ট্রাক্টর চালককে পিটিয়ে হত্যা, বাবা-ছেলে আটক
jugantor
ট্রাক্টর চালককে পিটিয়ে হত্যা, বাবা-ছেলে আটক

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:২৮:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁও চিনিকলে আখ দেয়ার সিরিয়াল নেয়াকে কেন্দ্র করে ডিজেলচালিত পাওয়ার ট্রাক্টর চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিনিকল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুরেশ চন্দ্র রায় (৫৫) দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার মুর্শিদাহাট গ্রামের সবিন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে।

আটককৃতরা হলেন- দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার মুর্শিদাহাট গ্রামের প্রয়াত আব্দুল হামিদের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৫) ও তার ছেলে সোহাগ আলী (১৯)।

ঠাকুরগাঁও চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সোমবার রাতে দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থেকে ডিজেলচালিত পাওয়ার ট্রলিতে করে মিলে আখ নিয়ে আসেন চালক সুরেশ চন্দ্র রায়। এরপর মিলে আখ দেয়ার সিরিয়াল নিয়ে ট্রলিচালক সুরেশ চন্দ্র রায়ের সঙ্গে আরেক ট্রলিচালক আব্দুর রহিমের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে আব্দুর রহিম ও তার ছেলে সোহাগ আলী মিলে আখ দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে সুরেশ চন্দ্র রায়কে জখম করে।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় সুরেশ চন্দ্র রায়কে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রকিবুল আলম চয়ন বলেন, নিহত সুরেশ চন্দ্র রায়ের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের দাগ রয়েছে। এতে মনে হচ্ছে তাকে পেটানো হয়েছে। এ কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, নিহত সুরেশ চন্দ্র রায়ের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ট্রাক্টর চালককে পিটিয়ে হত্যা, বাবা-ছেলে আটক

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁও চিনিকলে আখ দেয়ার সিরিয়াল নেয়াকে কেন্দ্র করে ডিজেলচালিত পাওয়ার ট্রাক্টর চালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিনিকল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুরেশ চন্দ্র রায় (৫৫) দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার মুর্শিদাহাট গ্রামের সবিন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে।  

আটককৃতরা হলেন- দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার মুর্শিদাহাট গ্রামের প্রয়াত আব্দুল হামিদের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৫) ও তার ছেলে সোহাগ আলী (১৯)।

ঠাকুরগাঁও চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সোমবার রাতে দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থেকে ডিজেলচালিত পাওয়ার ট্রলিতে করে মিলে আখ নিয়ে আসেন চালক সুরেশ চন্দ্র রায়। এরপর মিলে আখ দেয়ার সিরিয়াল নিয়ে ট্রলিচালক সুরেশ চন্দ্র রায়ের সঙ্গে আরেক ট্রলিচালক আব্দুর রহিমের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে আব্দুর রহিম ও তার ছেলে সোহাগ আলী মিলে আখ দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে সুরেশ চন্দ্র রায়কে জখম করে।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় সুরেশ চন্দ্র রায়কে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় তার মৃত্যু হয়। 

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রকিবুল আলম চয়ন বলেন, নিহত সুরেশ চন্দ্র রায়ের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের দাগ রয়েছে। এতে মনে হচ্ছে তাকে পেটানো হয়েছে। এ কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। 

ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, নিহত সুরেশ চন্দ্র রায়ের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন