দুই ভাগ্নেকে পাশে নিয়ে কাদের মির্জার গ্রেফতার চাইলেন বিরোধীরা
jugantor
দুই ভাগ্নেকে পাশে নিয়ে কাদের মির্জার গ্রেফতার চাইলেন বিরোধীরা

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:২৩:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

দুই ভাগ্নেকে পাশে নিয়ে কাদের মির্জার গ্রেফতার চাইলেন বিরোধীরা

বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বহিষ্কার ও গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

শনিবার দুপুরে উপজেলার পেশকারহাট রাস্তার মাথায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় আবদুল কাদের মির্জার দুই ভাগ্নে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু ও স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে কটূক্তি, অশালীন ভাষায় বক্তব্য এবং দলীয় অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মিথ্যাচারের প্রতিবাদে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চিকিৎসার নামে কাদের মির্জা আমেরিকা গিয়ে বিএনপির পলাতক নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন।

বিএনপি-জামায়াতের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের রাজনীতি ধ্বংস করার জন্য অপরাজনীতি ও অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে বদ্ধ উন্মাদ হয়ে টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসের গডফাদার কারচুপি করে নির্বাচনে জিতে মেয়র মির্জা এমপি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে এসব অসত্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের অবর্তমানে বিএনপির মনোনয়ন নিশ্চিত করার শর্তে সমঝোতার মাধ্যমে সরকার এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ও হিংসাবিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মেয়র মির্জা, তার পুত্র তাশিক মির্জা ও তার বাহিনীর দলীয় নেতাকর্মীসহ নানা হত্যাকাণ্ড, টেন্ডারবাজি, নানা সেক্টরে চাঁদাবাজি, নেতাকর্মীদের অপমান-নাজেহাল করার অসংখ্য ঘটনা তুলে ধরা হয়।

এ সময় সন্ত্রাসের অঘোষিত গডফাদার দাবি করে মেয়র কাদের মির্জাকে আওয়ামী লীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার, গ্রেফতার করে মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর দাবি জানিয়ে কাদের মির্জার জিম্মিদশা থেকে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে মুক্ত করার দাবি জানানো হয়।

একই সময় প্রশাসন ও পুলিশকে মেয়র কাদের মির্জার কোনো নির্দেশনা না মেনে জনবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলন শেষে সোমবার বিকাল ৩টায় বসুরহাট রূপালী চত্বরে আওয়ামী লীগ আহুত কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগ্নে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু, ওপর ভাগ্নে স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত, আওয়ামী লীগ নেতা হাসিবুস শহীদ আলোক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাসিব আহসান আলাল, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আরিফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মুছাপুর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম শাহীন চৌধুরী, চরএলাহী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবুল বাশার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলন চলার সময় কাদের মির্জার বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরনবী চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন, আওয়ামী লীগ নেতা ও ঢাকার ব্যবসায়ী নাজমুল হক নাজিম, সাবেক ছাত্র-যুব নেতা ও ঢাকার ব্যবসায়ী গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন মুন্না, সাধারণ সম্পাদক শাহ ফরহাদ লিংকন, সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি নুর-এ মাওলা রাজুসহ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।

দুই ভাগ্নেকে পাশে নিয়ে কাদের মির্জার গ্রেফতার চাইলেন বিরোধীরা

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৭:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দুই ভাগ্নেকে পাশে নিয়ে কাদের মির্জার গ্রেফতার চাইলেন বিরোধীরা
ছবি: যুগান্তর

বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বহিষ্কার ও গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। 

শনিবার দুপুরে উপজেলার পেশকারহাট রাস্তার মাথায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল কাদের মির্জার দুই ভাগ্নে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু ও স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত উপস্থিত ছিলেন। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল। 

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে কটূক্তি, অশালীন ভাষায় বক্তব্য এবং দলীয় অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মিথ্যাচারের প্রতিবাদে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চিকিৎসার নামে কাদের মির্জা আমেরিকা গিয়ে বিএনপির পলাতক নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। 

বিএনপি-জামায়াতের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের রাজনীতি ধ্বংস করার জন্য অপরাজনীতি ও অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে বদ্ধ উন্মাদ হয়ে টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসের গডফাদার কারচুপি করে নির্বাচনে জিতে মেয়র মির্জা এমপি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে এসব অসত্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের অবর্তমানে বিএনপির মনোনয়ন নিশ্চিত করার শর্তে সমঝোতার মাধ্যমে সরকার এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ও হিংসাবিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন। 

সংবাদ সম্মেলনে মেয়র মির্জা, তার পুত্র তাশিক মির্জা ও তার বাহিনীর দলীয় নেতাকর্মীসহ নানা হত্যাকাণ্ড, টেন্ডারবাজি, নানা সেক্টরে চাঁদাবাজি, নেতাকর্মীদের অপমান-নাজেহাল করার অসংখ্য ঘটনা তুলে ধরা হয়। 

এ সময় সন্ত্রাসের অঘোষিত গডফাদার দাবি করে মেয়র কাদের মির্জাকে আওয়ামী লীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার, গ্রেফতার করে মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর দাবি জানিয়ে কাদের মির্জার জিম্মিদশা থেকে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে মুক্ত করার দাবি জানানো হয়। 

একই সময় প্রশাসন ও পুলিশকে মেয়র কাদের মির্জার কোনো নির্দেশনা না মেনে জনবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। 

সংবাদ সম্মেলন শেষে সোমবার বিকাল ৩টায় বসুরহাট রূপালী চত্বরে আওয়ামী লীগ আহুত কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগ্নে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু, ওপর ভাগ্নে স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত, আওয়ামী লীগ নেতা হাসিবুস শহীদ আলোক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাসিব আহসান আলাল, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আরিফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মুছাপুর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম শাহীন চৌধুরী, চরএলাহী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবুল বাশার প্রমুখ। 

সংবাদ সম্মেলন চলার সময় কাদের মির্জার বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, সাধারণ  সম্পাদক ও সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরনবী চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন, আওয়ামী লীগ নেতা ও ঢাকার ব্যবসায়ী নাজমুল হক নাজিম, সাবেক ছাত্র-যুব নেতা ও ঢাকার ব্যবসায়ী গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন মুন্না, সাধারণ সম্পাদক শাহ ফরহাদ লিংকন, সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি নুর-এ মাওলা রাজুসহ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আবদুল কাদের মির্জা

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন