ব্যাংকারকে পিটিয়ে হত্যা, সিএনজিচালক নোমানের আত্মসমর্পণ
jugantor
ব্যাংকারকে পিটিয়ে হত্যা, সিএনজিচালক নোমানের আত্মসমর্পণ

  সিলেট ব্যুরো  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:২৩:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদ হত্যার প্রধান আসামি সিএনজি অটোরিকশাচালক নোমান হাছনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার বেলা ১১টায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন নোমান।

শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু।

নোমান সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে।

এদিকে আত্মসমর্পণের পর ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ হত্যার প্রধান আসামি নোমান হাছনুরকে রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোমানের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয় বলে জানান সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, কীভাবে মওদুদকে হত্যা করা হলো, হত্যাকাণ্ডে কারা কারা ছিল এসব তথ্য জানতে নোমানকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তবে বুধবার আদালতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়নি।

অপরদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে আন্দোলনে রাস্তায় নেমেছেন ব্যাংকাররা। সিলেটের সর্বস্তরের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংক কর্মচারী ফেডারেশন ও তরুণ পেশাজীবী সমিতিসহ কয়েকটি সংগঠন এ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে।

আন্দোলনকারীরা জানান, মওদুদ হত্যাকারীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত ও এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। একই সঙ্গে ব্যাংকারদের নিরাপত্তারও দাবি করেন তারা। এছাড়া সিলেটে পরিবহন শ্রমিকদের নৈরাজ্য চলছে এমন দাবি তুলে তারা জানান, এ নৈরাজ্য ও দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হবে। নতুবা আরও অনেককে এভাবে প্রাণ দিতে হবে।

গত শনিবার বিকালে জৈন্তাপুরের হরিপুর থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় নগরীর বন্দরবাজারে আসেন ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমেদ (৩৫)। সেখানে চালক নোমান হাছনুরের (২৮) সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় মওদুদের। তখন নোমানসহ সিএনজি অটোরিকশাচালকরা মওদুদ আহমদকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পর হত্যাকাণ্ডকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে প্রচার চালায় সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকরা।

নিহত মওদুদের বড়ভাই আব্দুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে সিএনজি অটোরিকশাচালক নোমান হাছনুর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ব্যাংকারকে পিটিয়ে হত্যা, সিএনজিচালক নোমানের আত্মসমর্পণ

 সিলেট ব্যুরো 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৮:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদ হত্যার প্রধান আসামি সিএনজি অটোরিকশাচালক নোমান হাছনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার বেলা ১১টায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন নোমান।

শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু।

নোমান সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে।

এদিকে আত্মসমর্পণের পর ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ হত্যার প্রধান আসামি নোমান হাছনুরকে রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোমানের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয় বলে জানান সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, কীভাবে মওদুদকে হত্যা করা হলো, হত্যাকাণ্ডে কারা কারা ছিল এসব তথ্য জানতে নোমানকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তবে বুধবার আদালতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়নি।

অপরদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে আন্দোলনে রাস্তায় নেমেছেন ব্যাংকাররা। সিলেটের সর্বস্তরের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংক কর্মচারী ফেডারেশন ও তরুণ পেশাজীবী সমিতিসহ কয়েকটি সংগঠন এ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে।

আন্দোলনকারীরা জানান, মওদুদ হত্যাকারীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত ও এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। একই সঙ্গে ব্যাংকারদের নিরাপত্তারও দাবি করেন তারা। এছাড়া সিলেটে পরিবহন শ্রমিকদের নৈরাজ্য চলছে এমন দাবি তুলে তারা জানান, এ নৈরাজ্য ও দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হবে। নতুবা আরও অনেককে এভাবে প্রাণ দিতে হবে।

গত শনিবার বিকালে জৈন্তাপুরের হরিপুর থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় নগরীর বন্দরবাজারে আসেন ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমেদ (৩৫)। সেখানে চালক নোমান হাছনুরের (২৮) সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় মওদুদের। তখন নোমানসহ সিএনজি অটোরিকশাচালকরা মওদুদ আহমদকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পর হত্যাকাণ্ডকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে প্রচার চালায় সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকরা।

নিহত মওদুদের বড়ভাই আব্দুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে সিএনজি অটোরিকশাচালক নোমান হাছনুর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন