কবর থেকে তোলা হলো সেই শিক্ষকের লাশ
jugantor
কবর থেকে তোলা হলো সেই শিক্ষকের লাশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৭:৩৩:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় আলোচিত নাসির হত্যার নয় মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য ওই শিক্ষকের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করেছে পুলিশ। বুধবার বেলা ১১টায় লাশ উত্তোলনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভির আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, গত বছরের ২৩ মে বরগুনা সদর উপজেলার পশ্চিম গোলবুনিয়া শিশু কিশোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাসিরকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার মিতু ও তার প্রেমিক রাজু মিয়া। স্বামী স্ট্রোক করে মারা গেছে বলে তড়িঘড়ি করে পরদিন সকালে ঈদের আগের দিন সকাল ১০টায় দাফন করা হয় নাসিরকে। হত্যার এ বিষয়টি একরকম ধামাচাপা পড়ে যায়।

ঘটনার ৯ মাস ১৯ দিন পর পুলিশের হাতে আসে রাজুর হারিয়ে যাওয়া ফোন। সেই ফোন কলের রেকর্ডে বেরিয়ে আসে নাসির হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য। কল রেকর্ডের সূত্র ধরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে স্কুলশিক্ষক নাসিরের স্ত্রী মিতু ও রাজুকে গ্রেফতার করে বরগুনার পুলিশ।

ওই দিনই নাসিরের ভাই জলিল হাওলাদার নাসিরের স্ত্রী মিতু ও তার পরকীয়া প্রেমিক রাজুর নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই মিতু ও রাজুকে গ্রেফতারের পর আদালতে ১১ ফেব্রুয়ারি হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় তারা। ওই দিনই ময়নাতদন্তের জন্য করব থেকে মরদেহ তোলার জন্য আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার ওসি অপারেশন সরজিৎ কুমার।

আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ ও বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিকে পাঠাবে।

এ ব্যাপারে বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, নিহত শিক্ষক নাসিরের বড়ভাই আবদুল জলিল বাদী হয়ে মামলা করার পরে এবং আদালতের নির্দেশে নাসিরের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

কবর থেকে তোলা হলো সেই শিক্ষকের লাশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৫:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় আলোচিত নাসির হত্যার নয় মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য ওই শিক্ষকের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করেছে পুলিশ। বুধবার বেলা ১১টায় লাশ উত্তোলনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভির আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, গত বছরের ২৩ মে বরগুনা সদর উপজেলার পশ্চিম গোলবুনিয়া শিশু কিশোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাসিরকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার মিতু ও তার প্রেমিক রাজু মিয়া। স্বামী স্ট্রোক করে মারা গেছে বলে তড়িঘড়ি করে পরদিন সকালে ঈদের আগের দিন সকাল ১০টায় দাফন করা হয় নাসিরকে। হত্যার এ বিষয়টি একরকম ধামাচাপা পড়ে যায়।

ঘটনার ৯ মাস ১৯ দিন পর পুলিশের হাতে আসে রাজুর হারিয়ে যাওয়া ফোন। সেই ফোন কলের রেকর্ডে বেরিয়ে আসে নাসির হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য। কল রেকর্ডের সূত্র ধরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে স্কুলশিক্ষক নাসিরের স্ত্রী মিতু ও রাজুকে গ্রেফতার করে বরগুনার পুলিশ।

ওই দিনই নাসিরের ভাই জলিল হাওলাদার নাসিরের স্ত্রী মিতু ও তার পরকীয়া প্রেমিক রাজুর নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই মিতু ও রাজুকে গ্রেফতারের পর আদালতে ১১ ফেব্রুয়ারি হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় তারা। ওই দিনই ময়নাতদন্তের জন্য করব থেকে মরদেহ তোলার জন্য আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার ওসি অপারেশন সরজিৎ কুমার।

আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ ও বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিকে পাঠাবে।

এ ব্যাপারে বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, নিহত শিক্ষক নাসিরের বড়ভাই আবদুল জলিল বাদী হয়ে মামলা করার পরে এবং আদালতের নির্দেশে নাসিরের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন