কবিরাজের কাছে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মা-মেয়ের লাশ ভুট্টাক্ষেতে
jugantor
কবিরাজের কাছে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মা-মেয়ের লাশ ভুট্টাক্ষেতে

  বগুড়া ব্যুরো  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:১৩:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে অসুস্থ শিশুকে ঝাড়ফুঁক দিতে কবিরাজের কাছে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ গৃহবধূ শেফালী বেগম (২৫) ও ছয় মাসের শিশু আয়েশা খাতুনকে হত্যা করা হয়েছে।

রোববার বিকালে উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের শংকরপুরে একটি ভুট্টাক্ষেতে তাদের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এলাকাবাসীর ধারণা- দুর্বৃত্তরা ওই নারীকে ধর্ষণের পর সন্তানসহ শ্বাসরোধে হত্যা করেছে।

সারিয়াকান্দি থানার ওসি মিজানুর রহমান ও বোহাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও স্বজনরা এ জোড়া খুনের কারণ নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।

সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় এ খবর পাঠানোর সময় সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারে ঘটনাস্থলে যাচ্ছিল।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, শেফালী বেগম উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের দুর্গম শংকরপুর চরের দিনমজুর আল আমিনের স্ত্রী। তাদের সন্তান আয়েশা খাতুন গত কয়েক দিন ধরে অসুস্থ। শেফালী বেগম তার সন্তানকে সুস্থ করতে ঝাড়ফুঁক দেওয়ার জন্য কবিরাজের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শনিবার বিকালে তিনি ধারাবর্ষা চরে সাত্তার মেম্বারের গুচ্ছগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। রাতে তিনি বাড়ি ফেরেননি। রোববার বিকাল ৩টার দিকে পথিমধ্যে শংকরপুর চরে রাস্তার পাশে একটি ভুট্টাক্ষেতে মা ও মেয়ের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

বোহাইল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার গোলাম মোস্তফা জানান, খবর পেয়ে তিনি শংকরপুর চরের ওই ভুট্টাক্ষেতে গিয়েছিলেন। তার ধারণা- দুর্বৃত্তরা মা ও মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ফেলে গেছে। হত্যার আগে গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা সে প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারেননি।

তবে চরবাসীর ধারণা, হত্যার আগে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

সারিয়াকান্দি থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, উপজেলা সদর থেকে প্রায় তিন ঘণ্টার পথ দুর্গম ওই চরে ফোর্স পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা তা জানা যাবে।

কবিরাজের কাছে যাওয়ার পথে নিখোঁজ মা-মেয়ের লাশ ভুট্টাক্ষেতে

 বগুড়া ব্যুরো 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে অসুস্থ শিশুকে ঝাড়ফুঁক দিতে কবিরাজের কাছে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ গৃহবধূ শেফালী বেগম (২৫) ও ছয় মাসের শিশু আয়েশা খাতুনকে হত্যা করা হয়েছে।

রোববার বিকালে উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের শংকরপুরে একটি ভুট্টাক্ষেতে তাদের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এলাকাবাসীর ধারণা- দুর্বৃত্তরা ওই নারীকে ধর্ষণের পর সন্তানসহ শ্বাসরোধে হত্যা করেছে।

সারিয়াকান্দি থানার ওসি মিজানুর রহমান ও বোহাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও স্বজনরা এ জোড়া খুনের কারণ নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।

সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় এ খবর পাঠানোর সময় সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারে ঘটনাস্থলে যাচ্ছিল।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, শেফালী বেগম উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের দুর্গম শংকরপুর চরের দিনমজুর আল আমিনের স্ত্রী। তাদের সন্তান আয়েশা খাতুন গত কয়েক দিন ধরে অসুস্থ। শেফালী বেগম তার সন্তানকে সুস্থ করতে ঝাড়ফুঁক দেওয়ার জন্য কবিরাজের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শনিবার বিকালে তিনি ধারাবর্ষা চরে সাত্তার মেম্বারের গুচ্ছগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। রাতে তিনি বাড়ি ফেরেননি। রোববার বিকাল ৩টার দিকে পথিমধ্যে শংকরপুর চরে রাস্তার পাশে একটি ভুট্টাক্ষেতে মা ও মেয়ের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

বোহাইল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার গোলাম মোস্তফা জানান, খবর পেয়ে তিনি শংকরপুর চরের ওই ভুট্টাক্ষেতে গিয়েছিলেন। তার ধারণা- দুর্বৃত্তরা মা ও মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ফেলে গেছে। হত্যার আগে গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা সে প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারেননি।

তবে চরবাসীর ধারণা, হত্যার আগে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

সারিয়াকান্দি থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, উপজেলা সদর থেকে প্রায় তিন ঘণ্টার পথ দুর্গম ওই চরে ফোর্স পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা তা জানা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন