বাঁচতে চান কিডনি রোগে আক্রান্ত শিক্ষক মিসবাহ
jugantor
বাঁচতে চান কিডনি রোগে আক্রান্ত শিক্ষক মিসবাহ

  হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:৩০:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

আবু তাহের মিসবাহ

কর্মজীবনে শিক্ষকতাকেই বেছে নিয়েছিলেন আবু তাহের মিসবাহ। তারপর শখের বশে জড়ান সাংবাদিকতা পেশায়। শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতায় কিছুটা খবরাখবর লেখা ছিল তার নিয়মিত রুটিন।

হঠাৎ করে তার কাছে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াল কিডনিসহ নানান রোগ। তাহের মিসবাহ হাজীগঞ্জের একটি প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক এবং দৈনিক চাঁদপুর দিগন্তে কর্মরত আছেন।

প্রায় দশ বছর আগে তার পায়ে চোট পাওয়ার পর পায়ের অপারেশন করতে হয়। সেই থেকে তার শরীরে নানারকম যন্ত্রণা শুরু হয়। পারিবারিক জীবনে ৫ কন্যাসন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তার সংসার। শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি প্রাইভেট পড়াতেন।

বর্তমানে তিনি জটিল চারটি রোগে আক্রান্ত হয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পায়ের রোগের পর হার্টস্ট্রোক করেন। পরানো হয় একটি রিং। তারপর ধরা পড়ে ডায়াবেটিস। এবার ধরা পড়ল তার একটি কিডনি বিকল। ধীরে ধীরে কিডনি ডেমেজ হয়ে পড়ছে। দেশের একাধিক হাসপাতালে গিয়েছেন, নিয়েছেন সাধ্যমতো চিকিৎসা।

তার চিকিৎসার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন হাজীগঞ্জ শাহরাস্তির সংসদ সদস্য মেজর অবসরপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে হাজীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের মাধ্যমে দিয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এছাড়াও তার চিকিৎসা ফান্ডে একটি রাজনৈতিক দল থেকেও করা হয়েছে ব্যাপক অর্থ সহযোগিতা। তার কর্মজীবনের শিক্ষক ও সাংবাদিক সহকর্মীরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন পাশে দাঁড়ানোর।

বয়সের কাছে নতজানু না হলেও রোগের কাছে নতজানু হয়ে এখন বিছানায় কাতরাচ্ছেন তিনি। ৫ মেয়ের মধ্যে দুই মেয়েকে বিবাহ দিয়েছেন। তিন কন্যাসন্তান করছেন পড়াশোনা। বিছানায় শুয়ে শুয়ে কীভাবে সুস্থ হয়ে আবার কর্মজীবনে ফিরবেন। আবার কখনো কখনো ভাবেন কর্মজীবনে ফিরতে না পারলেও যেন বেঁচে থেকে সন্তানদের একটু ভালো দেখে যেতে পারেন।

শিক্ষক ও সাংবাদিক আবু তাহের মিসবাহ যুগান্তরকে বলেন, হয়তো এই প্রতিবেদনটি দেখে অনেকেই আমার পাশে দাঁড়াবেন বলে আমি প্রত্যাশা করি। সবার কাছে সুচিকিৎসা ও তার পরিবারের প্রতি সুদৃষ্টি রাখতে প্রয়োজন সবার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা।

সাহায্য পাঠাতে: আবু তাহের মিসবাহ, হিসাব নং- ৩৯৫৩, ইসলামী ব্যাংক, হাজীগঞ্জ শাখা, চাঁদপুর।

বাঁচতে চান কিডনি রোগে আক্রান্ত শিক্ষক মিসবাহ

 হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৮:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আবু তাহের মিসবাহ
আবু তাহের মিসবাহ

কর্মজীবনে শিক্ষকতাকেই বেছে নিয়েছিলেন আবু তাহের মিসবাহ। তারপর শখের বশে জড়ান সাংবাদিকতা পেশায়। শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতায় কিছুটা খবরাখবর লেখা ছিল তার নিয়মিত রুটিন। 

হঠাৎ করে তার কাছে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াল কিডনিসহ নানান রোগ। তাহের মিসবাহ হাজীগঞ্জের একটি প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক এবং দৈনিক চাঁদপুর দিগন্তে কর্মরত আছেন।

প্রায় দশ বছর আগে তার পায়ে চোট পাওয়ার পর পায়ের অপারেশন করতে হয়। সেই থেকে তার শরীরে নানারকম যন্ত্রণা শুরু হয়। পারিবারিক জীবনে ৫ কন্যাসন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তার সংসার। শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি প্রাইভেট পড়াতেন।

বর্তমানে তিনি জটিল চারটি রোগে আক্রান্ত হয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পায়ের রোগের পর হার্টস্ট্রোক করেন। পরানো হয় একটি রিং। তারপর ধরা পড়ে ডায়াবেটিস। এবার ধরা পড়ল তার একটি কিডনি বিকল। ধীরে ধীরে কিডনি ডেমেজ হয়ে পড়ছে। দেশের একাধিক হাসপাতালে গিয়েছেন, নিয়েছেন সাধ্যমতো চিকিৎসা।

তার চিকিৎসার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন হাজীগঞ্জ শাহরাস্তির সংসদ সদস্য মেজর অবসরপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে হাজীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের মাধ্যমে দিয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার টাকা। 

এছাড়াও তার চিকিৎসা ফান্ডে একটি রাজনৈতিক দল থেকেও করা হয়েছে ব্যাপক অর্থ সহযোগিতা। তার কর্মজীবনের শিক্ষক ও সাংবাদিক সহকর্মীরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন পাশে দাঁড়ানোর। 

বয়সের কাছে নতজানু না হলেও রোগের কাছে নতজানু হয়ে এখন বিছানায় কাতরাচ্ছেন তিনি। ৫ মেয়ের মধ্যে দুই মেয়েকে বিবাহ দিয়েছেন। তিন কন্যাসন্তান করছেন পড়াশোনা। বিছানায় শুয়ে শুয়ে কীভাবে সুস্থ হয়ে আবার কর্মজীবনে ফিরবেন। আবার কখনো কখনো ভাবেন কর্মজীবনে ফিরতে না পারলেও যেন বেঁচে থেকে সন্তানদের একটু ভালো দেখে যেতে পারেন।

শিক্ষক ও সাংবাদিক আবু তাহের মিসবাহ যুগান্তরকে বলেন, হয়তো এই প্রতিবেদনটি দেখে অনেকেই আমার পাশে দাঁড়াবেন বলে আমি প্রত্যাশা করি। সবার কাছে সুচিকিৎসা ও তার পরিবারের প্রতি সুদৃষ্টি রাখতে প্রয়োজন সবার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা।

সাহায্য পাঠাতে: আবু তাহের মিসবাহ, হিসাব নং- ৩৯৫৩, ইসলামী ব্যাংক, হাজীগঞ্জ শাখা, চাঁদপুর।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন