‘সাংবাদিকদের ঐক্যের বিকল্প নাই’
jugantor
‘সাংবাদিকদের ঐক্যের বিকল্প নাই’

  নওগাঁ প্রতিনিধি  

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৪:৫১:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

‘সাংবাদিকদের ঐক্যের বিকল্প নাই। সাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ভুলে সবাইকে ভ্রাতৃত্ব মনোভাব নিয়ে বুকে টেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে’

শুক্রবার রাত ১০টায় নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবে অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নওগাঁর অনেক উন্নয়ন হয়েছে এবং হচ্ছে। গুটি কয়েক মিডিয়া ছাড়া উন্নয়নের কোনো সংবাদ তুলে ধরা হয় না। সাংবাদিকরা যারা কাজ করেন, তারা কাজ করতে আরও আগ্রহ দেখায়। তাদের মন আরও অগ্রসর হয় কাজ করার জন্য। কিন্তু দেখা যায় আমাদের পেছনে টেনে ধরে। মনে হয় যেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন ও সরকারে যারা থাকে তাদের সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি যুদ্ধ ঘোষণার মতো অবস্থায় থাকে। আমরা আপনাদের প্রতিদ্বন্দ্বী না। সর্বদা সহযোগিতা করতে সদা প্রস্তুত আছি। তবে সেটা হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে সংবাদ মাধ্যমগুলোকে অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর আগে সেটা ছিল না। সাংবাদিকরা যদি স্বাধীন ভাবে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে তাহলে সমাজের লোকেরা যারা অন্যায় করে, আমি মনে তারা অন্যায় থেকে দূরে থাকবে। তাদের দৃষ্টি সরিয়ে নেয়ার প্রয়াস পাবে।

প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার মনির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা হারুন অল রশীদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম ফজলে রাব্বী, নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার, নওগাঁ-৬ আসনের এমপি আনোয়ার হোসেন হেলাল, জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদ, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া, সাবেক এমপি শাহিন মনোয়ারা হকসহ অন্যরা।

এ সময় প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীরাসহ সমাজের সুশীল ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

‘সাংবাদিকদের ঐক্যের বিকল্প নাই’

 নওগাঁ প্রতিনিধি 
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৪:৫১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘সাংবাদিকদের ঐক্যের বিকল্প নাই। সাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ভুলে সবাইকে ভ্রাতৃত্ব মনোভাব নিয়ে বুকে টেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে’

শুক্রবার রাত ১০টায় নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবে অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নওগাঁর অনেক উন্নয়ন হয়েছে এবং হচ্ছে। গুটি কয়েক মিডিয়া ছাড়া উন্নয়নের কোনো সংবাদ তুলে ধরা হয় না। সাংবাদিকরা যারা কাজ করেন, তারা কাজ করতে আরও আগ্রহ দেখায়। তাদের মন আরও অগ্রসর হয় কাজ করার জন্য। কিন্তু দেখা যায় আমাদের পেছনে টেনে ধরে। মনে হয় যেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন ও সরকারে যারা থাকে তাদের সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি যুদ্ধ ঘোষণার মতো অবস্থায় থাকে। আমরা আপনাদের প্রতিদ্বন্দ্বী না। সর্বদা সহযোগিতা করতে সদা প্রস্তুত আছি। তবে সেটা হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে সংবাদ মাধ্যমগুলোকে অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর আগে সেটা ছিল না। সাংবাদিকরা যদি স্বাধীন ভাবে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে তাহলে সমাজের লোকেরা যারা অন্যায় করে, আমি মনে তারা অন্যায় থেকে দূরে থাকবে। তাদের দৃষ্টি সরিয়ে নেয়ার প্রয়াস পাবে।

প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার মনির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা হারুন অল রশীদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম ফজলে রাব্বী, নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার, নওগাঁ-৬ আসনের এমপি আনোয়ার হোসেন হেলাল, জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদ, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া, সাবেক এমপি শাহিন মনোয়ারা হকসহ অন্যরা।

এ সময় প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীরাসহ সমাজের সুশীল ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন