মোবাইল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে লাশ
jugantor
মোবাইল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে লাশ

  ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:৫২:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

মোবাইল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে লাশ

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির অপবাদে বিল্লাল হোসেন (২৪) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার মধ্যরাতে আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মোবাইল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যার পর তার মরদেহ গাছে ঝুলানো হয় বলে জানান স্বজনরা।

নিহত বিল্লাল হোসেন উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন।

স্থানীয়দের জানা যায়, উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের কাশিগঞ্জ বাজারে ধর্মীয় মাহফিল শুনতে যায় বিল্লাল হোসেন।
মাহফিল থেকে ফেরার পথে পূর্ব শত্রুতার জের তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

মৃত বিল্লাল হোসেনের চাচাতো ভাই মাতাব উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ভাইকে কে বা কারা হত্যা করে গাছের সঙ্গে মরদেহ রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছে।

নিহত বিল্লাল হোসেনের বাবা আবুল কাশেম জানান, পনের দিন আগে আব্দুল কাদের মুন্সির ছেলে রোমানের মোবাইল ফোন চুরি হয়।সে আমার ছেলেকে সন্দেহ করে। ওই শত্রুতার জের ধরে রোমান, ফরিদ, সাদিকুল, নাজমূল তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।

মৃত বিল্লাল হোসেনের বোন হাসিনা আক্তার বলেন, আমার ভাই সহজ সরল কারো সঙ্গে কোনো দিন ঝগড়া করে নাই। তাকে মোবাইল চুরির ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে একই এলাকার রোমান, ফরিদ, সাদিকুল, নাজমূল মিলে হত্যা করেছে।

ত্রিশাল থানা ওসি জানান, মৃত বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় চুরি, মাদক, নারী নির্যাতনের মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।

মোবাইল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে লাশ

 ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মোবাইল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে লাশ
ফাইল ছবি

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির অপবাদে বিল্লাল হোসেন (২৪) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার মধ্যরাতে আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মোবাইল চুরির অপবাদে যুবককে হত্যার পর তার মরদেহ গাছে ঝুলানো হয় বলে জানান স্বজনরা।

নিহত বিল্লাল হোসেন উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন।

স্থানীয়দের জানা যায়, উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের কাশিগঞ্জ বাজারে ধর্মীয় মাহফিল শুনতে যায় বিল্লাল হোসেন।
মাহফিল থেকে ফেরার পথে পূর্ব শত্রুতার জের তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

মৃত বিল্লাল হোসেনের চাচাতো ভাই মাতাব উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ভাইকে কে বা কারা হত্যা করে গাছের সঙ্গে মরদেহ রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছে।

নিহত বিল্লাল হোসেনের বাবা আবুল কাশেম জানান, পনের দিন আগে আব্দুল কাদের মুন্সির ছেলে রোমানের মোবাইল ফোন চুরি হয়।সে আমার ছেলেকে সন্দেহ করে। ওই শত্রুতার জের ধরে রোমান, ফরিদ, সাদিকুল, নাজমূল তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।

মৃত বিল্লাল হোসেনের বোন হাসিনা আক্তার বলেন, আমার ভাই সহজ সরল কারো সঙ্গে কোনো দিন ঝগড়া করে নাই। তাকে মোবাইল চুরির ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে একই এলাকার রোমান, ফরিদ, সাদিকুল, নাজমূল মিলে হত্যা করেছে।

ত্রিশাল থানা ওসি জানান, মৃত বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় চুরি, মাদক, নারী নির্যাতনের মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন