আ’লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
jugantor
আ’লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

  পাবনা প্রতিনিধি  

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:১০:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় আওয়ামী লীগ কর্মী আমিরুল হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে শহরে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

সোমবার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলসহ নেতাকর্মীরা পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আমিরুলের লাশ আনতে যান। পরে মর্গ থেকে লাশ নিয়ে তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন- পাবনা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট তসলিম হাসান সুমন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আহাদ আলী বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল আলী মাসুদ, সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজের সাবেক ভিপি আজিজ প্রমুখ।

রোববার রাতে আওয়ামী লীগ কর্মী আমিরুল ইসলামকে (২৮) গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের আতাইকান্দা ভুষি এলাকায় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা আমিরুলকে গুলি করে হত্যা করে।

পাবনা সদর থানার ওসি নাসিম আহমেদ জানান, আনুমানিক ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত ঘিরে ধরে আমিরুলকে কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করে। হত্যাকারীরা যাওয়ার সময় সর্বহারা জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দেয় বলে জানা গেছে।

নিহত আমিরুল সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের মুন্তাই হোসেনের ছেলে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

একটি সূত্র জানায়, বালু ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে একাধিক গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মাসুদ আলম জানান, আমিরুল হত্যার ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মামলা হয়নি।

স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, দাফন শেষ করে তাদের মামলা করতে আসার কথা রয়েছে। তবে পুলিশ হত্যাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

আ’লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

 পাবনা প্রতিনিধি 
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় আওয়ামী লীগ কর্মী আমিরুল হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে শহরে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

সোমবার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলসহ নেতাকর্মীরা পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আমিরুলের লাশ আনতে যান। পরে মর্গ থেকে লাশ নিয়ে তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন- পাবনা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট তসলিম হাসান সুমন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আহাদ আলী বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল আলী মাসুদ, সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজের সাবেক ভিপি আজিজ প্রমুখ।

রোববার রাতে আওয়ামী লীগ কর্মী আমিরুল ইসলামকে (২৮) গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের আতাইকান্দা ভুষি এলাকায় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা আমিরুলকে গুলি করে হত্যা করে।

পাবনা সদর থানার ওসি নাসিম আহমেদ জানান, আনুমানিক ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত ঘিরে ধরে আমিরুলকে কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করে। হত্যাকারীরা যাওয়ার সময় সর্বহারা জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দেয় বলে জানা গেছে।

নিহত আমিরুল সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের মুন্তাই হোসেনের ছেলে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

একটি সূত্র জানায়, বালু ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে একাধিক গ্রুপের মধ্যে  দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মাসুদ আলম জানান, আমিরুল হত্যার ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মামলা হয়নি।

স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, দাফন শেষ করে তাদের মামলা করতে আসার কথা রয়েছে। তবে পুলিশ হত্যাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন