প্রধানমন্ত্রীর আবাসন প্রকল্পের ১২টি ঘরের পিলার ভাঙল দুর্বৃত্তরা
jugantor
প্রধানমন্ত্রীর আবাসন প্রকল্পের ১২টি ঘরের পিলার ভাঙল দুর্বৃত্তরা

  বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি  

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৫৯:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাকরাইল আবাসন প্রকল্পের ১২টি ঘরের ৩২টি পিলার ভেঙ্গে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার রাতে উপজেলার চাখার ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. বাদশা মিয়া বাদী হয়ে স্থানীয় সুমন কাজী ও অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামি করে বানারীপাড়া থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

বানারীপাড়া থানার ওসি মো.হেলাল উদ্দিন এ মামলাটি এসআই মোক্তার হোসেনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন পরিদর্শন করে ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার চেষ্টা করছেন বলে ওসি ও পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাফর আহম্মেদ যুগান্তরকে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মুজিব শতবর্ষের অঙ্গীকার ‘কেউ রবে না গৃহহীন আর’ এ বিষয়কে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয় থেকে সম্প্রতি বানারীপাড়া উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ২০০ গৃহহীন পরিবারকে দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি করে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রতি ঘরের ব্যয় হিসেবে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া ওই ঘরগুলো নিয়মিত অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা ও পিআইও ইঞ্জিনিয়ার মো. মহসিন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তদারকী করছেন।

তাদের নেতৃত্বে সম্প্রতি উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের মতো চাখার ইউনিয়নেও ৯নং ওয়ার্ডের সাকরাল আবাসন প্রকল্পের ৬৫টি ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। রোববার রাতে কে বা কারা ওই প্রকল্পের ১২ ঘরের ৩২টি পিলার ভেঙে ফেলে।

ইউপি চেয়ারম্যান খিজির সরদার যুগান্তরকে জানান, রাতের আধারে কে বা কারা আবাসনের ঘর ভেঙ্গে ফেলেছে সে বিষয়টি খুব দ্রুত পুলিশি তদন্তে বেড়িয়ে আসবে। তিনি ওই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান।

এদিকে সাকরাল আবাসনের নবনির্মিত ১২টি ঘরের ৩২টি পিলার ভেঙ্গে ফেলার খবর পেয়ে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা, এসিল্যান্ড নিসাত সারমিন, ওসি মো.হেলাল উদ্দিন, পরিদর্শক (তদন্ত) মো.জাফর আহম্মেদ, চাখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খিজির সরদার সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

এ সময় তারা জড়িতদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা ও ওসি মো.হেলাল উদ্দিন যুগান্তরকে জানান।

প্রধানমন্ত্রীর আবাসন প্রকল্পের ১২টি ঘরের পিলার ভাঙল দুর্বৃত্তরা

 বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি 
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাকরাইল আবাসন প্রকল্পের ১২টি ঘরের ৩২টি পিলার ভেঙ্গে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার রাতে উপজেলার চাখার ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. বাদশা মিয়া বাদী হয়ে স্থানীয় সুমন কাজী ও অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামি করে বানারীপাড়া থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

বানারীপাড়া থানার ওসি মো.হেলাল উদ্দিন এ মামলাটি এসআই মোক্তার হোসেনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন পরিদর্শন করে ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার চেষ্টা করছেন বলে ওসি ও পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাফর আহম্মেদ যুগান্তরকে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মুজিব শতবর্ষের অঙ্গীকার ‘কেউ রবে না গৃহহীন আর’ এ বিষয়কে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয় থেকে সম্প্রতি বানারীপাড়া উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ২০০ গৃহহীন পরিবারকে দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি করে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রতি ঘরের ব্যয় হিসেবে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া ওই ঘরগুলো নিয়মিত অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা ও পিআইও ইঞ্জিনিয়ার মো. মহসিন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তদারকী করছেন।

তাদের নেতৃত্বে সম্প্রতি উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের মতো চাখার ইউনিয়নেও ৯নং ওয়ার্ডের সাকরাল আবাসন প্রকল্পের ৬৫টি ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। রোববার রাতে কে বা কারা ওই প্রকল্পের ১২ ঘরের ৩২টি পিলার ভেঙে ফেলে।

ইউপি চেয়ারম্যান খিজির সরদার যুগান্তরকে জানান, রাতের আধারে কে বা কারা আবাসনের ঘর ভেঙ্গে ফেলেছে সে বিষয়টি খুব দ্রুত পুলিশি তদন্তে বেড়িয়ে আসবে। তিনি ওই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান।

এদিকে সাকরাল আবাসনের নবনির্মিত ১২টি ঘরের ৩২টি পিলার ভেঙ্গে ফেলার খবর পেয়ে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা, এসিল্যান্ড নিসাত সারমিন, ওসি মো.হেলাল উদ্দিন, পরিদর্শক (তদন্ত) মো.জাফর আহম্মেদ, চাখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খিজির সরদার সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

এ সময় তারা জড়িতদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা ও ওসি মো.হেলাল উদ্দিন যুগান্তরকে জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন