জামানত হারালেন জামায়াত-ইসলামী আন্দোলনের ২ জন
jugantor
জামানত হারালেন জামায়াত-ইসলামী আন্দোলনের ২ জন

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৬:৩৬:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

পৌর নির্বাচনে সাতক্ষীরায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে যথেষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন দুইজন প্রার্থী।

তারা হলেন- জেলা জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল হুদা। তিনি পেয়েছেন দুই হাজার ৮৮৮ ভোট। অপরদিকে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রউফ এক হাজার ৬৯৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

এদিকে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে যথেষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন সেলিনা আক্তার, রাশিদুর রহমান, জুলফিকার রহমান উজ্জ্বল, শেখ সেলিম, আসাদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, আহসান আজিম ও আব্দুর রাজ্জাক।

২ নম্বর ওয়ার্ডে জামানত হারিয়েছেন মো. তালিম হোসেন। ৩নং ওয়ার্ডে শেখ মুজিবুর রহমান, সুমন রহমান ও কামরুল কবির চৌধুরী। ৪নং ওয়ার্ডে আফজাল হোসেন ও মাহমুদ হাসান জামানত হারিয়েছেন।

৫নং ওয়ার্ডে জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন আবু রায়হান, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মালেক, ফারুক সরদার ও মিজানুর রহমান। ৬নং ওয়ার্ডে শেখ মাহমুদ হোসেন, মো. কামরুজ্জামান ও মো. রফিকুল ইসলাম।

অন্যদিকে ৭নং ওয়ার্ডে জামানত হারিয়েছেন মো. শাহাবুদ্দিন, মো. রেজাউল করিম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। ৮নং ওয়ার্ডে জামানত হারালেন মনিরুজ্জামান মনির ও শওকত আলী। এছাড়া ৯নং ওয়ার্ডে এমএ রাজ্জাক ও আবিদুল হক তাদের জামানত হারিয়েছেন।

এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনে ১২ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে তাজিনা আক্তার ও ৩নং ওয়ার্ডে সাহিদা আক্তার ও গুলশান আরা জামানত হারিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এ নির্বাচনে মেয়দ পদে পাঁচজনের মধ্যে দুইজন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫২ জনের মধ্যে ২৯ জন এবং সংরক্ষিত আসনের ১২ জনের মধ্যে তিনজন তাদের জামানত হারিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নাজমুল কবির জানান, তারা যথেষ্ট পরিমাণ ভোট সংগ্রহ করতে না পারায় আইন অনুযায়ী তারা জামানত হারাতে যাচ্ছেন।

জামানত হারালেন জামায়াত-ইসলামী আন্দোলনের ২ জন

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৪:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পৌর নির্বাচনে সাতক্ষীরায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে যথেষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন দুইজন প্রার্থী।

তারা হলেন- জেলা জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল হুদা। তিনি পেয়েছেন দুই হাজার ৮৮৮ ভোট। অপরদিকে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রউফ এক হাজার ৬৯৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

এদিকে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে যথেষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন সেলিনা আক্তার, রাশিদুর রহমান, জুলফিকার রহমান উজ্জ্বল, শেখ সেলিম, আসাদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, আহসান আজিম ও আব্দুর রাজ্জাক।

২ নম্বর ওয়ার্ডে জামানত হারিয়েছেন মো. তালিম হোসেন। ৩নং ওয়ার্ডে শেখ মুজিবুর রহমান, সুমন রহমান ও কামরুল কবির চৌধুরী। ৪নং ওয়ার্ডে আফজাল হোসেন ও মাহমুদ হাসান জামানত হারিয়েছেন।

৫নং ওয়ার্ডে জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন আবু রায়হান, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মালেক, ফারুক সরদার ও মিজানুর রহমান। ৬নং ওয়ার্ডে শেখ মাহমুদ হোসেন, মো. কামরুজ্জামান ও মো. রফিকুল ইসলাম।

অন্যদিকে ৭নং ওয়ার্ডে জামানত হারিয়েছেন মো. শাহাবুদ্দিন, মো. রেজাউল করিম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। ৮নং ওয়ার্ডে জামানত হারালেন মনিরুজ্জামান মনির ও শওকত আলী। এছাড়া ৯নং ওয়ার্ডে এমএ রাজ্জাক ও আবিদুল হক তাদের জামানত হারিয়েছেন।

এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনে ১২ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে তাজিনা আক্তার ও ৩নং ওয়ার্ডে সাহিদা আক্তার ও গুলশান আরা জামানত হারিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এ নির্বাচনে মেয়দ পদে পাঁচজনের মধ্যে দুইজন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫২ জনের মধ্যে ২৯ জন এবং সংরক্ষিত আসনের ১২ জনের মধ্যে তিনজন তাদের জামানত হারিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নাজমুল কবির জানান, তারা যথেষ্ট পরিমাণ ভোট সংগ্রহ করতে না পারায় আইন অনুযায়ী তারা জামানত হারাতে যাচ্ছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন