ইমামের উস্কানিমূলক বক্তব্য নিয়ে বন্দরে উত্তেজনা
jugantor
ইমামের উস্কানিমূলক বক্তব্য নিয়ে বন্দরে উত্তেজনা

  বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

০৩ মার্চ ২০২১, ২০:৫৭:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

মনগড়া এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরের ঐতিহ্যবাহী সোনাকান্দা কেল্লা জামে মসজিদের ইমামকে নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এ অবস্থায় ইমামকে উকিল নোটিশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছেন মসজিদ কমিটি।

এলাকাবাসী ও মুসল্লিরা জানান, সোনাকান্দা কেল্লা জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইফুল্লাহ কোরআন হাদিসের নামে মনগড়া বক্তব্য দেন। তার বয়ানে মতপার্থক্যের সৃষ্টি হয় মসজিদ কমিটির মধ্যে। দায়িত্বরত কমিটি বর্তমান ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইফুল্লাহকে গত ২৯ জানুয়ারি মৌখিকভাবে সতর্ক করেন।

এরপরও তিনি তার কর্মকাণ্ড থেকে সরে না আসায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি লিখিতভাবে ইমামকে মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। কিন্তু স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় তিনি মসজিদে এখনো অবস্থান করায় এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বন্দরের সোনাকান্দা সরদারবাড়ী এলাকার মৃত আহামদ মিয়ার ছেলে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. এবাদুল্লাহর পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. ফরহাদ মিয়া গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইফুল্লাহকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন।

তবে উকিল নোটিশের বিষয়টি অস্বীকার করে সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. এবাদুল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। কে বা কারা আমার নাম করে দিয়েছে, তা আমি জানি না। তবে উকিল নোটিশ আমি পাঠাইনি।

উকিল নোটিশে উল্লেখ করা হয়- নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে মসজিদ থেকে চলে যাবেন। ইহাতে ব্যর্থ হলে আপনাকে নিয়ে পরিস্থিতির অবনতি হলে তার সমস্ত দায়িত্ব আপনাকেই বহন করতে হবে। স্থানীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা অবনতির কারণে আপনার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাসহ দেশে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপরদিকে, সোনাকান্দা কেল্লা জামে মসজিদের হাফেজ মাওলা মুফতি সাইফুল্লাহকে অব্যাহতি চেয়ে এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছেন মসজিদের উন্নয়ন কমিটি ও ওলামা পরিষদ।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) তারিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইফুল্লাহ জানান, তিনি কোরআন হাদিসের আলোকেই বক্তব্য দেন। মসজিদ কমিটির কিছু স্বার্থান্বেষী লোক তাকে পছন্দ করেন না। এ জন্য তারা এসব ছড়াচ্ছেন।

ইমামের উস্কানিমূলক বক্তব্য নিয়ে বন্দরে উত্তেজনা

 বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  
০৩ মার্চ ২০২১, ০৮:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মনগড়া এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরের ঐতিহ্যবাহী সোনাকান্দা কেল্লা জামে মসজিদের ইমামকে নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এ অবস্থায় ইমামকে উকিল নোটিশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছেন মসজিদ কমিটি।

এলাকাবাসী ও মুসল্লিরা জানান, সোনাকান্দা কেল্লা জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইফুল্লাহ কোরআন হাদিসের নামে মনগড়া বক্তব্য দেন। তার বয়ানে মতপার্থক্যের সৃষ্টি হয় মসজিদ কমিটির মধ্যে। দায়িত্বরত কমিটি বর্তমান ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইফুল্লাহকে গত ২৯ জানুয়ারি মৌখিকভাবে সতর্ক করেন।

এরপরও তিনি তার কর্মকাণ্ড থেকে সরে না আসায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি লিখিতভাবে ইমামকে মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। কিন্তু স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় তিনি মসজিদে এখনো অবস্থান করায় এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

এর পরিপ্রেক্ষিতে বন্দরের সোনাকান্দা সরদারবাড়ী এলাকার মৃত আহামদ মিয়ার ছেলে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. এবাদুল্লাহর পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. ফরহাদ মিয়া গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইফুল্লাহকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। 

তবে উকিল নোটিশের বিষয়টি অস্বীকার করে সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. এবাদুল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। কে বা কারা আমার নাম করে দিয়েছে, তা আমি জানি না। তবে উকিল নোটিশ আমি পাঠাইনি।

উকিল নোটিশে উল্লেখ করা হয়- নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে মসজিদ থেকে চলে যাবেন। ইহাতে ব্যর্থ হলে আপনাকে নিয়ে পরিস্থিতির অবনতি হলে তার সমস্ত দায়িত্ব আপনাকেই বহন করতে হবে। স্থানীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা অবনতির কারণে আপনার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাসহ দেশে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

অপরদিকে, সোনাকান্দা কেল্লা জামে মসজিদের হাফেজ মাওলা মুফতি সাইফুল্লাহকে অব্যাহতি চেয়ে এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছেন মসজিদের উন্নয়ন কমিটি ও ওলামা পরিষদ।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) তারিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইফুল্লাহ জানান, তিনি কোরআন হাদিসের আলোকেই বক্তব্য দেন। মসজিদ কমিটির কিছু স্বার্থান্বেষী লোক তাকে পছন্দ করেন না। এ জন্য তারা এসব ছড়াচ্ছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন