ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা গুঁজে গণধর্ষণ
jugantor
ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা গুঁজে গণধর্ষণ

  মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:২৬:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনা থানার মাইনকারচর এলাকায় শাক তুলতে গেলে এক কিশোরীর (১৩) মুখে গামছা গুঁজে দুই বখাটে যুবক গণধর্ষণ করেছে। তাদের অপর সহযোগী ধর্ষণে সহায়তা করে। এ সময় ওই কিশোরীর ভাগ্নিকে বেঁধে রাখে বখাটেরা।

এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় ধর্ষিতা কিশোরীর মা (৩৫) বাদী হয়ে মেঘনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে আসামি করা হয়েছে একই গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে হৃদয় (২১), তার বন্ধু হৃদয় হোসেন (২২) এবং একই গ্রামের সামসু মিয়ার ছেলে সম্রাট (২০)।

অভিযোগে হৃদয় এবং হৃদয় হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং সম্রাটের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকাল ৪টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুরপারের ফসলি জমিতে শাক তুলতে যায় ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ও তার ভাগ্নি। এ সময় তাদের পিছু নেয় উল্লেখিত তিন বখাটে যুবক।

বখাটেরা কিশোরীর ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা পেঁচিয়ে প্রথমে হৃদয় ও পরে হৃদয় হোসেন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় সম্রাট পাহারা দিতে থাকে। পরে ভাগ্নির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে অজ্ঞান অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে মেঘনা থানার ওসি আব্দুল মজিদ জানান, একটি ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা গুঁজে গণধর্ষণ

 মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনা থানার মাইনকারচর এলাকায় শাক তুলতে গেলে এক কিশোরীর (১৩) মুখে গামছা গুঁজে দুই বখাটে যুবক গণধর্ষণ করেছে। তাদের অপর সহযোগী ধর্ষণে সহায়তা করে। এ সময় ওই কিশোরীর ভাগ্নিকে বেঁধে রাখে বখাটেরা।

এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় ধর্ষিতা কিশোরীর মা (৩৫) বাদী হয়ে মেঘনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে আসামি করা হয়েছে একই গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে হৃদয় (২১), তার বন্ধু হৃদয় হোসেন (২২) এবং একই গ্রামের সামসু মিয়ার ছেলে সম্রাট (২০)।

অভিযোগে হৃদয় এবং হৃদয় হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং সম্রাটের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকাল ৪টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুরপারের ফসলি জমিতে শাক তুলতে যায় ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ও তার ভাগ্নি। এ সময় তাদের পিছু নেয় উল্লেখিত তিন বখাটে যুবক।

বখাটেরা কিশোরীর ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা পেঁচিয়ে প্রথমে হৃদয় ও পরে হৃদয় হোসেন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় সম্রাট পাহারা দিতে থাকে। পরে ভাগ্নির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে অজ্ঞান অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে মেঘনা থানার ওসি আব্দুল মজিদ জানান, একটি ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন