গৃহবধূকে খাবারে বিষ মিশিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বামী-সতীনের বিরুদ্ধে
jugantor
গৃহবধূকে খাবারে বিষ মিশিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বামী-সতীনের বিরুদ্ধে

  বগুড়া ব্যুরো  

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:২৮:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় আনার কলি (৩২) নামে এক গৃহবধূকে তার স্বামী ও সতীন খাবারে বিষ মিশিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার রাতে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়।

সোমবার দুপুরে গোপনে দাফনের চেষ্টা করলে ধুনট থানা পুলিশ উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের ঈশ্বরঘাট গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, আনার কলি ধুনট উপজেলার ঈশ্বরঘাট গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের মেয়ে। স্বামী ও এক সন্তান থাকার পরও তিনি প্রতিবেশী মৃত আছমত আলীর ছেলে মোজাম্মেল হকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। মোজাম্মেল হকেরও স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে। প্রায় দুই বছর আগে আনার কলি ও মোজাম্মেল হক বিয়ে করেন।

আনার কলির ভাই আবদুস সোবহান অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী মোজাম্মেল হক ও সতীন আম্বিয়া খাতুন যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। জমি বিক্রি করে বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে না দেওয়ায় তার ওপর নির্যাতন শুরু হয়। গত ৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকালে পান্তাভাত খাওয়ার পর আনার কলি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে তিনি রোববার রাতে মারা যান।

নিহতের ভাইয়ের ধারণা, ওই ভাতে বিষ মেশানো হয়েছিল। স্বামী মোজাম্মেল হক ও তার স্বজনরা কাউকে না জানিয়ে সোমবার বাড়িতে লাশ নিয়ে আসেন। দুপুরে আনার কলির লাশ দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। খবর পেয়ে ধুনট থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, পান্তাভাত খাওয়ার পর গৃহবধূ আনার কলি অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। ভাইয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

গৃহবধূকে খাবারে বিষ মিশিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বামী-সতীনের বিরুদ্ধে

 বগুড়া ব্যুরো 
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় আনার কলি (৩২) নামে এক গৃহবধূকে তার স্বামী ও সতীন খাবারে বিষ মিশিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার রাতে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়।

সোমবার দুপুরে গোপনে দাফনের চেষ্টা করলে ধুনট থানা পুলিশ উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের ঈশ্বরঘাট গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, আনার কলি ধুনট উপজেলার ঈশ্বরঘাট গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের মেয়ে। স্বামী ও এক সন্তান থাকার পরও তিনি প্রতিবেশী মৃত আছমত আলীর ছেলে মোজাম্মেল হকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। মোজাম্মেল হকেরও স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে। প্রায় দুই বছর আগে আনার কলি ও মোজাম্মেল হক বিয়ে করেন।

আনার কলির ভাই আবদুস সোবহান অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী মোজাম্মেল হক ও সতীন আম্বিয়া খাতুন যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। জমি বিক্রি করে বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে না দেওয়ায় তার ওপর নির্যাতন শুরু হয়। গত ৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকালে পান্তাভাত খাওয়ার পর আনার কলি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে তিনি রোববার রাতে মারা যান।

নিহতের ভাইয়ের ধারণা, ওই ভাতে বিষ মেশানো হয়েছিল। স্বামী মোজাম্মেল হক ও তার স্বজনরা কাউকে না জানিয়ে সোমবার বাড়িতে লাশ নিয়ে আসেন। দুপুরে আনার কলির লাশ দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। খবর পেয়ে ধুনট থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, পান্তাভাত খাওয়ার পর গৃহবধূ আনার কলি অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। ভাইয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন