রাস্তার ‘পাগলি’টা মা হয়েছেন, হাসপাতালে নিলেন এসআই
jugantor
রাস্তার ‘পাগলি’টা মা হয়েছেন, হাসপাতালে নিলেন এসআই

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০৫ মার্চ ২০২১, ২২:৪৩:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় এদিক-ওদিক ছুটে চলা সেই মানসিক প্রতিবন্ধী নারী (পাগলি) মা হয়েছেন। জন্ম দিয়েছেন ফুটফুটে এক কন্যাশিশুর। কিন্তু ওই শিশুর বাবার পরিচয় অজানা। কারও বিকৃত যৌন লালসার শিকার হয়ে গর্ভধারণ করেছেন প্রায় ৩০ বছর বয়সী মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারী।

বন্দর থানার গেটের বিপরীত ফুটপাতের ওপর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় সন্তান প্রসব করেন তিনি। পথচারীরা যখন দূর থেকে এ দৃশ্য দেখছেন তখন কাছে গিয়ে সাহায্যের হাত বাড়ান সিএমপির বন্দর থানার এসআই আমান উল্যাহ।

তিনি যুগান্তরকে বলেন, থানার নাইট ডিউটি শেষে সকালে বাড়ি ফিরছিলাম। এ সময় ফুটপাতের ওপর ওই নারী সন্তান প্রসব করে বেদনায় অজ্ঞান হয়ে যান। আমি দুজন মহিলার সহায়তায় তাদের গাড়িতে তুলে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর তার জ্ঞান ফিরে আসে। নবজাতকের জন্য কাপড় কিনে দিই। পাশাপাশি যা প্রয়োজন তা করি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও আন্তরিকতার সঙ্গে চিকিৎসা দিয়েছেন।

এসআই আমান উল্যাহ জানান, জন্ম নেওয়া শিশুকে তিনি কোলে নিয়েছেন। সার্বক্ষণিক মা ও শিশুর খোঁজ নিচ্ছেন। দুজনই এখন সুস্থ আছে। তবে ওই নারী কে, কোথায় থেকে এসেছেন তা কিছুই জানাতে পারেননি।

বন্দর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন এ মায়ের পক্ষে নবজাতকের লালন-পালন করা সম্ভব নয়। তাই আমরা বিষয়টি আদালতকে জানাব। আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেখানে ওই শিশুকে রাখা হবে।

রাস্তার ‘পাগলি’টা মা হয়েছেন, হাসপাতালে নিলেন এসআই

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০৫ মার্চ ২০২১, ১০:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় এদিক-ওদিক ছুটে চলা সেই মানসিক প্রতিবন্ধী নারী (পাগলি) মা হয়েছেন। জন্ম দিয়েছেন ফুটফুটে এক কন্যাশিশুর। কিন্তু ওই শিশুর বাবার পরিচয় অজানা। কারও বিকৃত যৌন লালসার শিকার হয়ে গর্ভধারণ করেছেন প্রায় ৩০ বছর বয়সী মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারী।

বন্দর থানার গেটের বিপরীত ফুটপাতের ওপর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় সন্তান প্রসব করেন তিনি। পথচারীরা যখন দূর থেকে এ দৃশ্য দেখছেন তখন কাছে গিয়ে সাহায্যের হাত বাড়ান সিএমপির বন্দর থানার এসআই আমান উল্যাহ।

তিনি যুগান্তরকে বলেন, থানার নাইট ডিউটি শেষে সকালে বাড়ি ফিরছিলাম। এ সময় ফুটপাতের ওপর ওই নারী সন্তান প্রসব করে বেদনায় অজ্ঞান হয়ে যান। আমি দুজন মহিলার সহায়তায় তাদের গাড়িতে তুলে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার পর তার জ্ঞান ফিরে আসে। নবজাতকের জন্য কাপড় কিনে দিই। পাশাপাশি যা প্রয়োজন তা করি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও আন্তরিকতার সঙ্গে চিকিৎসা দিয়েছেন।

এসআই আমান উল্যাহ জানান, জন্ম নেওয়া শিশুকে তিনি কোলে নিয়েছেন। সার্বক্ষণিক মা ও শিশুর খোঁজ নিচ্ছেন। দুজনই এখন সুস্থ আছে। তবে ওই নারী কে, কোথায় থেকে এসেছেন তা কিছুই জানাতে পারেননি।

বন্দর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন এ মায়ের পক্ষে নবজাতকের লালন-পালন করা সম্ভব নয়। তাই আমরা বিষয়টি আদালতকে জানাব। আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেখানে ওই শিশুকে রাখা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন