‘জিয়ার সৈনিক এক হও’ স্লোগান দেওয়ায় পুলিশের লাঠিপেটা, আহত ১৫
jugantor
‘জিয়ার সৈনিক এক হও’ স্লোগান দেওয়ায় পুলিশের লাঠিপেটা, আহত ১৫

  দশমিনা ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩:৪৭:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

লাঠিপেটা

পটুয়াখালীর দশমিনায় শহিদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে পুলিশের লাঠিপেটায় বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

‘জিয়ার সৈনিক এক হও’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশ নেতাকর্মীদের লাঠিচার্জ করেছে অভিযোগ করেছে উপজেলা বিএনপি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভাষাশহিদের শ্রদ্ধা জানাতে রাতে দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে প্রবেশ করেন। শহিদ মিনারের কাছাকাছি পৌঁছলে পুলিশ তাদের স্লোগান দিতে নিষেধ করে। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের তর্ক হয়।

এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে নেতাকর্মীদের। এরপর তাদের ধাওয়া করে বিদ্যালয় মাঠ থেকে বের করে দেয়।

পুলিশের লাঠিপেটায় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদল ও সিকদার এজাজুলসহ ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

আহতদের মধ্যে ফখরুজ্জামান বাদলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে রাতেই হাসপালে চিকিৎসাধীন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদলকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিম তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, ‘জিয়ার সৈনিক এক হও’ স্লোগান দেওয়ায় পুলিশ পিটিয়ে ও ধাওয়া করে আমাদের নেতাকর্মীদের মাঠ থেকে বের করে দেয়। এ ছাড়া বাদল গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু ভর্তির কিছু সময় পরেই পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দশমিনা থানার ওসি মো. জসিম যুগান্তরকে বলেন, শহিদ মিনারে বিএনপি নেতাকর্মীদের লাঠিপেটার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

তবে পৃথক আরেকটি ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ছোড়া ককটেলে পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

ওসি বলেন, উপজেলার নলখোলা বন্দরে বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনায়। এতে এসআই তৌসিফ (২৭), আব্দুর রহিম, কনস্টেবল সুমন (৩০) ও মো. জালিস (২২) আহত হন। তারা রাতেই দশমিনা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এছাড়া নলখোলা বন্দরে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদলের পকেট থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।

ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছর

‘জিয়ার সৈনিক এক হও’ স্লোগান দেওয়ায় পুলিশের লাঠিপেটা, আহত ১৫

 দশমিনা ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০১:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লাঠিপেটা
ছবি-যুগান্তর

পটুয়াখালীর দশমিনায় শহিদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে পুলিশের লাঠিপেটায় বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

‘জিয়ার সৈনিক এক হও’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশ নেতাকর্মীদের লাঠিচার্জ করেছে অভিযোগ করেছে উপজেলা বিএনপি। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভাষাশহিদের শ্রদ্ধা জানাতে রাতে দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে প্রবেশ করেন। শহিদ মিনারের কাছাকাছি পৌঁছলে পুলিশ তাদের স্লোগান দিতে নিষেধ করে। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের তর্ক হয়। 

এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে নেতাকর্মীদের। এরপর তাদের ধাওয়া করে বিদ্যালয় মাঠ থেকে বের করে দেয়। 

পুলিশের লাঠিপেটায় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদল ও সিকদার এজাজুলসহ ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। 

আহতদের মধ্যে ফখরুজ্জামান বাদলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে রাতেই হাসপালে চিকিৎসাধীন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদলকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। 

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিম তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, ‘জিয়ার সৈনিক এক হও’ স্লোগান দেওয়ায় পুলিশ পিটিয়ে ও ধাওয়া করে আমাদের নেতাকর্মীদের মাঠ থেকে বের করে দেয়। এ ছাড়া বাদল গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু ভর্তির কিছু সময় পরেই পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দশমিনা থানার ওসি মো. জসিম যুগান্তরকে বলেন, শহিদ মিনারে বিএনপি নেতাকর্মীদের লাঠিপেটার কোনো ঘটনা ঘটেনি।   

তবে পৃথক আরেকটি ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ছোড়া ককটেলে পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।  

ওসি বলেন, উপজেলার নলখোলা বন্দরে বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনায়। এতে এসআই তৌসিফ (২৭), আব্দুর রহিম, কনস্টেবল সুমন (৩০) ও মো. জালিস (২২) আহত হন। তারা রাতেই দশমিনা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এছাড়া নলখোলা বন্দরে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদলের পকেট থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন পুলিশের এ কর্মকর্তা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছর

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন