মুজাক্কির হত্যা-হরতাল-আগুন নিয়ে তদন্তের আহ্বান
jugantor
মুজাক্কির হত্যা-হরতাল-আগুন নিয়ে তদন্তের আহ্বান

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:০০:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মুজাক্কির হত্যা, হরতাল ও আগুনের বিষয়ে প্রশাসনকে তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার বিকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউল হক মীরের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরনবী চৌধুরী, কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রবিউল হক, চরকাঁকড়া ইউপি চেয়ারম্যান হাজী সফিউল্যাহ প্রমুখ।

এ সভায় ৮ ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে ৬ জন অনুপস্থিত থাকায় সভায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা করেছেন বক্তারা।

সভায় বক্তারা শান্তিপূর্ণ কোম্পানীগঞ্জে কেন হঠাৎ হরতালের মতো কর্মসূচি দিয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা হয়েছে, উপজেলার সব রাস্তায় অবরোধ, অগ্নিসংযোগ, নিরীহ লোকজনকে মারধর করে জনাতঙ্ক ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে- তা প্রশাসনকে খতিয়ে দেখার জন্য বলা হয়।

সভায় বলা হয়, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে কটূক্তি করে অশোভন বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করেছে, যার কারণে পরবর্তীতে চাপরাশিরহাটে গোলাগুলিতে সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে, তা প্রশাসনকে তদন্ত করে দেখতে হবে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্রমান্বয়ে এখানকার পরিস্থিতি অশান্তির দিকে এগোচ্ছে। এতে বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ বেধে খুন-খারাবির ঘটনাও ঘটতে পারে বলে সভায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সভায় বক্তারা কোম্পানীগঞ্জে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সব পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে শান্তি স্থিতিশীলতাপূর্ণ কোম্পানীগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, প্রত্যেকটি ঘটনাপ্রবাহ, সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যাকাণ্ড পূর্ব ও পরবর্তী সব ঘটনা প্রশাসনের নজরে আছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে; প্রত্যেকটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

মুজাক্কির হত্যা-হরতাল-আগুন নিয়ে তদন্তের আহ্বান

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মুজাক্কির হত্যা, হরতাল ও আগুনের বিষয়ে প্রশাসনকে তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার বিকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউল হক মীরের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 
এতে বক্তব্য রাখেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরনবী চৌধুরী, কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রবিউল হক, চরকাঁকড়া ইউপি চেয়ারম্যান হাজী সফিউল্যাহ প্রমুখ।

এ সভায় ৮ ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে ৬ জন অনুপস্থিত থাকায় সভায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা করেছেন বক্তারা।

সভায় বক্তারা শান্তিপূর্ণ কোম্পানীগঞ্জে কেন হঠাৎ হরতালের মতো কর্মসূচি দিয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা হয়েছে, উপজেলার সব রাস্তায় অবরোধ, অগ্নিসংযোগ, নিরীহ লোকজনকে মারধর করে জনাতঙ্ক ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে- তা প্রশাসনকে খতিয়ে দেখার জন্য বলা হয়।

সভায় বলা হয়, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে কটূক্তি করে অশোভন বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করেছে, যার কারণে পরবর্তীতে চাপরাশিরহাটে গোলাগুলিতে সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে, তা প্রশাসনকে তদন্ত করে দেখতে হবে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্রমান্বয়ে এখানকার পরিস্থিতি অশান্তির দিকে এগোচ্ছে। এতে বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ বেধে খুন-খারাবির ঘটনাও ঘটতে পারে বলে সভায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সভায় বক্তারা কোম্পানীগঞ্জে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সব পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে শান্তি স্থিতিশীলতাপূর্ণ কোম্পানীগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, প্রত্যেকটি ঘটনাপ্রবাহ, সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যাকাণ্ড পূর্ব ও পরবর্তী সব ঘটনা প্রশাসনের নজরে আছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে; প্রত্যেকটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন