নারী ইউপি সদস্যের এ কেমন কাণ্ড, ভিডিও ভাইরাল
jugantor
নারী ইউপি সদস্যের এ কেমন কাণ্ড, ভিডিও ভাইরাল

  ডামুড্যা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৮:৫১:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যায় মোবাইল চুরির অপরাধে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে সংরক্ষিত ইউপি সদস্য নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে। মারধরের একটি ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ঘটনাটি শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২, ৩নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী হলেন উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের মৃত মোতালেব চৌকিদারের ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী আব্দুল কাদের চৌকিদার।

ভিডিওতে দেখা যায়, মোবাইল চুরির অপরাধে সৌর বিদ্যুতের ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে কাদেরের হাত পেছন দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ইউপি সদস্য নাজমা বেগম। হাতে একটি লাঠি নিয়ে কথা বলছে আর তাকে মারতে দেখা যায়। মোবাইল কোথায় তা বারবার জিজ্ঞাসা করা হলে- ও বলে দিয়ে দিছি। তারপরও তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়।

স্থানীয়রা বলেন, আব্দুল কাদের একজন সহজ-সরল ছেলে। বেশ কয়েক বছর আগে ওর শারীরিক সমস্যার কারণে পিঠে তিনটি অপারেশন করা হয়। তারপর থেকেই পাগলের মতো হয়ে যায়। এক কথা বললে আরেক দিকে চলে যায়। সেই কথায় থাকতে পারে না। মঙ্গলবার মোবাইল চুরির অপরাধে তাকে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে বেঁধে বেদম মারেন ইউপি সদস্য নাজমা বেগম। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দাগ দেখা যায়। মাঝে মধ্যে এই ইউপি সদস্য বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেন।

আব্দুল কাদেরের প্রতিবেশী হালিমা বেগম বলেন, কয়েক বছর ধরেই দেখছি কাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ওকে কেউ একটি রুটি দিয়ে সারাদিন ঘুরাতে পারবে।

আব্দুল কাদের চৌকিদারের মা বলেন, জন্মের পর থেকে কাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। মানুষের সহযোগিতা নিয়ে তিনটি অপারেশন করা হয়। এরপর থেকে বেশি সমস্যা হয়েছে। যে যা বলে তাই করে। তার থেকে বড় কথা এক কথা জিজ্ঞাসা করলে আরেক কথা বলে। আপনারা যা বলবেন সেটা বলবে না। কিন্তু পরে বলবে কী হইছে। আর অনেক ভয় পায় কথা বলতে। মাঝে মধ্যে পাগলামি করে বিধায় ঘরে বেঁধে রাখি।

ইউপি সদস্য নাজমা বেগম বলেন, আমি কাদেরকে বাঁধি নাই। ছোট একটা লাঠি নিয়ে মোবাইল চুরির স্বীকারের জন্য ভয় দেখাই, যাতে ভয়ে সব কিছু বলে দেয়।

ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মর্তুজা আল মুঈদ বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে কেউ কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেননি। অভিযোগ আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

নারী ইউপি সদস্যের এ কেমন কাণ্ড, ভিডিও ভাইরাল

 ডামুড্যা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যায় মোবাইল চুরির অপরাধে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে সংরক্ষিত ইউপি সদস্য নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে। মারধরের একটি ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ঘটনাটি শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২, ৩নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী হলেন উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের মৃত মোতালেব চৌকিদারের ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী আব্দুল কাদের চৌকিদার।

ভিডিওতে দেখা যায়, মোবাইল চুরির অপরাধে সৌর বিদ্যুতের ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে কাদেরের হাত পেছন দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ইউপি সদস্য নাজমা বেগম। হাতে একটি লাঠি নিয়ে কথা বলছে আর তাকে মারতে দেখা যায়। মোবাইল কোথায় তা বারবার জিজ্ঞাসা করা হলে- ও বলে দিয়ে দিছি। তারপরও তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়।

স্থানীয়রা বলেন, আব্দুল কাদের একজন সহজ-সরল ছেলে। বেশ কয়েক বছর আগে ওর শারীরিক সমস্যার কারণে পিঠে তিনটি অপারেশন করা হয়। তারপর থেকেই পাগলের মতো হয়ে যায়। এক কথা বললে আরেক দিকে চলে যায়। সেই কথায় থাকতে পারে না। মঙ্গলবার মোবাইল চুরির অপরাধে তাকে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে বেঁধে বেদম মারেন ইউপি সদস্য নাজমা বেগম। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দাগ দেখা যায়। মাঝে মধ্যে এই ইউপি সদস্য বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেন।

আব্দুল কাদেরের প্রতিবেশী হালিমা বেগম বলেন, কয়েক বছর ধরেই দেখছি কাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ওকে কেউ একটি রুটি দিয়ে সারাদিন ঘুরাতে পারবে। 

আব্দুল কাদের চৌকিদারের মা বলেন, জন্মের পর থেকে কাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। মানুষের সহযোগিতা নিয়ে তিনটি অপারেশন করা হয়। এরপর থেকে বেশি সমস্যা হয়েছে। যে যা বলে তাই করে। তার থেকে বড় কথা এক কথা জিজ্ঞাসা করলে আরেক কথা বলে। আপনারা যা বলবেন সেটা বলবে না। কিন্তু পরে বলবে কী হইছে। আর অনেক ভয় পায় কথা বলতে। মাঝে মধ্যে পাগলামি করে বিধায় ঘরে বেঁধে রাখি।

ইউপি সদস্য নাজমা বেগম বলেন, আমি কাদেরকে বাঁধি নাই। ছোট একটা লাঠি নিয়ে মোবাইল চুরির স্বীকারের জন্য ভয় দেখাই, যাতে ভয়ে সব কিছু বলে দেয়।

ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মর্তুজা আল মুঈদ বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে কেউ কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেননি। অভিযোগ আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন