নিখোঁজের ২০ দিন পর মিলল গৃহবধূর কঙ্কাল
jugantor
নিখোঁজের ২০ দিন পর মিলল গৃহবধূর কঙ্কাল

  শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:২৭:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

উদ্ধারকৃত কঙ্কাল

শ্রীনগরে নিখোঁজের ২০ দিন পর এক গৃহবধূর কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার হাঁসাড়গাঁও এলাকা থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় কঙ্কালের পাশে থাকা সেন্ডেল, চুলের ব্যান্ড ও জামা দেখে অরিন নামে এক স্কুলছাত্রী শনাক্ত করে কঙ্কালটি তার মা কুলসুম বেগমের (৩৫)।

স্থানীয়রা জানান, কুলসুম বেগম হাঁসাড়গাঁও গ্রামের ইকবাল শেখের স্ত্রী। গত ১৯ ডিসেম্বর ইকবাল ৫ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় গ্রেফতার হয়। সে এখনো কারাগারে রয়েছে। ইকবাল জেলে যাওয়ার পরপরই কুলসুম বেগম তার বাবার বাড়ি উপজেলার রুসদী গ্রামে চলে যান। তার ছেলে অয়ন (২০) মানিকগঞ্জে থাকেন। মেয়ে অরিন বেলতলী জিজে উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী।

কুলসুম বেগমের ননদ হাসিনা বেগম জানান, কুলসুম বেগম কবে নিখোঁজ হয়েছেন তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারছেন না। ইকবাল জেলে যাওয়ার পর থেকে কুলসুম বাবার বাড়ি বা শ্বশুরবাড়ির কোথাও নির্দিষ্টভাবে থাকতেন না। তবে সর্বশেষ তিনি প্রায় ২০ দিন আগে তার মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করাতে যান।

কুলসুম বেগমের ভাসুর মীর হোসেন বলেন, তার ভাতিজা অয়ন গত ২৯ জানুয়ারি মানিকগঞ্জ থেকে এলাকায় বিয়ের দাওয়াত খেতে আসেন। তাকে নিয়ে এনজিওর লোকজন তার নানার বাড়িতে গিয়ে কুলসুম বেগমের খোঁজে করেন। কিন্তু ভাতিজা তার মায়ের নিখোঁজের বিষয়টি তাদের জানাননি।

কুলসুম বেগমের বাবা আলী অকবর তার মেয়ের নিখোঁজের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারছেন না। তবে দুই পরিবারের লোকজন ধারণা করেছিলেন- কুলসুম বেগম প্রেমের টানে কারও হাত ধরে চলে গেছেন।

কুলসুম বেগমের নিখোঁজের বিষয়ে তার ছেলে অয়ন, মেয়ে অরিন ও বাবা আলী অকবরের নির্লিপ্ততার কারণে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কঙ্কালের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছেন শ্রীনগর থানার এসআই মুজাহিদ। তিনি জানান, কুলসুমের পরিবারের লোকজন বলছেন তিনি প্রায় ২০ দিন আগে নিখোঁজ হয়েছেন। কিন্তু কঙ্কাল ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নেই।

শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন জানান, কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যা মামলা রেকর্ড করে শনিবার সকালে তা ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ প্রোফাইলের জন্য পাঠানো হবে।

নিখোঁজের ২০ দিন পর মিলল গৃহবধূর কঙ্কাল

 শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
উদ্ধারকৃত কঙ্কাল
উদ্ধারকৃত কঙ্কাল

শ্রীনগরে নিখোঁজের ২০ দিন পর এক গৃহবধূর কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার হাঁসাড়গাঁও এলাকা থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় কঙ্কালের পাশে থাকা সেন্ডেল, চুলের ব্যান্ড ও জামা দেখে অরিন নামে এক স্কুলছাত্রী শনাক্ত করে কঙ্কালটি তার মা কুলসুম বেগমের (৩৫)।

স্থানীয়রা জানান, কুলসুম বেগম হাঁসাড়গাঁও গ্রামের ইকবাল শেখের স্ত্রী। গত ১৯ ডিসেম্বর ইকবাল ৫ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় গ্রেফতার হয়। সে এখনো কারাগারে রয়েছে। ইকবাল জেলে যাওয়ার পরপরই কুলসুম বেগম তার বাবার বাড়ি উপজেলার রুসদী গ্রামে চলে যান। তার ছেলে অয়ন (২০) মানিকগঞ্জে থাকেন। মেয়ে অরিন বেলতলী জিজে উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী।

কুলসুম বেগমের ননদ হাসিনা বেগম জানান, কুলসুম বেগম কবে নিখোঁজ হয়েছেন তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারছেন না। ইকবাল জেলে যাওয়ার পর থেকে কুলসুম বাবার বাড়ি বা শ্বশুরবাড়ির কোথাও নির্দিষ্টভাবে থাকতেন না। তবে সর্বশেষ তিনি প্রায় ২০ দিন আগে তার মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করাতে যান।

কুলসুম বেগমের ভাসুর মীর হোসেন বলেন, তার ভাতিজা অয়ন গত ২৯ জানুয়ারি মানিকগঞ্জ থেকে এলাকায় বিয়ের দাওয়াত খেতে আসেন। তাকে নিয়ে এনজিওর লোকজন তার নানার বাড়িতে গিয়ে কুলসুম বেগমের খোঁজে করেন। কিন্তু ভাতিজা তার মায়ের নিখোঁজের বিষয়টি তাদের জানাননি।

কুলসুম বেগমের বাবা আলী অকবর তার মেয়ের নিখোঁজের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারছেন না। তবে দুই পরিবারের লোকজন ধারণা করেছিলেন- কুলসুম বেগম প্রেমের টানে কারও হাত ধরে চলে গেছেন।

কুলসুম বেগমের নিখোঁজের বিষয়ে তার ছেলে অয়ন, মেয়ে অরিন ও বাবা আলী অকবরের নির্লিপ্ততার কারণে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কঙ্কালের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছেন শ্রীনগর থানার এসআই মুজাহিদ। তিনি জানান, কুলসুমের পরিবারের লোকজন বলছেন তিনি প্রায় ২০ দিন আগে নিখোঁজ হয়েছেন। কিন্তু কঙ্কাল ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নেই।

শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন জানান, কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যা মামলা রেকর্ড করে শনিবার সকালে তা ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ প্রোফাইলের জন্য পাঠানো হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন