রোগীর জরায়ুতে রাখা গজ বের করা হলো ছয় মাস পর
jugantor
রোগীর জরায়ুতে রাখা গজ বের করা হলো ছয় মাস পর

  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি  

০১ মার্চ ২০২১, ২২:১১:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রোগীর জরায়ুতে রাখা গজ বের করা হলো ছয় মাস পর

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় এক নারীর জরায়ুতে অপারেশনের পর সার্জিক্যাল মব (গজ) ভেতরে রেখেই সেলাই করা হয়। রোগীর অবস্থা খারাপের দিকে গেলে ছয় মাস পর অপারেশন করে সেই গজ বের করা হয়।।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় মাহেলা খাতুন এক নারীর জরায়ুতে অপারেশনের পর সার্জিক্যাল মব (গজ) ভেতরে রেখেই সেলাই করেন ডা. মো. মিরাজ খান। স্থানীয় বেঙ্গল কমিউনিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ও উল্লাপাড়া ডায়াবেটিস সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পর রোগীর অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে থাকলে প্রায় ছয় মাস পর সিরাজগঞ্জ শহরের কমিউনিটি হাসপাতালে পুনরায় অপারেশন করে সার্জিক্যাল মবটি বের করেন ডা. আব্দুল লতিফ।

মাহেলা উল্লাপাড়া উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের কৈবর্ত্তগাঁতী গ্রামের আলাউদ্দিন প্রামাণিকের স্ত্রী। ভুক্তভোগী নারীর স্বজনরা ভুল চিকিৎসার ক্ষতিপূরণসহ ডা. মিরাজ খানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

রোগীর স্বজনরা জানান, ডা. মিরাজ খানের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট মাহেলার জরায়ুতে অপারেশন করা হয়। ৩১ আগস্ট রোগীকে রিলিজ দেওয়া হয়। কয়েকদিনের মধ্যে রোগীর অপারেশনের জায়গায় ব্যথা শুরু হয়।

চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি অপারেশন করে প্রায় পচে যাওয়া বড় আকারের সার্জিক্যাল মবটি বের করেন ডা. আব্দুল লতিফ।

তিনি জানান, রোগীর জরায়ু অপারেশনের পর সার্জিক্যাল মব ভেতরে রেখেই সেলাই করা হয়েছিল। এ কারণে নাড়িতে পচন ধরে। প্রায় তিন ফুট নাড়ি কেটে ফেলা হয়েছে। রোগীর অবস্থা অনেকটাই সংকটাপন্ন। আরও ২-৩ দিন না গেলে কিছু বলা যাবে না।

চিকিৎসক মিরাজ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অনেক সময় অপারেশনের পর প্যাক দেওয়া থাকে। পরবর্তী সময়ে সে প্যাক বের করতে হয়। এরপর রোগী আর যোগাযোগ করেননি। ছয় মাস পর এমন অভিযোগ করা ঠিক নয়।

রোগীর জরায়ুতে রাখা গজ বের করা হলো ছয় মাস পর

 সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
০১ মার্চ ২০২১, ১০:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রোগীর জরায়ুতে রাখা গজ বের করা হলো ছয় মাস পর
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহেলা খাতুন

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় এক নারীর জরায়ুতে অপারেশনের পর সার্জিক্যাল মব (গজ) ভেতরে রেখেই সেলাই করা হয়। রোগীর অবস্থা খারাপের দিকে গেলে ছয় মাস পর অপারেশন করে সেই গজ বের করা হয়।।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় মাহেলা খাতুন এক নারীর জরায়ুতে অপারেশনের পর সার্জিক্যাল মব (গজ) ভেতরে রেখেই সেলাই করেন ডা. মো. মিরাজ খান। স্থানীয় বেঙ্গল কমিউনিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ও উল্লাপাড়া ডায়াবেটিস সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পর রোগীর অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে থাকলে প্রায় ছয় মাস পর সিরাজগঞ্জ শহরের কমিউনিটি হাসপাতালে পুনরায় অপারেশন করে সার্জিক্যাল মবটি বের করেন ডা. আব্দুল লতিফ।

মাহেলা উল্লাপাড়া উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের কৈবর্ত্তগাঁতী গ্রামের আলাউদ্দিন প্রামাণিকের স্ত্রী। ভুক্তভোগী নারীর স্বজনরা ভুল চিকিৎসার ক্ষতিপূরণসহ ডা. মিরাজ খানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

রোগীর স্বজনরা জানান, ডা. মিরাজ খানের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট মাহেলার জরায়ুতে অপারেশন করা হয়। ৩১ আগস্ট রোগীকে রিলিজ দেওয়া হয়। কয়েকদিনের মধ্যে রোগীর অপারেশনের জায়গায় ব্যথা শুরু হয়।

চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি অপারেশন করে প্রায় পচে যাওয়া বড় আকারের সার্জিক্যাল মবটি বের করেন ডা. আব্দুল লতিফ।

তিনি জানান, রোগীর জরায়ু অপারেশনের পর সার্জিক্যাল মব ভেতরে রেখেই সেলাই করা হয়েছিল। এ কারণে নাড়িতে পচন ধরে। প্রায় তিন ফুট নাড়ি কেটে ফেলা হয়েছে। রোগীর অবস্থা অনেকটাই সংকটাপন্ন। আরও ২-৩ দিন না গেলে কিছু বলা যাবে না।

চিকিৎসক মিরাজ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অনেক সময় অপারেশনের পর প্যাক দেওয়া থাকে। পরবর্তী সময়ে সে প্যাক বের করতে হয়। এরপর রোগী আর যোগাযোগ করেননি। ছয় মাস পর এমন অভিযোগ করা ঠিক নয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন