দাফনের ১৭ বছর পরেও কবরে অক্ষত দুই লাশ!
jugantor
দাফনের ১৭ বছর পরেও কবরে অক্ষত দুই লাশ!

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা  

০২ মার্চ ২০২১, ২২:৪৩:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নে রাস্তা বর্ধিতকরণের সময় ১৭ বছর আগের দাফন করা দুইটি লাশ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য মানুষ এক নজর ওই লাশ দেখতে ভিড় করেন।

মঙ্গলবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গুপ্তমুন্সি গ্রামের ভোলা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের রাস্তা বর্ধিত করার কাজের জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে এ লাশ দুইটি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে লাশ দুইটি ওই এলাকার পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় পুনরায় দাফন করা হয়।

ইলিশা ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোরশেদা বেগমের স্বামী আমজাদ হোসেন বাবুল জানান, প্রায় ১৭ বছর আগে গুপ্তমুন্সি গ্রামের কাঞ্চন চৌকিদার মারা যান। পরে তাদের কবরের জায়গা না থাকায় বাড়ির দরজায় রাস্তার পাশে তাকে দাফন করা হয়। তিনি ইলিশা বাজারে ব্যবসা করতেন এবং নিয়মিত নামাজ-রোজা করতেন।

পরে কাচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা তার বেয়াই হোসেন আলী সিকদার প্রায় ১৪ বছর আগে মারা গেলে তাকেও কাঞ্চন চৌকিদারের পাশে দাফন করা হয়।

আমজাদ হোসেন বাবুল জানান, ভোলা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক বর্ধিত করার কাজ করতে কবর সরানোর প্রয়োজন হলে তাদের পরিবারকে কবর সরাতে বললে তারা মঙ্গলবার সকালে কবর খুঁড়ে। দুইজনের লাশ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। এমনকি তাদের কাফনের কাপড়েও কোনো দাগ পড়েনি। পরে তাদের পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় দাফন করা হয়।

দাফনের ১৭ বছর পরেও কবরে অক্ষত দুই লাশ!

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা 
০২ মার্চ ২০২১, ১০:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নে রাস্তা বর্ধিতকরণের সময় ১৭ বছর আগের দাফন করা দুইটি লাশ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য মানুষ এক নজর ওই লাশ দেখতে ভিড় করেন।

মঙ্গলবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গুপ্তমুন্সি গ্রামের ভোলা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের রাস্তা বর্ধিত করার কাজের জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে এ লাশ দুইটি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে লাশ দুইটি ওই এলাকার পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় পুনরায় দাফন করা হয়।

ইলিশা ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোরশেদা বেগমের স্বামী আমজাদ হোসেন বাবুল জানান, প্রায় ১৭ বছর আগে গুপ্তমুন্সি গ্রামের কাঞ্চন চৌকিদার মারা যান। পরে তাদের কবরের জায়গা না থাকায় বাড়ির দরজায় রাস্তার পাশে তাকে দাফন করা হয়। তিনি ইলিশা বাজারে ব্যবসা করতেন এবং নিয়মিত নামাজ-রোজা করতেন।

পরে কাচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা তার বেয়াই হোসেন আলী সিকদার প্রায় ১৪ বছর আগে মারা গেলে তাকেও কাঞ্চন চৌকিদারের পাশে দাফন করা হয়।

আমজাদ হোসেন বাবুল জানান, ভোলা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক বর্ধিত করার কাজ করতে কবর সরানোর প্রয়োজন হলে তাদের পরিবারকে কবর সরাতে বললে তারা মঙ্গলবার সকালে কবর খুঁড়ে। দুইজনের লাশ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। এমনকি তাদের কাফনের কাপড়েও কোনো দাগ পড়েনি। পরে তাদের পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় দাফন করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন