সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে তর্ক, অটোচালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
jugantor
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে তর্ক, অটোচালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

  কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

০৫ মার্চ ২০২১, ১২:৫৬:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় এক অটোরিকশাচালককে চুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার শমসেরনগর সিটি লভারসিজ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত অটোচালক জলিল মিয়া (২৬) আলীনগর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়ার ছেলে।

সূত্রে জানা গেছে, রাতে সিটি লভারসিজ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দ্রুত গ্যাস ভরতে কারের লাইনে চলে আসেন অটোচালক জলিল মিয়া। এ সময় গ্যাস নিতে আসা কারের মালিক কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া শফির সঙ্গে জলিলের তর্ক হয়।

একপর্যায়ে অন্যান্য গাড়ির চালকরাও গোলাম কিবরিয়ার পক্ষ নিয়ে এগিয়ে এলে উভয়পক্ষে হাতাহাতি শুরু হয়। এর মধ্যেই অটোচালক জলিলকে উপর্যুপরিভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় ভাইকে বাঁচাতে আসা কাশেম মিয়াকেও মারধর করা হয়।

ঘটনার পর এলাকাবাসী জলিল মিয়াকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রাতেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসকি মেডিকেল অফিসার ডা. সাজেদুল কবির বলেন, অটোচালকের দেহে অসংখ্য ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আলীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। তবে এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে তর্ক, অটোচালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

 কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
০৫ মার্চ ২০২১, ১২:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় এক অটোরিকশাচালককে চুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার শমসেরনগর সিটি লভারসিজ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত অটোচালক জলিল মিয়া (২৬) আলীনগর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়ার ছেলে। 

সূত্রে জানা গেছে, রাতে সিটি লভারসিজ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দ্রুত গ্যাস ভরতে কারের লাইনে চলে আসেন অটোচালক জলিল মিয়া। এ সময় গ্যাস নিতে আসা কারের মালিক কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া শফির সঙ্গে জলিলের তর্ক  হয়। 

একপর্যায়ে অন্যান্য গাড়ির চালকরাও গোলাম কিবরিয়ার পক্ষ নিয়ে এগিয়ে এলে উভয়পক্ষে হাতাহাতি শুরু হয়। এর মধ্যেই অটোচালক জলিলকে উপর্যুপরিভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় ভাইকে বাঁচাতে আসা কাশেম মিয়াকেও মারধর করা হয়।

ঘটনার পর এলাকাবাসী জলিল মিয়াকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রাতেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসকি মেডিকেল অফিসার ডা. সাজেদুল কবির বলেন, অটোচালকের দেহে অসংখ্য ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আলীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। তবে এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন