আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০
jugantor
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০

  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:৩৩:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১০-১২টি দোকান ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

রোববার সকালে উপজেলার মাগুরা বিনোদ ইউনিয়নের দীঘি সগুনা গ্রামে আফসার আলী গ্রুপ এবং ইদ্রিস আলী গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দীঘি সগুনা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ইদ্রিস ও আফসার গ্রুপের মধ্যে অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। ইতোপূর্বে তাদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এরই জের ধরে রোববার সকালে দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি গ্রামবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে কয়েকশ’ গ্রামবাসী দুই দলে বিভক্ত হয়ে লাঠিসোটা, রাম দা, হাঁসুয়া, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন এবং ১০-১২টি দোকান ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সিরাজগঞ্জ সদর, বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে তাড়াশ হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জামান আলী শোভন জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের সিরাজগঞ্জ সদর, বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আসিক বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। উভয়পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০

 সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৭:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১০-১২টি দোকান ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

রোববার সকালে উপজেলার মাগুরা বিনোদ ইউনিয়নের দীঘি সগুনা গ্রামে আফসার আলী গ্রুপ এবং ইদ্রিস আলী গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দীঘি সগুনা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ইদ্রিস ও আফসার গ্রুপের মধ্যে অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। ইতোপূর্বে তাদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এরই জের ধরে রোববার সকালে দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি গ্রামবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে কয়েকশ’ গ্রামবাসী দুই দলে বিভক্ত হয়ে লাঠিসোটা, রাম দা, হাঁসুয়া, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন এবং ১০-১২টি দোকান ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সিরাজগঞ্জ সদর, বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে তাড়াশ হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জামান আলী শোভন জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের সিরাজগঞ্জ সদর, বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আসিক বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। উভয়পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন