তিন মাস পর ব্যবসায়ীর মাথা উদ্ধার
jugantor
তিন মাস পর ব্যবসায়ীর মাথা উদ্ধার

  যুগান্তর প্রতিবেদন, সোনারগাঁও  

০১ মার্চ ২০২১, ২৩:০৪:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের কলতাপাড়া মীরেরটেক এলাকায় মো. বিল্লাল হোসেন নামের এক পঞ্চাশোর্ধ ব্যবসায়ীকে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এসময় দুর্বৃত্তরা ওই মুদি দোকানদারের বিচ্ছিন্ন হওয়া মাথা নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার তিন মাস পর সোমবার বিকালে বিচ্ছিন্ন হওয়া ওই মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। উপজেলার এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের মিরেরটেক এলাকায় একটি মাছের ঘের থেকে মাছ ধরার সময় বাজারের ব্যাগে এ মাথাটি উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের তিন মাসেও কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।

নিহত বিল্লাল হোসেন কলতাপাড়া মীরেরটেক গ্রামের মৃত রেহাজউদ্দিনের ছেলে।

বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধারের পর তালতলা ফাঁড়ি পুলিশ পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রোববার রাতে শিরশ্ছেদ করে হত্যার পর তার মাথা নিয়ে যায় খুনিরা। পরদিন বাড়ির পাশের জঙ্গলে লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্রাইম সিনের সদস্যদের সহযোগিতায় লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করে।

নিহতের চাচাতো ভাই লোকমান হোসেনের বরাত দিয়ে তালতলা ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ আহসানউল্লাহ জানান, ২০২০ সালে ৬ ডিসেম্বর রোববার রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্য রওনা হলেও তিনি বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন মোবাইল ফোনে কল দিলেও ফোন রিসিভ করেননি। পরদিন সকালে বাড়ির পেছনের জঙ্গলে তার ছেলে ফয়সাল হোসেন তার বাবার দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে ক্রাইম সিনের সদস্যদের সহযোগিতায় লাশ উদ্ধার উদ্ধার করা হয়।

তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক আহসানউল্লাহ জানান, মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করছেন। বিচ্ছিন্ন হওয়া মাথা উদ্ধারের পর পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিন মাস পর ব্যবসায়ীর মাথা উদ্ধার

 যুগান্তর প্রতিবেদন, সোনারগাঁও 
০১ মার্চ ২০২১, ১১:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের কলতাপাড়া মীরেরটেক এলাকায় মো. বিল্লাল হোসেন নামের এক পঞ্চাশোর্ধ ব্যবসায়ীকে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এসময় দুর্বৃত্তরা ওই মুদি দোকানদারের বিচ্ছিন্ন হওয়া মাথা নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার তিন মাস পর সোমবার বিকালে বিচ্ছিন্ন হওয়া ওই মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। উপজেলার এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের মিরেরটেক এলাকায় একটি মাছের ঘের থেকে মাছ ধরার সময় বাজারের ব্যাগে এ মাথাটি উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের তিন মাসেও কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।

নিহত বিল্লাল হোসেন কলতাপাড়া মীরেরটেক গ্রামের মৃত রেহাজউদ্দিনের ছেলে।

বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধারের পর তালতলা ফাঁড়ি পুলিশ পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রোববার রাতে শিরশ্ছেদ করে হত্যার পর তার মাথা নিয়ে যায় খুনিরা। পরদিন বাড়ির পাশের জঙ্গলে লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্রাইম সিনের সদস্যদের সহযোগিতায় লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করে।

নিহতের চাচাতো ভাই লোকমান হোসেনের বরাত দিয়ে তালতলা ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ আহসানউল্লাহ জানান, ২০২০ সালে ৬ ডিসেম্বর রোববার রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্য রওনা হলেও তিনি বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন মোবাইল ফোনে কল দিলেও ফোন রিসিভ করেননি। পরদিন সকালে বাড়ির পেছনের জঙ্গলে তার ছেলে ফয়সাল হোসেন তার বাবার দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে ক্রাইম সিনের সদস্যদের সহযোগিতায় লাশ উদ্ধার উদ্ধার করা হয়।

তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক আহসানউল্লাহ জানান, মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করছেন। বিচ্ছিন্ন হওয়া মাথা উদ্ধারের পর পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন