বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
jugantor
বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি  

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৭:২৪:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রাঙ্গামাটিতে বিয়ের প্রলোভনে দফায় দফায় এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ইমরান খান মুন্না নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করে ইমরান খান মুন্নার কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী।

ধর্ষকের উপযুক্ত বিচার ও শাস্তির দাবিতে ১ ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ছাত্রী।

বুধবার সকালে শহরের জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত আকারে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি। এ সময় তার স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনের আগে এসব দাবিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এলাকার সচেতন নাগরিক ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে শহরের বাসিন্দা ওই ছাত্রী বলেন, রাঙ্গামাটি শহরের কলেজগেট এলাকার বাসিন্দা মো. আলী খানের ছেলে ইমরান খান মুন্না। আমি খুব গরিব ঘরের সন্তান। নারীলোভী ওই লম্পট মুন্না ২০১৭ সালের ৫ মে আমাকে বিয়ের প্রলোভনসহ নানা লোভ-লালসা দেখিয়ে চট্টগ্রামে বায়েজিদ মাজারে নিয়ে যায়। মাজারটি সাক্ষী রেখে আমাকে বিয়ে করে। অথচ তখন আমার ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি।

২০১৮ সালে চাকরি হয় তার। চাকরি হওয়ার আরও কিছু দিন পর আমাকে ঘরে তুলবে বলে প্রতারণা করে আসছিল। কিন্তু আজও তা না করে মিথ্যা ছলচাতুরী চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দফায় দফায় আমার সঙ্গে দৈহিক মিলন করে আমার সর্বনাশ করেছে। ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে জানতে পারি, তার পরিবার তাকে অন্য মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিতে চাইছে। বিষয়টি তার কাছে জানতে চাইলে তা সঠিক নয় বলে জবাব দেন তিনি; কিন্তু পরে আমাকেও অস্বীকার করেন তিনি।

ওই ছাত্রী বলেন, আমি বর্তমানে মানবেতর পরিস্থিতির মধ্যে আছি। ঘরে সৎ মা। বাবা মিথ্যা মামলায় কারাগারে। অপরদিকে ইমরান ও তার পরিবার আমার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে আমাকেসহ আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ১১-১২টি মিথ্যা মামলার অভিযোগ দিয়েছে। আমাকে যৌন হয়রানির পাশাপাশি নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। আমি এসব থেকে পরিত্রাণ পেতে চাই। এজন্য স্থানীয়ভাবে অনেকের কাছে গিয়েছি কিন্তু কোনো ফল পাইনি।

তিনি বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু তা আমলে নেয়া হবে কিনা জানি না। তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) বিষয়টি ২-৩ দিনের মধ্যে আমলে নেয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। আমি ইমরান খান মুন্নাসহ তার সঙ্গে অপকর্মে জড়িত সবার সুষ্ঠু বিচার চাই।

এদিকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে ইমরান খান মুন্নার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

 রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি 
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৫:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাঙ্গামাটিতে বিয়ের প্রলোভনে দফায় দফায় এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ইমরান খান মুন্না নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করে ইমরান খান মুন্নার কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী।

ধর্ষকের উপযুক্ত বিচার ও শাস্তির দাবিতে ১ ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ছাত্রী।

বুধবার সকালে শহরের জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত আকারে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি। এ সময় তার স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনের আগে এসব দাবিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এলাকার সচেতন নাগরিক ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে শহরের বাসিন্দা ওই ছাত্রী বলেন, রাঙ্গামাটি শহরের কলেজগেট এলাকার বাসিন্দা মো. আলী খানের ছেলে ইমরান খান মুন্না। আমি খুব গরিব ঘরের সন্তান। নারীলোভী ওই লম্পট মুন্না ২০১৭ সালের ৫ মে আমাকে বিয়ের প্রলোভনসহ নানা লোভ-লালসা দেখিয়ে চট্টগ্রামে বায়েজিদ মাজারে নিয়ে যায়। মাজারটি সাক্ষী রেখে আমাকে বিয়ে করে। অথচ তখন আমার ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি।

২০১৮ সালে চাকরি হয় তার। চাকরি হওয়ার আরও কিছু দিন পর আমাকে ঘরে তুলবে বলে প্রতারণা করে আসছিল। কিন্তু আজও  তা না করে মিথ্যা ছলচাতুরী চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দফায় দফায় আমার সঙ্গে দৈহিক মিলন করে আমার সর্বনাশ করেছে। ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে জানতে পারি, তার পরিবার তাকে অন্য মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিতে চাইছে। বিষয়টি তার কাছে জানতে চাইলে তা সঠিক নয় বলে জবাব দেন তিনি; কিন্তু পরে আমাকেও অস্বীকার করেন তিনি।

ওই ছাত্রী বলেন, আমি বর্তমানে মানবেতর পরিস্থিতির মধ্যে আছি। ঘরে সৎ মা। বাবা মিথ্যা মামলায় কারাগারে। অপরদিকে ইমরান ও তার পরিবার আমার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে আমাকেসহ আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ১১-১২টি মিথ্যা মামলার অভিযোগ দিয়েছে। আমাকে যৌন হয়রানির পাশাপাশি নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। আমি এসব থেকে পরিত্রাণ পেতে চাই। এজন্য স্থানীয়ভাবে অনেকের কাছে গিয়েছি কিন্তু কোনো ফল পাইনি।

তিনি বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু তা আমলে নেয়া হবে কিনা জানি না। তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) বিষয়টি ২-৩ দিনের মধ্যে আমলে নেয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। আমি ইমরান খান মুন্নাসহ তার সঙ্গে অপকর্মে জড়িত সবার সুষ্ঠু বিচার চাই।

এদিকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে ইমরান খান মুন্নার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন