খুনের মামলায় কারাগারে ২ ইউপি সদস্য
jugantor
খুনের মামলায় কারাগারে ২ ইউপি সদস্য

  চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৪ মার্চ ২০২১, ২২:৪৭:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

আব্দুল মালেক

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক এবং উপজেলা কৃষক লীগ সহ-সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. ইয়াকুত মিয়া তালুকদারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

একটি হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে গৃহীত হওয়ায় এবং আজ বৃহস্পতিবার আদালতে হাজিরা দিতে গেলে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের আতিকপুর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল কদ্দুছ (৩০) ২০১৮ সালে দেশে ফিরে এসে তার স্ত্রী মাফিয়া খাতুনের সঙ্গে বিদেশ থেকে তার পাঠানো ১৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

এ নিয়ে কদ্দুছ মিয়ার স্ত্রী মাফিয়া খাতুন ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হবিগঞ্জ নারী শিশু নির্যাতন আদালতে কদ্দুছ মিয়াকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলা আপস মীমাংসার কথা বলে রানীগাঁও ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেকসহ কয়েকজন ওই বছরের ৩ নভেম্বর রাতে আ. ছোবহান মিয়ার বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসান।

সেখানে আব্দুল কদ্দুছ হাজির হলে সেখানে তাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ একটি পেয়ারা গাছে ঝুলিয়ে রাখে। পরদিন চুনারুঘাট থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং পোস্টমর্টেম শেষে আত্মীয়স্বজনের কাছে হস্তান্তর করে।

এ নিয়ে নিহত কদ্দুছের ভাই হোসেন আলী বাদী হয়ে নিহতের স্ত্রী মাফিয়া খাতুনসহ ৫ জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেন। প্রথমে চুনারুঘাট থানা পুলিশ এ মামলার তদন্ত করে। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে সিআইডি এ মামলার চার্জশিট প্রদান করে।

এ চার্জশিটে নিহতের স্ত্রী মাফিয়া খাতুন, ইউপি সদস্য আ. মালেক, ইউপি সদস্য ইয়াকুত মিয়া তালুকদারসহ ৫ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল বিচারিক আদালতে আ. মালেক ও ইয়াকুত মিয়া তালুকদার হাজিরা দিতে গেলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

খুনের মামলায় কারাগারে ২ ইউপি সদস্য

 চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৪ মার্চ ২০২১, ১০:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আব্দুল মালেক
আব্দুল মালেক। ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক এবং উপজেলা কৃষক লীগ সহ-সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. ইয়াকুত মিয়া তালুকদারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

একটি হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে গৃহীত হওয়ায় এবং আজ বৃহস্পতিবার আদালতে হাজিরা দিতে গেলে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন। 

উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের আতিকপুর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল কদ্দুছ (৩০) ২০১৮ সালে দেশে ফিরে এসে তার স্ত্রী মাফিয়া খাতুনের সঙ্গে বিদেশ থেকে তার পাঠানো ১৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। 

এ নিয়ে কদ্দুছ মিয়ার স্ত্রী মাফিয়া খাতুন ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হবিগঞ্জ নারী শিশু নির্যাতন আদালতে কদ্দুছ মিয়াকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলা আপস মীমাংসার কথা বলে রানীগাঁও ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেকসহ কয়েকজন ওই বছরের ৩ নভেম্বর রাতে আ. ছোবহান মিয়ার বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসান।

সেখানে আব্দুল কদ্দুছ হাজির হলে সেখানে তাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ একটি পেয়ারা গাছে ঝুলিয়ে রাখে। পরদিন চুনারুঘাট থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং পোস্টমর্টেম শেষে আত্মীয়স্বজনের কাছে হস্তান্তর করে। 

এ নিয়ে নিহত কদ্দুছের ভাই হোসেন আলী বাদী হয়ে নিহতের স্ত্রী মাফিয়া খাতুনসহ ৫ জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেন। প্রথমে চুনারুঘাট থানা পুলিশ এ মামলার তদন্ত করে। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে  সিআইডি এ মামলার চার্জশিট প্রদান করে। 

এ চার্জশিটে নিহতের স্ত্রী মাফিয়া খাতুন, ইউপি সদস্য আ. মালেক, ইউপি সদস্য ইয়াকুত মিয়া তালুকদারসহ ৫ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 

বৃহস্পতিবার সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল বিচারিক আদালতে আ. মালেক ও ইয়াকুত মিয়া তালুকদার হাজিরা দিতে গেলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন