বগুড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
বগুড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

  বগুড়া ব্যুরো  

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:৫৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ফোরকান আলী

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় ফোরকান আলী (৩২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে সোমবার বিকালে ‘সন্ত্রাসের জনপদ’খ্যাত উপজেলার ফুলতলাবাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত ফোরকান আলী শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলাবাজার এলাকার মৃত মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তারের ছেলে।

ফোরকানের মা শাহানা বেওয়া দাবি করেছেন, নিহত প্রতিপক্ষ মজনু প্রামাণিকের পরিবারের লোকজন এ মামলায় জড়িত।

শাজাহানপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষরা এ হামলা চালিয়েছে। এতে ফোরকান গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে সেখানে তার মৃত্যু হয়। অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এলাকাবাসী জানান, ফোরকানের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, একটি চাঁদাবাজিসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তিনি ওই এলাকায় নিহত সন্ত্রাসী শাহীন বাহিনীর অন্যতম সদস্য। সরাসরি রাজনীতি না করলেও ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠনের মিছিল ও সভায় তাকে দেখা যায়।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ফুলতলাবাজার এলাকায় ফোরকানের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা ও বালু ব্যবসা নিয়ে নিহত রঞ্জু প্রামাণিকের ছেলে সুমন ও মানিকের বাকবিতণ্ডা হয়।

এর পর তিনজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফোরকানের মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ফোরকানের মা শাহানা বেওয়া দাবি করেন, তার ছেলে ভালো হয়ে গিয়েছিল। দুপুরে ভাত খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। প্রতিপক্ষ মজনুর লোকজন তাকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তিনি তার ছেলে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

বগুড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

 বগুড়া ব্যুরো 
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফোরকান আলী
ফোরকান আলী। ছবি: যুগান্তর

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় ফোরকান আলী (৩২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে সোমবার বিকালে ‘সন্ত্রাসের জনপদ’খ্যাত উপজেলার ফুলতলাবাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত ফোরকান আলী শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলাবাজার এলাকার মৃত মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তারের ছেলে।

ফোরকানের মা শাহানা বেওয়া দাবি করেছেন, নিহত প্রতিপক্ষ মজনু প্রামাণিকের পরিবারের লোকজন এ মামলায় জড়িত।

শাজাহানপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষরা এ হামলা চালিয়েছে। এতে ফোরকান গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে সেখানে তার মৃত্যু হয়।  অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এলাকাবাসী জানান, ফোরকানের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, একটি চাঁদাবাজিসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তিনি ওই এলাকায় নিহত সন্ত্রাসী শাহীন বাহিনীর অন্যতম সদস্য। সরাসরি রাজনীতি না করলেও ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠনের মিছিল ও সভায় তাকে দেখা যায়।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ফুলতলাবাজার এলাকায় ফোরকানের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা ও বালু ব্যবসা নিয়ে নিহত রঞ্জু প্রামাণিকের ছেলে সুমন ও মানিকের বাকবিতণ্ডা হয়।

এর পর তিনজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফোরকানের মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ফোরকানের মা শাহানা বেওয়া দাবি করেন, তার ছেলে ভালো হয়ে গিয়েছিল। দুপুরে ভাত খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। প্রতিপক্ষ মজনুর লোকজন তাকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তিনি তার ছেলে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন