বক্তব্য দিয়ে ভাইরাল সেই মেয়র প্রার্থীকে ইসির অব্যাহতি
jugantor
বক্তব্য দিয়ে ভাইরাল সেই মেয়র প্রার্থীকে ইসির অব্যাহতি

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:৩১:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। বুধবার মেয়র প্রার্থী হাসান কাদির গনুকে নোটিশ দিয়েছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারেক আহমেদ। বৃহস্পতিবার নির্বাচন অফিস চলাকালীন ওই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছিল। জবাব পাওয়ার পর তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

বিরোধীদলের ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়া এবং ভোট কারচুপির পরিকল্পনা করে আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতির দেয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে হাসান কাদিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গত ৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় মোটর শ্রমিকদের সমাবেশে আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের দেয়া বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে তাকে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে রাতে ভোট করার কৌশল শেখাতে দেখা যায়।

সেখানে তিনি বলেন, ‘ভোট করার কায়দা আছে, অনেক কায়দা আছে। ভোট আগে থাকতি কইরে ফেলতি হবে। স্যান্টারে যায়ে ভোট হবে না। এটা বিএনপির লোক, এটা জামায়াতের লোক। আমি ওই লোককে ব্যারিকেড দিয়ে ভোট আটকে দেব। আমরা নৌকাকে ভোট দিয়ে দেব। তাহলে কী হবে জানেন? বিএনপি-জামায়াতের যারা, ভোট দিতে যাতি পাইরল না, আমাদের যে ৫০০ ভোট, ৫০০ ভোটই থেকে গেল। ভোটে অনেক কৌশল আছে। কৌশলগতভাবে আগালে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।’

ভিডিওতে তার দেয়া এমন বক্তব্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ওই সমাবেশে প্রার্থী হাসান কাদির উপস্থিত থাকায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন নির্বাচন কর্মকর্তা। ‘ভোট আগে থাকতি কইরে ফেলতি হবে’ আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের এমন বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় শোকজকৃত নৌকার প্রার্থী হাসান কাদিরকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারেক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে শোকজের জবাব দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান কাদির। নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে বাইরে থাকায় তার দেয়া জবাব দেখতে বিলম্ব হয়েছে। পরে তার দেয়া নোটিশের জবাব দেখা হয়। তার জবাব সন্তোষজনক হওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে সতর্কও করেছে নির্বাচন কমিশন।

প্রসঙ্গত, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি আলমডাঙ্গা পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন। এ নির্বাচনে মেয়র পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান মেয়র হাসান কাদির (নৌকা), জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাবেক মেয়র মীর মহিউদ্দিন (ধানের শীষ) ও জেলা জাসদের (ইনু) সভাপতি এম সবেদ আলী (মোবাইল ফোন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বক্তব্য দিয়ে ভাইরাল সেই মেয়র প্রার্থীকে ইসির অব্যাহতি

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। বুধবার মেয়র প্রার্থী হাসান কাদির গনুকে নোটিশ দিয়েছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারেক আহমেদ। বৃহস্পতিবার নির্বাচন অফিস চলাকালীন ওই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছিল। জবাব পাওয়ার পর তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

বিরোধীদলের ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়া এবং ভোট কারচুপির পরিকল্পনা করে আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতির দেয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে হাসান কাদিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গত ৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় মোটর শ্রমিকদের সমাবেশে আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের দেয়া বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে তাকে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে রাতে ভোট করার কৌশল শেখাতে দেখা যায়।

সেখানে তিনি বলেন, ‘ভোট করার কায়দা আছে, অনেক কায়দা আছে। ভোট আগে থাকতি কইরে ফেলতি হবে। স্যান্টারে যায়ে ভোট হবে না। এটা বিএনপির লোক, এটা জামায়াতের লোক। আমি ওই লোককে ব্যারিকেড দিয়ে ভোট আটকে দেব। আমরা নৌকাকে ভোট দিয়ে দেব। তাহলে কী হবে জানেন? বিএনপি-জামায়াতের যারা, ভোট দিতে যাতি পাইরল না, আমাদের যে ৫০০ ভোট, ৫০০ ভোটই থেকে গেল। ভোটে অনেক কৌশল আছে। কৌশলগতভাবে আগালে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।’

ভিডিওতে তার দেয়া এমন বক্তব্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ওই সমাবেশে প্রার্থী হাসান কাদির উপস্থিত থাকায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন নির্বাচন কর্মকর্তা।  ‘ভোট আগে থাকতি কইরে ফেলতি হবে’ আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের এমন বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় শোকজকৃত নৌকার প্রার্থী হাসান কাদিরকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারেক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে শোকজের জবাব দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান কাদির। নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে বাইরে থাকায় তার দেয়া জবাব দেখতে বিলম্ব হয়েছে। পরে তার দেয়া নোটিশের জবাব দেখা হয়। তার জবাব সন্তোষজনক হওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে সতর্কও করেছে নির্বাচন কমিশন।

প্রসঙ্গত, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি আলমডাঙ্গা পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন। এ নির্বাচনে মেয়র পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান মেয়র হাসান কাদির (নৌকা), জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাবেক মেয়র মীর মহিউদ্দিন (ধানের শীষ) ও জেলা জাসদের (ইনু) সভাপতি এম সবেদ আলী (মোবাইল ফোন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন