ঘর-বাড়ি দখল করতে বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম
jugantor
ঘর-বাড়ি দখল করতে বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা  

০৫ মার্চ ২০২১, ১৯:২৬:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলা সদর উপজেলায় ঘর-বাড়ি দখল করতে মো. বেলায়েত হোসেন জমাদ্দার (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।এমনকি দখলকারীরা বিভিন্ন সময়ে বেলায়েত হোসেনের পুকুরের মাছ ও বাগানের গাছ লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদেরকে বাঁধা দিলে তারা অসহায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে আহত করেন। এবং প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বৃদ্ধ বেলায়েত হোসেনের কোনো ছেলে সন্তান না থাকায় দখলকারী একের পর এক তার ওপর হামলা করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আহত বেলায়েত হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা আলতাজ উদ্দিন জমাদ্দার মারা যাওয়ার পর কাচিয়া ইউনিয়নের আমাদের বসত বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরে সেখান থেকে এসে আমি সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের উত্তর চরপোটকা গ্রামের বাবার এক একর ৬০ শতাংশ জমিতে ঘর-বাড়ি করে বসবাস করে আসছি। বাবা মারা যাওয়ায় এ জমি আমরা তিন ভাই চার বোন ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হই।

তিনি বলেন, আমার বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন মারা যাওয়ার পর তার অংশ তার ছেলে ও স্ত্রী স্থানীয় খলিল জমাদ্দার ও কবির জমাদ্দারের কাছে বিক্রি করেন। পরে তারা জোরপূর্বক আমার অংশের পুকুর ও বাড়ির দরজাসহ খলিল ও কবিরকে বুঝিয়ে দেয়। বিষয়টি আমি প্রতিবাদ করলেও তারা তা শোনেনি।

বেলায়েত হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা একাধিকবার মীমাংসার জন্য বসলেও তারা তাদের উপেক্ষা করে পুরো বাড়ি দখলের পায়তারা করে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগে দিলেও তারা চেয়ারম্যানের কথা মানে না।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে কবির জমাদ্দার ও তার ভাই ফারুক জমাদ্দারসহ ১০-১২ জন মিলে আমার পুকুরের মাছ ও বাগানের গাছ লুট করতে এলে আমি তাদের বাঁধা দেই। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর করে।

এক পর্যায়ে তারা আমাকে বাগানের সুপারি গাছের সঙ্গে মাথা বাড়ি দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভোলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

ভোলা সদর থানার ওসি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘর-বাড়ি দখল করতে বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা 
০৫ মার্চ ২০২১, ০৭:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলা সদর উপজেলায় ঘর-বাড়ি দখল করতে মো. বেলায়েত হোসেন জমাদ্দার (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি দখলকারীরা বিভিন্ন সময়ে বেলায়েত হোসেনের পুকুরের মাছ ও বাগানের গাছ লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদেরকে বাঁধা দিলে তারা অসহায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে আহত করেন। এবং প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বৃদ্ধ বেলায়েত হোসেনের কোনো ছেলে সন্তান না থাকায় দখলকারী একের পর এক তার ওপর হামলা করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আহত বেলায়েত হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা আলতাজ উদ্দিন জমাদ্দার মারা যাওয়ার পর কাচিয়া ইউনিয়নের আমাদের বসত বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরে সেখান থেকে এসে আমি সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের উত্তর চরপোটকা গ্রামের বাবার এক একর ৬০ শতাংশ জমিতে ঘর-বাড়ি করে বসবাস করে আসছি। বাবা মারা যাওয়ায় এ জমি আমরা তিন ভাই চার বোন ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হই।

তিনি বলেন, আমার বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন মারা যাওয়ার পর তার অংশ তার ছেলে ও স্ত্রী স্থানীয় খলিল জমাদ্দার ও কবির জমাদ্দারের কাছে বিক্রি করেন। পরে তারা জোরপূর্বক আমার অংশের পুকুর ও বাড়ির দরজাসহ খলিল ও কবিরকে বুঝিয়ে দেয়। বিষয়টি আমি প্রতিবাদ করলেও তারা তা শোনেনি।

বেলায়েত হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা একাধিকবার মীমাংসার জন্য বসলেও তারা তাদের উপেক্ষা করে পুরো বাড়ি দখলের পায়তারা করে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগে দিলেও তারা চেয়ারম্যানের কথা মানে না।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে কবির জমাদ্দার ও তার ভাই ফারুক জমাদ্দারসহ ১০-১২ জন মিলে আমার পুকুরের মাছ ও বাগানের গাছ লুট করতে এলে আমি তাদের বাঁধা দেই। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর করে।

এক পর্যায়ে তারা আমাকে বাগানের সুপারি গাছের সঙ্গে মাথা বাড়ি দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভোলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

ভোলা সদর থানার ওসি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন