বিয়ের ৩ মাস পর দ্বিতীয় স্ত্রীর হাতে খুন হলেন স্বামী
jugantor
বিয়ের ৩ মাস পর দ্বিতীয় স্ত্রীর হাতে খুন হলেন স্বামী

  জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৫২:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় দ্বিতীয় বিয়ের ৩ মাস পর আলেক মিয়া (৫৩) নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও আমিনপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের দিনমজুর আলেক মিয়া প্রায় ৩ মাস আগে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাঘময়না টেকুয়া গ্রামের আরমান মিয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে রেনু বেগমকে (৩৫) দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

আলেক মিয়া তার প্রথম স্ত্রী এবং তিন মেয়ে ও দুই ছেলেকে পাশের বাড়িতে আলাদা করে দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।

প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে নিজ শয়নকক্ষে ঘুমাতে যান আলেক মিয়া ও তার স্ত্রী। শনিবার সকালে দেখা যায় আলেক মিয়া মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন আর স্ত্রী ঘরে নেই। আলেক মিয়ার মাথায় আঘাত ও রক্তের দাগ রয়েছে। মাথার পাশে একটি রক্তাক্ত কাঠের টুকরা পড়েছিল।

পরে তার সন্তানরা জগন্নাথপুর থানায় অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।

জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) মুসলেহ উদ্দিন যুগান্তরকে জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও তার ঘাতক স্ত্রীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিয়ের ৩ মাস পর দ্বিতীয় স্ত্রীর হাতে খুন হলেন স্বামী

 জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় দ্বিতীয় বিয়ের ৩ মাস পর আলেক মিয়া (৫৩) নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

শনিবার উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও আমিনপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের দিনমজুর আলেক মিয়া প্রায় ৩ মাস আগে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাঘময়না টেকুয়া গ্রামের আরমান মিয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে রেনু বেগমকে (৩৫) দ্বিতীয় বিয়ে করেন। 

আলেক মিয়া তার প্রথম স্ত্রী এবং তিন মেয়ে ও দুই ছেলেকে পাশের বাড়িতে আলাদা করে দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।

প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে নিজ শয়নকক্ষে ঘুমাতে যান আলেক মিয়া ও তার স্ত্রী। শনিবার সকালে দেখা যায় আলেক মিয়া মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন আর স্ত্রী ঘরে নেই। আলেক মিয়ার মাথায় আঘাত ও রক্তের দাগ রয়েছে। মাথার পাশে একটি রক্তাক্ত কাঠের টুকরা পড়েছিল।

পরে তার সন্তানরা জগন্নাথপুর থানায় অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।

জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) মুসলেহ উদ্দিন যুগান্তরকে জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও তার ঘাতক স্ত্রীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন