নেশার টাকা না দিতে পারায় স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
নেশার টাকা না দিতে পারায় স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:২২:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদক সেবনের টাকা না দিতে না পারায় স্ত্রীকে বঁটি-দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক পাষণ্ড স্বামী।

শনিবার রাতে উপজেলার পরমতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আঁখি আক্তার (২৮) পরমতলা খালপাড় গ্রামের মনু মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী সুমন মিয়া (৩০) ও তার বন্ধু সাদ্দাম হোসেনকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ।

ঘাতক সুমন দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার গ্রামের শরীফ মিয়ার ছেলে এবং সাদ্দাম হোসেন পরমতলা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তাদের সংসারে ১টি ছেলে ও ২টি মেয়ে সন্তান রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ১০ বছর আগে আঁখি আক্তারের সঙ্গে সুমন মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হলেও সুমন তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করত। বিয়ের আগে থেকেই মাদকাসক্ত সুমনের মাদক সেবনের বিষয় নিয়ে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো।

শনিবার রাতে স্ত্রীর কাছে নেশা করার জন্য টাকা চায় সুমন। টাকা দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানালে দুজনের মাঝে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সুমন মিয়া একটি ধারালো বঁটি-দা নিয়ে আঁখির ঘাড়ে ও পেটে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।

আঁখির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। কুমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে আঁখির মৃত্যু হয়।

মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, হত্যার ঘটনায় ঘাতক সুমন ও তার বন্ধু সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নেশার টাকা না দিতে পারায় স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদক সেবনের টাকা না দিতে না পারায় স্ত্রীকে বঁটি-দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক পাষণ্ড স্বামী। 

শনিবার রাতে উপজেলার পরমতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আঁখি আক্তার (২৮) পরমতলা খালপাড় গ্রামের মনু মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী সুমন মিয়া  (৩০) ও তার বন্ধু সাদ্দাম হোসেনকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ। 

ঘাতক সুমন দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার গ্রামের শরীফ মিয়ার ছেলে এবং সাদ্দাম হোসেন পরমতলা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তাদের সংসারে ১টি ছেলে ও ২টি মেয়ে সন্তান রয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ১০ বছর আগে আঁখি আক্তারের সঙ্গে সুমন মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হলেও সুমন তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করত। বিয়ের আগে থেকেই মাদকাসক্ত সুমনের মাদক সেবনের বিষয় নিয়ে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। 

শনিবার রাতে স্ত্রীর কাছে নেশা করার জন্য টাকা চায় সুমন। টাকা দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানালে দুজনের মাঝে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সুমন মিয়া একটি ধারালো বঁটি-দা নিয়ে আঁখির ঘাড়ে ও পেটে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। 

আঁখির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। কুমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে আঁখির মৃত্যু হয়। 

মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, হত্যার ঘটনায় ঘাতক সুমন ও তার বন্ধু সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে  মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন