আহলে হাদিস নেতা ইউসুফের গাড়িতে হামলা
jugantor
আহলে হাদিস নেতা ইউসুফের গাড়িতে হামলা

  সিলেট ব্যুরো ও ফেঞ্চুগঞ্জ সংবাদদাতা  

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:৩০:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে আহলে হাদিস নেতা আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ পরিচালক শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের গাড়িতে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মী-সমর্থকদের তিনটি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেয়।

রোববার দুপুর ২টায় উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মল্লিকপুর গ্রামের মসজিদ আল ফুরকানে রোববার বাদজোহর আলোচনার আয়োজন করে মসজিদ পরিচালনা কমিটি। ওই আলোচনা সভায় আলোচক ছিলেন আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ পরিচালক শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ। মসজিদে জোহরের নামাজ শেষে গাড়িতে করে স্থানীয় একজনের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে যাওয়ার সময় আব্দুর রাজ্জাকের গাড়িতে হামলা করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের গাড়িবহর রাস্তায় আসামাত্র কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে গাড়িতে ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা দিয়ে হামলা করে। এ সময় আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ ও রিপন আহমদ নামে এক যুবক আহত হন।

পরে বিক্ষুব্ধ জনতা বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মী সমর্থকদের তিনটি মোটরসাইকেল আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ফেঞ্চুগঞ্জে আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ আসার খবর পেয়ে ওই আলোচনা সভা প্রত্যাহার করতে উপজেলা মুসলিম ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়।

পুলিশ জানায়, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ মল্লিকপুর গ্রামের মসজিদ আল ফুরকানে আলোচনা করতে এসেছেন। তার গাড়িবহরে হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উপজেলা আল ইসলামের সভাপতি মাওলানা হারুনুর রশীদ বলেন, গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় তালামীয সংগঠনের কোনো কর্মী জড়িত নয়। মল্লিকপুর এলাকায় আমাদের তালামীযের কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। এ হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন জেলা তালামীযের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান সাদি, কর্মী মুবিনুল ইসলাম, নজির আলী রুবেল, উপজেলা তালামীযের সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুস।

এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি মো. শাফায়েত হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা দেয়া সত্ত্বেও তারা বিতর্কিত এই আলোচককে দাওয়াত করেছেন। এটি মোটেই ঠিক হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ দাখিল করেনি। তবে হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

আহলে হাদিস নেতা ইউসুফের গাড়িতে হামলা

 সিলেট ব্যুরো ও ফেঞ্চুগঞ্জ সংবাদদাতা 
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৮:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে আহলে হাদিস নেতা আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ পরিচালক শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের গাড়িতে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মী-সমর্থকদের তিনটি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেয়।

রোববার দুপুর ২টায় উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মল্লিকপুর গ্রামের মসজিদ আল ফুরকানে রোববার বাদজোহর আলোচনার আয়োজন করে মসজিদ পরিচালনা কমিটি। ওই আলোচনা সভায় আলোচক ছিলেন আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ পরিচালক শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ। মসজিদে জোহরের নামাজ শেষে গাড়িতে করে স্থানীয় একজনের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে যাওয়ার সময় আব্দুর রাজ্জাকের গাড়িতে হামলা করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের গাড়িবহর রাস্তায় আসামাত্র কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে গাড়িতে ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা দিয়ে হামলা করে। এ সময় আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ ও রিপন আহমদ নামে এক যুবক আহত হন।

পরে বিক্ষুব্ধ জনতা বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মী সমর্থকদের তিনটি মোটরসাইকেল আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ফেঞ্চুগঞ্জে আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ আসার খবর পেয়ে ওই আলোচনা সভা প্রত্যাহার করতে উপজেলা মুসলিম ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়।

পুলিশ জানায়, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ মল্লিকপুর গ্রামের মসজিদ আল ফুরকানে আলোচনা করতে এসেছেন। তার গাড়িবহরে হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উপজেলা আল ইসলামের সভাপতি মাওলানা হারুনুর রশীদ বলেন, গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় তালামীয সংগঠনের কোনো কর্মী জড়িত নয়। মল্লিকপুর এলাকায় আমাদের তালামীযের কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। এ হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন জেলা তালামীযের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান সাদি, কর্মী মুবিনুল ইসলাম, নজির আলী রুবেল, উপজেলা তালামীযের সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুস।

এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি মো. শাফায়েত হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা দেয়া সত্ত্বেও তারা বিতর্কিত এই আলোচককে দাওয়াত করেছেন। এটি মোটেই ঠিক হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ দাখিল করেনি। তবে হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন