কোটালীপাড়ায় ১৩ দোকান পুড়ে ছাই
jugantor
কোটালীপাড়ায় ১৩ দোকান পুড়ে ছাই

  কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৩৩:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

আগুন

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় আগুনে ১৩ দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

শনিবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ঘাঘর বাজারের মহুয়ার মোড়ে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

কোটালীপাড়া ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন, শনিবার রাত দেড়টার দিকে সোহাগের হোটেল থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। দোকানঘরগুলো কাঠ ও টিনের হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

আগুনে ইব্রাহীমেরে ফার্নিচারের দোকান, বাবুল শেখের ওষুধের দোকান, বিপ্লব মোল্লার গ্যারেজ, কামরুলের হোটেল, জাহিদের হোটেল, মাহবুবের ওয়ার্কশপ, সোহাগের হোটেল, ওমরের ফার্নিচারের দোকান, হুমায়ুনের তেলের দোকান, রামকৃষ্ণের হোমিও ওষুধের দোকান, মোজাফ্ফরের ভ্যান গ্যারেজ, গনেশের মিষ্টির দোকান ও খোকন বসুর মিষ্টির দোকানসহ ১৩ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বিপ্লব মোল্লা বলেন, আমাদের এই ১৩ দোকান পুড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। অধিকাংশ ব্যবসায়ীই বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা করছেন। সরকার যদি ক্ষতিগ্রস্ত এসব ব্যবসায়ীকে সহযোগিতা না করে তা হলে তাদের পথে বসতে হবে।

কোটালীপাড়ায় ১৩ দোকান পুড়ে ছাই

 কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আগুন
ছবি: যুগান্তর

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় আগুনে ১৩ দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

শনিবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ঘাঘর বাজারের মহুয়ার মোড়ে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

কোটালীপাড়া ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন, শনিবার রাত দেড়টার দিকে সোহাগের হোটেল থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। দোকানঘরগুলো কাঠ ও টিনের হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

আগুনে ইব্রাহীমেরে ফার্নিচারের দোকান, বাবুল শেখের ওষুধের দোকান, বিপ্লব মোল্লার গ্যারেজ, কামরুলের হোটেল, জাহিদের হোটেল, মাহবুবের ওয়ার্কশপ, সোহাগের হোটেল, ওমরের ফার্নিচারের দোকান, হুমায়ুনের তেলের দোকান, রামকৃষ্ণের হোমিও ওষুধের দোকান, মোজাফ্ফরের ভ্যান গ্যারেজ, গনেশের মিষ্টির দোকান ও খোকন বসুর মিষ্টির দোকানসহ ১৩ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বিপ্লব মোল্লা বলেন, আমাদের এই ১৩ দোকান পুড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। অধিকাংশ ব্যবসায়ীই বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা করছেন। সরকার যদি ক্ষতিগ্রস্ত এসব ব্যবসায়ীকে সহযোগিতা না করে তা হলে তাদের পথে বসতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন