চারদিক থেকে অস্ত্র আমার দিকে তাক হয়ে আছে: কাদের মির্জা
jugantor
চারদিক থেকে অস্ত্র আমার দিকে তাক হয়ে আছে: কাদের মির্জা

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৫৬:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কিরকে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার, প্রকৃত খুনিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির।

কাদের মির্জা বলেন, রোববার রাত ৮টায় চাপরাশির হাটে সাংবাদিক মুজাক্কিরের জানাজায় আমি যেন যেতে না পারি, সেখানে অস্ত্রের মহড়া চলছে। চারদিক থেকে অস্ত্র আমার দিকে তাক হয়ে আছে। আমি জানাজায় যাব না এবং আমার সমর্থকদেরকেও যেতে নিষেধ করেছি।

রোববার বিকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংবাদিক মুজাক্কির পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য চাপরাশিরহাট গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে কেন গুলিতে প্রাণ দিতে হবে? মুজাক্কির আমার দলের না হলেও আমি এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। গোয়েন্দা তদন্তের রিপোর্টে হত্যার সঙ্গে আমি জড়িত আছি প্রমাণ করতে পারলে এ দায় নিয়ে আমারও বিচার হোক।

হত্যাকাণ্ডের মত ঘটনা ঘটিয়ে তাকে ফাঁসিয়ে দেয়ার আশংকায় তিনি ইতোপূর্বেই কোম্পানীগঞ্জ থানায় জিডি করেছেন সাংবাদিকদেরকে কাদের মির্জা জানান।

তিনি আরও বলেন, একরাম চৌধুরী পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার ছেলে সাবাব চৌধুরী, পিএস সুনিল চৌধুরী নেতৃত্বে দুটি গ্রুপকে অস্ত্রসহ গত শুক্রবার চাপরাশিরহাট পাঠিয়েছিল। তারা চেয়েছে লাশ, আমাকে হত্যা করতে না পেরে মুজাক্কিরের মত একজন নিরীহ সংবাদ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার দায় আওয়ামী লীগের নয়। এ দায় অপরাজনীতি ও লুটপাটের নেতাদের এবং কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জাহেদ আর পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল হকের। বরিউল হক সেদিন চাপরাশিরহাটে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন। পুরো প্রশাসন একরাম চৌধুরীর অর্থের কাছে জিম্মি হয়ে নিলর্জভাবে আমার বিরোধিতা করে যাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় বাদল, শাহীন, রাজ্জাক চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় এসব ঘটনা ঘটছে এবং সুপরিকল্পিতভাবে দায় আমার ওপর চাপানোর জন্য সাংবাদিক মুজাক্কিরকে হত্যা করা হয়েছে।

কাদের মির্জা বলেন, সংবাদ মাধ্যমে পুলিশ আমার বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারও আমার সাথে খারাপ আচরণ করেছে। আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদেরকে এসব বিষয়ে সব জানিয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং ওবায়দুল কাদের আমার সব অভিযোগের বিষয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলায় আমি আমার পূর্ব সব কর্মসূচি স্থগিত করেছি। কিন্তু সাংবাদিক মুজাক্কিরকে হত্যার পর দায় আমার ওপর চাপানোর ষড়যন্ত্র চলছে বুঝতে পেরে আমি মুজাক্কির হত্যার বিচার চেয়ে আমার প্রতিবাদ, মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়েছি।

এ নিরিখেই সোমবার দুপুরে আড়াইটায় বসুরহাট রূপালী চত্বরে সাংবাদিক মুজাক্কিরের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও শোক সভার কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।

চারদিক থেকে অস্ত্র আমার দিকে তাক হয়ে আছে: কাদের মির্জা

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কিরকে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার, প্রকৃত খুনিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির।

কাদের মির্জা বলেন, রোববার রাত ৮টায় চাপরাশির হাটে সাংবাদিক মুজাক্কিরের জানাজায় আমি যেন যেতে না পারি, সেখানে অস্ত্রের মহড়া চলছে। চারদিক থেকে অস্ত্র আমার দিকে তাক হয়ে আছে। আমি জানাজায় যাব না এবং আমার সমর্থকদেরকেও যেতে নিষেধ করেছি। 

রোববার বিকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংবাদিক মুজাক্কির পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য চাপরাশিরহাট গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে কেন গুলিতে প্রাণ দিতে হবে? মুজাক্কির আমার দলের না হলেও আমি এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। গোয়েন্দা তদন্তের রিপোর্টে হত্যার সঙ্গে আমি জড়িত আছি প্রমাণ করতে পারলে এ দায় নিয়ে আমারও বিচার হোক।

হত্যাকাণ্ডের মত ঘটনা ঘটিয়ে তাকে ফাঁসিয়ে দেয়ার আশংকায় তিনি ইতোপূর্বেই কোম্পানীগঞ্জ থানায় জিডি করেছেন সাংবাদিকদেরকে কাদের মির্জা জানান। 

তিনি আরও বলেন, একরাম চৌধুরী পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার ছেলে সাবাব চৌধুরী, পিএস সুনিল চৌধুরী নেতৃত্বে দুটি গ্রুপকে অস্ত্রসহ গত শুক্রবার চাপরাশিরহাট পাঠিয়েছিল। তারা চেয়েছে লাশ, আমাকে হত্যা করতে না পেরে মুজাক্কিরের মত একজন নিরীহ সংবাদ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার দায় আওয়ামী লীগের নয়। এ দায় অপরাজনীতি ও লুটপাটের নেতাদের এবং কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জাহেদ আর পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল হকের। বরিউল হক সেদিন চাপরাশিরহাটে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন। পুরো প্রশাসন একরাম চৌধুরীর অর্থের কাছে জিম্মি হয়ে নিলর্জভাবে আমার বিরোধিতা করে যাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় বাদল, শাহীন, রাজ্জাক চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় এসব ঘটনা ঘটছে এবং সুপরিকল্পিতভাবে দায় আমার ওপর চাপানোর জন্য সাংবাদিক মুজাক্কিরকে হত্যা করা হয়েছে।

কাদের মির্জা বলেন, সংবাদ মাধ্যমে পুলিশ আমার বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারও আমার সাথে খারাপ আচরণ করেছে। আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদেরকে এসব বিষয়ে সব জানিয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং ওবায়দুল কাদের আমার সব অভিযোগের বিষয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলায় আমি আমার পূর্ব সব কর্মসূচি স্থগিত করেছি। কিন্তু সাংবাদিক মুজাক্কিরকে হত্যার পর দায় আমার ওপর চাপানোর ষড়যন্ত্র চলছে বুঝতে পেরে আমি মুজাক্কির হত্যার বিচার চেয়ে আমার প্রতিবাদ, মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়েছি।

এ নিরিখেই সোমবার দুপুরে আড়াইটায় বসুরহাট রূপালী চত্বরে সাংবাদিক মুজাক্কিরের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও শোক সভার কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আবদুল কাদের মির্জা

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন