ছেলের পরকীয়ায় গণপিটুনি খেয়ে কারাগারে বাবা-মা 
jugantor
ছেলের পরকীয়ায় গণপিটুনি খেয়ে কারাগারে বাবা-মা 

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:১৬:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বখাটে ছেলের পরকীয়ার অপরাধে বাবা-মা ও ছোটবোনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী। বুধবার রাতে ফতুল্লার মুসলিমনগর নয়াবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- খাদেমুল ইসলাম (২০) তার বাবা আবেদুল ইসলাম (৪২), মা খাজিদা বেগম (৪০) ও ছোটবোন মুক্তা বেগম (১৯)।

মামলার বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, নয়াবাজার এলাকার মামুন নামে এক বাড়িওয়ালার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বখাটে খাদেমুল ইসলাম ও তার বাবা-মা এবং বোনসহ বোন জামাই। ৫-৬ বছর যাবত ওই বাড়িতে থাকায় বাড়িওয়ালার স্ত্রী সুচনা আক্তারের সঙ্গে খাদেমুল ইসলামের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে।

৩-৪ মাস আগে বাড়িওয়ালা বিষয়টি বুঝতে পেরে খাদেমুল এবং তার বাবা-মা ও বোনকে ঘর ছেড়ে দিতে বলেন। এতে তারা ওই বাড়ি ছেড়ে পাশের বাড়িতে ভাড়া নেয়।

ওসি আরও জানান, গত মঙ্গলবার রাতে বাড়িওয়ালা মামুনের স্ত্রী সুচনা তার আড়াই বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে বখাটে খাদেমুলের সঙ্গে পালিয়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে খাদেমুল ইসলামের বাবা-মা ও বোনকে জানায় মামুন। তখন তারা জেনেও অস্বীকার করে পরদিন বুধবার রাতে সবাই পালানোর চেষ্টা করে।

এ সময় এলাকাবাসী ঘটনা টের পেয়ে খাদেমুল ইসলামের বাবা-মা ও বোনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারা একেক সময় একেক কথা বলায় মারধর করেন।

এরপর এলাকাবাসী থানায় ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে খাদেমকে ফতুল্লার বক্তাবলী থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং সুচনা ও তার শিশুপুত্রকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বাড়িওয়ালা মামুন বাদী হয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ মামলায় তাদের চারজনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন।

ছেলের পরকীয়ায় গণপিটুনি খেয়ে কারাগারে বাবা-মা 

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বখাটে ছেলের পরকীয়ার অপরাধে বাবা-মা ও ছোটবোনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী। বুধবার রাতে ফতুল্লার মুসলিমনগর নয়াবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- খাদেমুল ইসলাম (২০) তার বাবা আবেদুল ইসলাম (৪২), মা খাজিদা বেগম (৪০) ও ছোটবোন মুক্তা বেগম (১৯)।

মামলার বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, নয়াবাজার এলাকার মামুন নামে এক বাড়িওয়ালার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বখাটে খাদেমুল ইসলাম ও তার বাবা-মা এবং বোনসহ বোন জামাই। ৫-৬ বছর যাবত ওই বাড়িতে থাকায় বাড়িওয়ালার স্ত্রী সুচনা আক্তারের সঙ্গে খাদেমুল ইসলামের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। 

৩-৪ মাস আগে বাড়িওয়ালা বিষয়টি বুঝতে পেরে খাদেমুল এবং তার বাবা-মা ও বোনকে ঘর ছেড়ে দিতে বলেন। এতে তারা ওই বাড়ি ছেড়ে পাশের বাড়িতে ভাড়া নেয়।

ওসি আরও জানান, গত মঙ্গলবার রাতে বাড়িওয়ালা মামুনের স্ত্রী সুচনা তার আড়াই বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে বখাটে খাদেমুলের সঙ্গে পালিয়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে খাদেমুল ইসলামের বাবা-মা ও বোনকে জানায় মামুন। তখন তারা জেনেও অস্বীকার করে পরদিন বুধবার রাতে সবাই পালানোর চেষ্টা করে। 

এ সময় এলাকাবাসী ঘটনা টের পেয়ে খাদেমুল ইসলামের বাবা-মা ও বোনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারা একেক সময় একেক কথা বলায় মারধর করেন। 

এরপর এলাকাবাসী থানায় ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে খাদেমকে ফতুল্লার বক্তাবলী থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং সুচনা ও তার শিশুপুত্রকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বাড়িওয়ালা মামুন বাদী হয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ মামলায় তাদের চারজনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন