স্বজনহীনদের নিয়ে স্বজনের একদিন
jugantor
স্বজনহীনদের নিয়ে স্বজনের একদিন

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:০৫:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

জীবন সায়াহ্নে এসে যাদের পাশে এখন কোনো স্বজন নেই, শেষ জীবনে পৃথিবীতে যাদের এখন একমাত্র আশ্রয়স্থল বৃদ্ধাশ্রম, দিনাজপুরে সেইসব স্বজনহীনদের নিয়ে যুগান্তরের বর্ষপূর্তি উদযাপন করেছে যুগান্তর স্বজন সমাবেশ।

স্বজনহীন এসব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেক কেটে, সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা, স্বজনহীনদের হাতে উপহার তুলে দেয়া এবং তাদের আপ্যায়িত করিয়ে উদযাপন করা হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

যুগান্তরের ২২ বছর পদার্পণ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দিনাজপুর শহরের রাজবাটীস্থ ‘শান্তিনিবাস’ নামে বৃদ্ধাশ্রমে আয়োজন করা হয় এসব অনুষ্ঠানের।

আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন যুগান্তর স্বজন সমাবেশ, দিনাজপুরের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক নুরুল মতিন সৈকত। বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্বরূপ কুমার বক্সী বাচ্চু, সহ-সভাপতি কংকন কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, ডিবিসি ও বাংলা নিউজ ২৪ এর প্রতিনিধি মোর্শেদুর রহমান, যুগান্তরের বীরগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুর রাজ্জাক, বিরামপুর প্রতিনিধি মশিহুর রহমান, বিরল প্রতিনিধি আতিউর রহমান আতিক, পার্বতীপুর প্রতিনিধি মুসলিমুর রহমান, সাংবাদিক কৌশিক বোস, বৃদ্ধাশ্রমের আশ্রিত হুমায়ুন সাইফুল কবীর, মাকসুদা হেনা, রশিদা বেগম প্রমুখ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, যুগান্তরের দিনাজপুর প্রতিনিধি একরাম তালুকদার। আলোচনা শেষে কেক কাটেন বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত সড়ক ও জনপত বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন সাইফুল বারীসহ অন্য আশ্রিতরা এবং দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের নেতারা। এরপর বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত প্রত্যেক সদস্যকে যুগান্তরের পক্ষ থেকে উপহার প্রদান করা হয়। শেষে যুগান্তরের স্বপ্ন সারথি বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের রূহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এ সময় বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত আলহাজ মাকসুদা বেগম জানান, জীবন-যৌবন কেটেছে স্বজনদের সঙ্গে, কিন্তু যেই বয়সে স্বজনদের পাশে থাকা প্রয়োজন-সেই বয়সে আমাদের পাশে কোনো স্বজন নেই এবং একমাত্র আশ্রয় এই বৃদ্ধাশ্রম। এখন এখানে আমাদের কেউ আর খবর নেন না। এ অবস্থায় যুগান্তর আমাদের খবর নিতে এসেছে এবং আমাদের নিয়ে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে-এতে খুশি আমরা। যুগান্তর যাতে এমনভাবেই আমাদের পাশে থাকে-সেই প্রত্যাশা করছি।

শুধু মাকসুদা বেগমই নয় বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত স্বজনহীন প্রত্যেক বয়োবৃদ্ধ সদস্যই এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

স্বজনহীনদের নিয়ে স্বজনের একদিন

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জীবন সায়াহ্নে এসে যাদের পাশে এখন কোনো স্বজন নেই, শেষ জীবনে পৃথিবীতে যাদের এখন একমাত্র আশ্রয়স্থল বৃদ্ধাশ্রম, দিনাজপুরে সেইসব স্বজনহীনদের নিয়ে যুগান্তরের বর্ষপূর্তি উদযাপন করেছে যুগান্তর স্বজন সমাবেশ।

স্বজনহীন এসব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেক কেটে, সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা, স্বজনহীনদের হাতে উপহার তুলে দেয়া এবং তাদের আপ্যায়িত করিয়ে উদযাপন করা হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

যুগান্তরের ২২ বছর পদার্পণ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দিনাজপুর শহরের রাজবাটীস্থ ‘শান্তিনিবাস’ নামে বৃদ্ধাশ্রমে আয়োজন করা হয় এসব অনুষ্ঠানের।

আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন যুগান্তর স্বজন সমাবেশ, দিনাজপুরের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক নুরুল মতিন সৈকত। বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্বরূপ কুমার বক্সী বাচ্চু, সহ-সভাপতি কংকন কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, ডিবিসি ও বাংলা নিউজ ২৪ এর প্রতিনিধি মোর্শেদুর রহমান, যুগান্তরের বীরগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুর রাজ্জাক, বিরামপুর প্রতিনিধি মশিহুর রহমান, বিরল প্রতিনিধি আতিউর রহমান আতিক, পার্বতীপুর প্রতিনিধি মুসলিমুর রহমান, সাংবাদিক কৌশিক বোস, বৃদ্ধাশ্রমের আশ্রিত হুমায়ুন সাইফুল কবীর, মাকসুদা হেনা, রশিদা বেগম প্রমুখ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, যুগান্তরের দিনাজপুর প্রতিনিধি একরাম তালুকদার। আলোচনা শেষে কেক কাটেন বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত সড়ক ও জনপত বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন সাইফুল বারীসহ অন্য আশ্রিতরা এবং দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের নেতারা। এরপর বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত প্রত্যেক সদস্যকে যুগান্তরের পক্ষ থেকে উপহার প্রদান করা হয়। শেষে যুগান্তরের স্বপ্ন সারথি বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের রূহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এ সময় বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত আলহাজ মাকসুদা বেগম জানান, জীবন-যৌবন কেটেছে স্বজনদের সঙ্গে, কিন্তু যেই বয়সে স্বজনদের পাশে থাকা প্রয়োজন-সেই বয়সে আমাদের পাশে কোনো স্বজন নেই এবং একমাত্র আশ্রয় এই বৃদ্ধাশ্রম। এখন এখানে আমাদের কেউ আর খবর নেন না। এ অবস্থায় যুগান্তর আমাদের খবর নিতে এসেছে এবং আমাদের নিয়ে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে-এতে খুশি আমরা। যুগান্তর যাতে এমনভাবেই আমাদের পাশে থাকে-সেই প্রত্যাশা করছি।

শুধু মাকসুদা বেগমই নয় বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত স্বজনহীন প্রত্যেক বয়োবৃদ্ধ সদস্যই এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন