ভূমি অধিগ্রহণের টাকায় দুর্নীতি, আইনজীবীসহ আটক ২
jugantor
ভূমি অধিগ্রহণের টাকায় দুর্নীতি, আইনজীবীসহ আটক ২

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

০৩ মার্চ ২০২১, ১৩:০০:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আটক

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমি অধিগ্রহণের অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিভিন্ন জমির মালিক থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আটকরা হলো- শহরের সৈকতপাড়া এলাকার সিআইপি ইদ্রিস এবং অ্যাডভোকেট নুরুল হক।

মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। সন্ধ্যায় আটকদের কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র জানায়, কক্সবাজারে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণে সাধারণ জমির মালিকদের কাছ থেকে একটি বড় অংশ কমিশন হিসাবে আত্মসাৎ করে আসছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সার্ভেয়ার পর্যন্ত।

পরে ২০২০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি র‌্যাবের অভিযানে প্রায় ৯৭ লাখ টাকাসহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সার্ভেয়ার ওয়াসিমকে আটক করে। সেই সময় সার্ভেয়ার ফেরদৌস এবং ফরিদের বাসায় অভিযান চালালেও তাদের আটক করা যায়নি।

পরে সেই মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় দুদক। বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধানে কক্সবাজার এলএ শাখা থেকে কমিশনবাণিজ্য এবং বিপুল পরিমাণ অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসে। তারই অংশ হিসাবে এলএ শাখার শীর্ষ দালাল সালাউদ্দিনকেও আটক করেছিল দুদক (বর্তমানে জামিনে আছে)। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আরও বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসে।

এর অংশ হিসাবে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা থেকে নামে-বেনামে প্রায় ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করে শহরের সৈকতপাড়ার সিআইপি ইদ্রিস এবং অ্যাডভোকেট নুরুল হক।

পরে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২ মার্চ দুদক কর্তৃক তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানান দুদকের সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন। সন্ধ্যায় আটকদের কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ভূমি অধিগ্রহণের টাকায় দুর্নীতি, আইনজীবীসহ আটক ২

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
০৩ মার্চ ২০২১, ০১:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আটক
ফাইল ছবি

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমি অধিগ্রহণের অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিভিন্ন জমির মালিক থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আটকরা হলো- শহরের সৈকতপাড়া এলাকার সিআইপি ইদ্রিস এবং অ্যাডভোকেট নুরুল হক।

মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। সন্ধ্যায় আটকদের কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র জানায়, কক্সবাজারে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণে সাধারণ জমির মালিকদের কাছ থেকে একটি বড় অংশ কমিশন হিসাবে আত্মসাৎ করে আসছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সার্ভেয়ার পর্যন্ত।

পরে ২০২০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি র‌্যাবের অভিযানে প্রায় ৯৭ লাখ টাকাসহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সার্ভেয়ার ওয়াসিমকে আটক করে। সেই সময় সার্ভেয়ার ফেরদৌস এবং ফরিদের বাসায় অভিযান চালালেও তাদের আটক করা যায়নি।

পরে সেই মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় দুদক। বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধানে কক্সবাজার এলএ শাখা থেকে কমিশনবাণিজ্য এবং বিপুল পরিমাণ অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসে। তারই অংশ হিসাবে এলএ শাখার শীর্ষ দালাল সালাউদ্দিনকেও আটক করেছিল দুদক (বর্তমানে জামিনে আছে)। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আরও বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসে।

এর অংশ হিসাবে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা থেকে নামে-বেনামে প্রায় ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করে শহরের সৈকতপাড়ার সিআইপি ইদ্রিস এবং অ্যাডভোকেট নুরুল হক।

পরে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২ মার্চ দুদক কর্তৃক তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানান দুদকের সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন। সন্ধ্যায় আটকদের কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন