‘১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভাষণটিই আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র’
jugantor
‘১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভাষণটিই আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র’

  ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

০৭ মার্চ ২০২১, ১৮:১৪:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভাষণটিই আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র বলে উল্লেখ করেছেন চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান।

রোববার বিকালে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

যুবলীগের কার্যালয়ে সংগঠনের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান শাহীনের সভাপতিত্বে ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম রোমানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির সাবেক সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খাজে আহমেদ মজুমদার, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হেলাল উদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহম্মদ শফিকুর রহমান এমপি বলেন, ৭ মার্চ বাঙালির জাতীয় ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন। বিভিন্নজন সেদিন ভাষণ বিষয়ে নানা উপদেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকে। সর্বশেষ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা বলেছিলেন, তুমি সারাজীবন মানুষের জন্য রাজনীতি করেছ, এতদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তোমার মধ্যে যে অনুভূতি হয়েছে তা দিয়েই তুমি তোমার কথা বলবে। বঙ্গবন্ধু সেভাবেই ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, সেই দিনের ১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডের এ ভাষণটি আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়ায়। সেই দিনের রেসকোর্স ময়দান ১০ লক্ষাধিক লোকে-লোকারণ্য হয়ে গিয়েছিল। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল, খুব কাছ থেকেই সেই শ্রেষ্ঠ ভাষণটি শোনার। এক ভাষণেই বঙ্গবন্ধু ৭ কোটি বাঙালিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছিলেন। একই সঙ্গে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীকে হুশিয়ার করে দিয়েছিলেন।

মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি নিয়ে এখনো গবেষণা হচ্ছে। আমরা গবেষণার মাধ্যমে ভাষণে তিনটি প্রধান দিক খুঁজে পেয়েছিলাম। একটি হলো- ‘ভাইয়েরা আমার দু:খ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি’ এর মাধ্যমে পূর্বতন ইতিহাসের বর্ণনা দেন। দ্বিতীয় ভাগে তিনি বলেন- ‘আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমরা ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল’। তৃতীয় ভাগটি হলো- ‘আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো’ এর মাধ্যমে তিনি দিয়েছিলেন গেরিলা যুদ্ধের রূপরেখা। অর্থাৎ এই একটি ভাষণের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সব দিকের প্রস্তুতির কথা বলেছিলেন। এজন্য এই ভাষণটি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন দিদার, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম পালোয়ান, জিএম হাছান তাবাচ্ছুম, তোফায়েল পাটওয়ারী, নজরুল ইসলাম সুমন, উপজেলা কমউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন খান বাহার, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক আল- আমিন পাটওয়ারী, সদস্য আব্দুল গাফ্ফার সজিব, আলাউদ্দিন ভূঁইয়া, সুমন পাটওয়ারী, জাকির হোসেন, রাশেদ বেপারি, কাশেম ঢালী, মজিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন মিজি প্রমুখ।

‘১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভাষণটিই আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র’

 ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
০৭ মার্চ ২০২১, ০৬:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভাষণটিই আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র বলে উল্লেখ করেছেন চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান।

রোববার বিকালে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

যুবলীগের কার্যালয়ে সংগঠনের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান শাহীনের সভাপতিত্বে ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম রোমানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির সাবেক সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খাজে আহমেদ মজুমদার, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হেলাল উদ্দিন আহমেদ।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহম্মদ শফিকুর রহমান এমপি বলেন, ৭ মার্চ বাঙালির জাতীয় ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন। বিভিন্নজন সেদিন ভাষণ বিষয়ে নানা উপদেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকে। সর্বশেষ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা বলেছিলেন, তুমি সারাজীবন মানুষের জন্য রাজনীতি করেছ, এতদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তোমার মধ্যে যে অনুভূতি হয়েছে তা দিয়েই তুমি তোমার কথা বলবে। বঙ্গবন্ধু সেভাবেই ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, সেই দিনের ১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডের এ ভাষণটি আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়ায়। সেই দিনের রেসকোর্স ময়দান ১০ লক্ষাধিক লোকে-লোকারণ্য হয়ে গিয়েছিল। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল, খুব কাছ থেকেই সেই শ্রেষ্ঠ ভাষণটি শোনার। এক ভাষণেই বঙ্গবন্ধু ৭ কোটি বাঙালিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছিলেন। একই সঙ্গে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীকে হুশিয়ার করে দিয়েছিলেন।

মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি নিয়ে এখনো গবেষণা হচ্ছে। আমরা গবেষণার মাধ্যমে ভাষণে তিনটি প্রধান দিক খুঁজে পেয়েছিলাম। একটি হলো- ‘ভাইয়েরা আমার দু:খ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি’ এর মাধ্যমে পূর্বতন ইতিহাসের বর্ণনা দেন। দ্বিতীয় ভাগে তিনি বলেন- ‘আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমরা ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল’। তৃতীয় ভাগটি হলো- ‘আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো’ এর মাধ্যমে তিনি দিয়েছিলেন গেরিলা যুদ্ধের রূপরেখা। অর্থাৎ এই একটি ভাষণের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সব দিকের প্রস্তুতির কথা বলেছিলেন। এজন্য এই ভাষণটি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন দিদার, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম পালোয়ান, জিএম হাছান তাবাচ্ছুম, তোফায়েল পাটওয়ারী, নজরুল ইসলাম সুমন, উপজেলা কমউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন খান বাহার, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক আল- আমিন পাটওয়ারী, সদস্য আব্দুল গাফ্ফার সজিব, আলাউদ্দিন ভূঁইয়া, সুমন পাটওয়ারী, জাকির হোসেন, রাশেদ বেপারি, কাশেম ঢালী, মজিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন মিজি প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন