পরপর ৩ গুলি করে আ'লীগ কর্মীকে হত্যা
jugantor
পরপর ৩ গুলি করে আ'লীগ কর্মীকে হত্যা

  পাবনা প্রতিনিধি  

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:২৪:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় আমিরুল ইসলাম (২৮) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে পরপর ৩টি গুলি করা হয়। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের আতাইকান্দা ভূষি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আমিরুল সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের মুন্তাই হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, আমিরুল রোববার রাতে বাড়ি থেকে বের হলে ওতপেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে ঘিরে ধরে। এরপর খুব কাছে থেকে তাকে পরপর তিনটি গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।

একটি সূত্র জানায়, বালু ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে একাধিক গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভাঁড়ারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা সুলতান মাহমুদ বলেন, আমিরুল দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে রাজনীতি করছেন। একজন নিরীহ মানুষ আমিরুল। তার এক ছেলে সন্তান রয়েছে; এখন এতিম হয়ে গেল। তার হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

পাবনা সদর থানার ওসি নাসিম আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন, মৃতদেহ উদ্ধারের পর বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

পরপর ৩ গুলি করে আ'লীগ কর্মীকে হত্যা

 পাবনা প্রতিনিধি 
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় আমিরুল ইসলাম (২৮) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে পরপর ৩টি গুলি করা হয়। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের আতাইকান্দা ভূষি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আমিরুল সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের মুন্তাই হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, আমিরুল রোববার রাতে বাড়ি থেকে বের হলে ওতপেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে ঘিরে ধরে। এরপর খুব কাছে থেকে তাকে পরপর তিনটি গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।

একটি সূত্র জানায়, বালু ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে একাধিক গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভাঁড়ারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা সুলতান মাহমুদ বলেন, আমিরুল দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে রাজনীতি করছেন। একজন নিরীহ মানুষ আমিরুল। তার এক ছেলে সন্তান রয়েছে; এখন এতিম হয়ে গেল। তার হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

পাবনা সদর থানার ওসি নাসিম আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন, মৃতদেহ উদ্ধারের পর বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন