জুতা পায়ে শহিদ মিনারে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি, ছবি ভাইরাল
jugantor
জুতা পায়ে শহিদ মিনারে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি, ছবি ভাইরাল

  সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি  

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৮:২৯:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

একুশের প্রথম প্রহরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার বিষ্ণুপুর ইটালী মডেল হাইস্কুলের শহিদ মিনারে প্রধান শিক্ষক, স্কুল সভাপতি ও স্থানীয় এক ইউপি সদস্যর জুতা পায়ে ফুল দেয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে সমালোচনার ঝড় বইছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল ৮টায় উপজেলার বিষ্ণুপুর ইটালী মডেল হাইস্কুলে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। কিন্তু এ সময় বেদিতে জুতা পায়ে ওঠেন প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান ও দুজন সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন এবং মশিউর রহমান।

ছবিতে জুতা পায়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও ইটালী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ ওরফে জাকির ও একই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জুলফিকার আলী ভুট্টুকে। ফুল দেওয়ার সময় জুতা পায়ে তারা নিজ নিজ মোবাইল ফোনে ছবি তোলেন।

প্রায় ১০ মিনিট এভাবে শহিদ মিনারের পবিত্রতা নষ্ট করা হয়। পরে বিষ্ণুপুর ইটালী মডেল হাইস্কুলের ফেসবুক পেজে ছবিগুলো পোস্ট দেয়া হয়। সেখান থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ছবিগুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে বেশ কয়েকটি ছবি ভাইরাল হয়। শুরু হয় সমালোচনা এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান মোবাইল ফোনে বলেন, অবচেতনভাবে ঘটনাটি ঘটেছে। আর নির্মাণাধীন শহিদ মিনার হওয়ায় সেখানে ধুলোবালি ছিল তাই জুতা পায়ে উঠেছেন বলে জানান তিনি।

আর স্কুল সভাপতি আব্দুল আজিজ ও ইউপি সদস্য জুলফিকার আলী জানান, কাজটি তারা ভুল করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান বলেন, জুতা পায়ে শহিদ মিনারে ফুল দেয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। আর এ বিষয়ে জেনে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দেন।

জুতা পায়ে শহিদ মিনারে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি, ছবি ভাইরাল

 সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি 
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একুশের প্রথম প্রহরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার বিষ্ণুপুর ইটালী মডেল হাইস্কুলের শহিদ মিনারে প্রধান শিক্ষক, স্কুল সভাপতি ও স্থানীয় এক ইউপি সদস্যর জুতা পায়ে ফুল দেয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে সমালোচনার ঝড় বইছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল ৮টায় উপজেলার বিষ্ণুপুর ইটালী মডেল হাইস্কুলে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। কিন্তু এ সময় বেদিতে জুতা পায়ে ওঠেন প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান ও দুজন সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন এবং মশিউর রহমান।

ছবিতে জুতা পায়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও ইটালী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ ওরফে জাকির ও একই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জুলফিকার আলী ভুট্টুকে। ফুল দেওয়ার সময় জুতা পায়ে তারা নিজ নিজ মোবাইল ফোনে ছবি তোলেন।

প্রায় ১০ মিনিট এভাবে শহিদ মিনারের পবিত্রতা নষ্ট করা হয়। পরে বিষ্ণুপুর ইটালী মডেল হাইস্কুলের ফেসবুক পেজে ছবিগুলো পোস্ট দেয়া হয়। সেখান থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ছবিগুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে বেশ কয়েকটি ছবি ভাইরাল হয়। শুরু হয় সমালোচনা এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান মোবাইল ফোনে বলেন, অবচেতনভাবে ঘটনাটি ঘটেছে। আর নির্মাণাধীন শহিদ মিনার হওয়ায় সেখানে ধুলোবালি ছিল তাই জুতা পায়ে উঠেছেন বলে জানান তিনি।

আর স্কুল সভাপতি আব্দুল আজিজ ও ইউপি সদস্য জুলফিকার আলী জানান, কাজটি তারা ভুল করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান বলেন, জুতা পায়ে শহিদ মিনারে ফুল দেয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। আর এ বিষয়ে জেনে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছর

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন