কামড়ে দেবরের মাংস তুলে নিলেন ভাবি
jugantor
কামড়ে দেবরের মাংস তুলে নিলেন ভাবি

  দশমিনা দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

০৪ মার্চ ২০২১, ১৭:৫২:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর দশমিনায় মো. সজিব হোসেন (২৪) নামে এক দেবরকে কামড়ে হাতের মাংস তুলে নিয়েছেন ভাবি। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভাবির কামড়ের শিকার যুবক ওই গ্রামের হাসেম চৌকিদারের ছেলে। স্বজনরা আহত দেবরকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

আহত সজিব যুগান্তরকে জানান, উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রামে তার বাড়ি। ঘটনার দিন সকালে তার মা লালবিবি চাচি আনোরার সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন। সেখানে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। পরে তার সেজো ভাই আলমগীর চৌকিদারের স্ত্রী নারগিস আক্তার বাজার থেকে ফিরে তাদের একসঙ্গে দেখে মনে করেন তারা তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছেন।

তিনি জানান, এ ঘটনার জের ধরে ভাবি নারগিস আক্তারের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ভাবি তার বাম হাতে তিনটি কামড় দিয়ে মাংস তুলে নেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

দশমিনা থানার ওসি মো. জসিম যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।

কামড়ে দেবরের মাংস তুলে নিলেন ভাবি

 দশমিনা দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
০৪ মার্চ ২০২১, ০৫:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর দশমিনায় মো. সজিব হোসেন (২৪) নামে এক দেবরকে কামড়ে হাতের মাংস তুলে নিয়েছেন ভাবি। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভাবির কামড়ের শিকার যুবক ওই গ্রামের হাসেম চৌকিদারের ছেলে। স্বজনরা আহত দেবরকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

আহত সজিব যুগান্তরকে জানান, উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রামে তার বাড়ি। ঘটনার দিন সকালে তার মা লালবিবি চাচি আনোরার সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন। সেখানে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। পরে তার সেজো ভাই আলমগীর চৌকিদারের স্ত্রী নারগিস আক্তার বাজার থেকে ফিরে তাদের একসঙ্গে দেখে মনে করেন তারা তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছেন।

তিনি জানান, এ ঘটনার জের ধরে ভাবি নারগিস আক্তারের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ভাবি তার বাম হাতে তিনটি কামড় দিয়ে মাংস তুলে নেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

দশমিনা থানার ওসি মো. জসিম যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন