ছাত্রীনিবাসের গ্রিলে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ, চিরকুটে প্রেমিককে দায়ী
jugantor
ছাত্রীনিবাসের গ্রিলে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ, চিরকুটে প্রেমিককে দায়ী

  বগুড়া ব্যুরো  

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৫৮:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় চিরকুটে প্রেমিক নাজমুলকে দায়ী করে জলি খাতুন (২১) নামে এক কলেজছাত্রী গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের কামারগাড়ি এলাকায় মুগ্ধ ছাত্রীনিবাসে রুমে জানালার গ্রিলের সঙ্গে অর্ধঝুলন্ত অবস্থায় থাকা তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা হয়েছে। শিগগিরই পরিবার থেকে প্রেমিকের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করবে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, জলি খাতুন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা উপজেলার ঘুড়কা বাজার এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের গণিত সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। জলি কলেজের কাছে কামারগাড়ি এলাকায় মুগ্ধ ছাত্রীনিবাসে থাকতেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তার রুমের জানালার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ও বিছানায় বসা অবস্থায় লাশ দেখতে পাওয়া যায়। পরে দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

ছাত্রীনিবাসের অন্য শিক্ষার্থীরা জানান, জলির সঙ্গে একই এলাকা সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা উপজেলার ঘুড়কা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে নাজমুলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বুধবার সন্ধ্যায় জলির সঙ্গে তারা আড্ডা দেন। রাত ৮টার দিকে মোবাইল ফোনে কল এলে জলি রুমে চলে যায়। এরপর নাজমুল মোবাইল ফোনে ছাত্রীনিবাসের এক মেয়েকে জানান- জলি ফোন ধরছে না। পরে সবাই গিয়ে বন্ধ রুমে জলির অর্ধঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।

সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, রুমে পাওয়া চিরকুটে কলেজছাত্রী জলি খাতুন তার মৃত্যুর জন্য প্রেমিক পলিটেকনিকের ছাত্র নাজমুলকে দায়ী করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে প্রেমঘটিত কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে পরিবার প্রেমিক নাজমুলের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার মামলা করবেন।

ছাত্রীনিবাসের গ্রিলে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ, চিরকুটে প্রেমিককে দায়ী

 বগুড়া ব্যুরো 
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় চিরকুটে প্রেমিক নাজমুলকে দায়ী করে জলি খাতুন (২১) নামে এক কলেজছাত্রী গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের কামারগাড়ি এলাকায় মুগ্ধ ছাত্রীনিবাসে রুমে জানালার গ্রিলের সঙ্গে অর্ধঝুলন্ত অবস্থায় থাকা তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা হয়েছে। শিগগিরই পরিবার থেকে প্রেমিকের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করবে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, জলি খাতুন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা উপজেলার ঘুড়কা বাজার এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের গণিত সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। জলি কলেজের কাছে কামারগাড়ি এলাকায় মুগ্ধ ছাত্রীনিবাসে থাকতেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তার রুমের জানালার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ও বিছানায় বসা অবস্থায় লাশ দেখতে পাওয়া যায়। পরে দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

ছাত্রীনিবাসের অন্য শিক্ষার্থীরা জানান, জলির সঙ্গে একই এলাকা সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা উপজেলার ঘুড়কা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে নাজমুলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বুধবার সন্ধ্যায় জলির সঙ্গে তারা আড্ডা দেন। রাত ৮টার দিকে মোবাইল ফোনে কল এলে জলি রুমে চলে যায়। এরপর নাজমুল মোবাইল ফোনে ছাত্রীনিবাসের এক মেয়েকে জানান- জলি ফোন ধরছে না। পরে সবাই গিয়ে বন্ধ রুমে জলির অর্ধঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।

সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, রুমে পাওয়া চিরকুটে কলেজছাত্রী জলি খাতুন তার মৃত্যুর জন্য প্রেমিক পলিটেকনিকের ছাত্র নাজমুলকে দায়ী করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে প্রেমঘটিত কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে পরিবার প্রেমিক নাজমুলের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার মামলা করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন