোগীরা ভালো আছে।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, সোমবার সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরকম অবস্থা ২-৩ দিন থাকতে পারে বলে তিনি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন