প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ, ১২ বছরের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা
jugantor
প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ, ১২ বছরের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা

  নবীনগর (ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি  

০২ মার্চ ২০২১, ২২:১০:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রা‏হ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক নাবালিকাকে অন্তঃসত্ত্বা করে অবৈধ গর্ভপাত করিয়ে পালিয়ে যায় বখাটে যুবক মো. রনি মিয়া (১৯)। পরে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং এলাকার এক কিশোরীকে (১২) প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে একই এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে মো. রনি মিয়া। পর্যায়ক্রমে ধর্ষণের ফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় রনি ও তার পরিবারের লোকজন গোপনে নাবালিকাকে ভুল বুঝিয়ে নবীনগর মুক্তি হাসপাতালে এনে অবৈধ গর্ভপাত করান। পরে ঘটনা জানতে পেরে নাবালিকার পিতা আক্তার হোসেন ৫ জনকে আসামি করে নবীনগর থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন।

মঙ্গলবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনির হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ভিকটিমকে আজকে মেডিকেল চেকআপের জন্য সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিভাবকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার মূল আসামি রনিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী নাবালিকার পিতা আক্তার হোসেন পেশায় একজন জেলে। জেলে পেশার কারণে প্রায়ই রাতে তিনি বাড়িতে থাকতেন না। ওই সুযোগে পার্শ্ববর্তী মো. বাবুল মিয়ার ছেলে মো. রনি মিয়া তার নাবালিকা মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে।

গর্ভপাতের বিষয়ে জানতে মুক্তি প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক মো. হাবিব জানান, আমার প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অবৈধ কাজ করা হয় না। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে এ ষড়যন্ত্র করতে পারে বলে আমার ধারণা।

এ বিষয়ে নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রুহুল আমিন জানান, বিষয়টি অতি গোপনীয়তার সঙ্গে তদন্ত করে মূল আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ভিকটিমকে মেডিকেল টেস্টের জন্য বুধবার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে।

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ, ১২ বছরের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা

 নবীনগর (ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 
০২ মার্চ ২০২১, ১০:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রা‏হ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক নাবালিকাকে অন্তঃসত্ত্বা করে অবৈধ গর্ভপাত করিয়ে পালিয়ে যায় বখাটে যুবক মো. রনি মিয়া (১৯)। পরে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং এলাকার এক কিশোরীকে (১২) প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে একই এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে মো. রনি মিয়া। পর্যায়ক্রমে ধর্ষণের ফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় রনি ও তার পরিবারের লোকজন গোপনে নাবালিকাকে ভুল বুঝিয়ে নবীনগর মুক্তি হাসপাতালে এনে অবৈধ গর্ভপাত করান। পরে ঘটনা জানতে পেরে নাবালিকার পিতা আক্তার হোসেন ৫ জনকে আসামি করে নবীনগর থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন।

মঙ্গলবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনির হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ভিকটিমকে আজকে মেডিকেল চেকআপের জন্য সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিভাবকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার মূল আসামি রনিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী নাবালিকার পিতা আক্তার হোসেন পেশায় একজন জেলে। জেলে পেশার কারণে প্রায়ই রাতে তিনি বাড়িতে থাকতেন না। ওই সুযোগে পার্শ্ববর্তী মো. বাবুল মিয়ার ছেলে মো. রনি মিয়া তার নাবালিকা মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে।

গর্ভপাতের বিষয়ে জানতে মুক্তি প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক মো. হাবিব জানান, আমার প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অবৈধ কাজ করা হয় না। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে এ ষড়যন্ত্র করতে পারে বলে আমার ধারণা।

এ বিষয়ে নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রুহুল আমিন জানান, বিষয়টি অতি গোপনীয়তার সঙ্গে তদন্ত করে মূল আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ভিকটিমকে মেডিকেল টেস্টের জন্য বুধবার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন