নর্দান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পেশ
jugantor
নর্দান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পেশ

  রংপুর ব্যুরো  

০৪ মার্চ ২০২১, ২২:৫৭:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

নর্দান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা

রংপুরে নর্দান মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা মাইগ্রেশন ও নিরাপত্তার দাবিতে বিভাগীয় কমিশনার, সিটি মেয়র ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা ওই ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে।

বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় শিক্ষার্থীরা নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিলে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা তাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে তাদের দাবি মেনে নিতে সংশ্লিষ্ট মহলকে আহবান জানান।

দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করে প্রবেশ পথে অবস্থান নেন। সেখানে মাইগ্রেশন, মূল কাগজপত্র ফেরত এবং নিরাপত্তার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই অফিস থেকে নেমে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন মেয়র।

এ সময় শিক্ষার্থীরা মেয়রকে দাবি আদায়ের জন্য স্মারকলিপি দেন এবং অভিযোগ করেন তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কলেজ কর্তৃপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়েছে। এখন তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ সময় তারা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিজেদের নিরাপত্তা ও মাইগ্রেশনের দাবি জানান।

মাইগ্রেশন দেয়ার বিষয়ে গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি বিএমডিসি চেয়ারম্যান ড. শহীদুল্লাহর দেয়া ঘোষণা ১৫ দিনেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২৬তম দিনের মতো সবার দ্বারে দ্বারে গিয়ে আন্দোলনে আছেন বলেও মেয়রকে জানান শিক্ষার্থীরা।

এ সময় মেয়র বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন। এর আগে তারা বেলা ১১টা থেকে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও করে স্মারকলিপি দেয়।

এই কলেজ কর্তৃপক্ষ অনুমোদনহীনভাবে ১৩-১৪ সেশন থেকে একাডেমিক নবায়ন, বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই গত ৫টি সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে কলেজটির হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

গত ২৬ দিন থেকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছে। আন্দোলনের মধ্যেই এমবিবিএস থেকে পাস করে ১১ মাস অলস সময় কাটানোর পর গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিএমডিসির এক আদেশে ১১ নেপালিসহ ২১ শিক্ষার্থীর ইন্টার্ন করার সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু ৩২ নেপালিসহ ২৫০ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাইগ্রেশনের ঘোষণা আসলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতিদিন বিভিন্ন দপ্তরের সামনে গিয়ে ধরনা দিচ্ছেন তারা।

নর্দান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পেশ

 রংপুর ব্যুরো 
০৪ মার্চ ২০২১, ১০:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নর্দান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা
নর্দান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা

রংপুরে নর্দান মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা মাইগ্রেশন ও নিরাপত্তার দাবিতে বিভাগীয় কমিশনার, সিটি মেয়র ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা ওই ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। 

বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় শিক্ষার্থীরা নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিলে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা তাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে তাদের দাবি মেনে নিতে সংশ্লিষ্ট মহলকে আহবান জানান।

দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করে প্রবেশ পথে অবস্থান নেন। সেখানে মাইগ্রেশন, মূল কাগজপত্র ফেরত এবং নিরাপত্তার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই অফিস থেকে নেমে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন মেয়র।

এ সময় শিক্ষার্থীরা মেয়রকে দাবি আদায়ের জন্য স্মারকলিপি দেন এবং অভিযোগ করেন তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কলেজ কর্তৃপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়েছে। এখন তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ সময় তারা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিজেদের নিরাপত্তা ও মাইগ্রেশনের দাবি জানান।

মাইগ্রেশন দেয়ার বিষয়ে গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি বিএমডিসি চেয়ারম্যান ড. শহীদুল্লাহর দেয়া ঘোষণা ১৫ দিনেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২৬তম দিনের মতো সবার দ্বারে দ্বারে গিয়ে আন্দোলনে আছেন বলেও মেয়রকে জানান শিক্ষার্থীরা।

এ সময় মেয়র বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন। এর আগে তারা বেলা ১১টা থেকে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও করে স্মারকলিপি দেয়।

এই কলেজ কর্তৃপক্ষ অনুমোদনহীনভাবে ১৩-১৪ সেশন থেকে একাডেমিক নবায়ন, বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই গত ৫টি সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে কলেজটির হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

গত ২৬ দিন থেকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছে। আন্দোলনের মধ্যেই এমবিবিএস থেকে পাস করে ১১ মাস অলস সময় কাটানোর পর গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিএমডিসির এক আদেশে ১১ নেপালিসহ ২১ শিক্ষার্থীর ইন্টার্ন করার সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু ৩২ নেপালিসহ ২৫০ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাইগ্রেশনের ঘোষণা আসলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতিদিন বিভিন্ন দপ্তরের সামনে গিয়ে ধরনা দিচ্ছেন তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন