গুজবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ
jugantor
গুজবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

  মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০৭ মার্চ ২০২১, ২২:৫২:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষার্থীদের মাঝে করোনার সময়ে প্রতি শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা দেবে- এমন খবরে ইন্টারনেটের দোকান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হুমড়ি খেয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। রোববার শহরের বিভিন্ন ইন্টারনেটের দোকান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় এসব চিত্র।

এ সুযোগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ইন্টারনেট দোকানের মালিকরা। এর পাশাপাশি কিছু স্কুল ও কলেজ প্রধানরাও প্রত্যয়নপত্র প্রদান বাবদ টাকা নিচ্ছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। এমন অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা।

মুক্তাগাছায় শনিবার সকালে খবর ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে করোনাকালীন প্রতি শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা দেবে সরকার। এজন্য তাদের দরকার হচ্ছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রত্যয়নপত্র। এরপর ওই প্রত্যয়নপত্র নিয়ে ইন্টারনেটের দোকান থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আবেদন করা।

এ খবরে শনিবার থেকে মুক্তাগাছার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে ইন্টারনেটের দোকানগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে।

রোববার বেলা ১১টার দিকে শহরের কলেজ রোড, বড়হিস্যা বাজার এলাকার বিভিন্ন ইন্টারনেটের দোকানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। এ সুযোগে ইন্টারনেট দোকানদাররা আবেদনের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২শ' টাকা করে আদায় করেছে।

শহরের এনএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী সোহাগী আক্তার জানায়, করোনার সময়ে তাদের ১২ হাজার টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেবে- এ খবরে তারা প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে ইন্টারনেটের দোকানে এসেছিল আবেদন করতে। তবে শিক্ষার্থীদের ভিড়ের কারণে সে আবেদন করতে পারেনি।

শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া পড়া ভিড়ের বিষয়টি স্বীকার করে বড়হিস্যা বাজার এলাকার এসএস ফটোস্ট্যাট দোকানের ফরহাদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের বারবার বোঝানোর পরও তারা তাদের দোকানে ভিড় করছে। তবে কিছু দোকানদার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে এ কথা সত্য।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মনসুর যুগান্তরকে বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়া তথ্যে শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট দোকান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হুমড়ি খেয়ে পড়ার এমন খবর তারা জেনেছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো টাকা দেওয়ার নোটিশ তারা পাননি।

গুজবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

 মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০৭ মার্চ ২০২১, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষার্থীদের মাঝে করোনার সময়ে প্রতি শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা দেবে- এমন খবরে ইন্টারনেটের দোকান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হুমড়ি খেয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। রোববার শহরের বিভিন্ন ইন্টারনেটের দোকান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় এসব চিত্র।

এ সুযোগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ইন্টারনেট দোকানের মালিকরা। এর পাশাপাশি কিছু স্কুল ও কলেজ প্রধানরাও প্রত্যয়নপত্র প্রদান বাবদ টাকা নিচ্ছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। এমন অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা।

মুক্তাগাছায় শনিবার সকালে খবর ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে করোনাকালীন প্রতি শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা দেবে সরকার। এজন্য তাদের দরকার হচ্ছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রত্যয়নপত্র। এরপর ওই প্রত্যয়নপত্র নিয়ে ইন্টারনেটের দোকান থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আবেদন করা।

এ খবরে শনিবার থেকে মুক্তাগাছার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে ইন্টারনেটের দোকানগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে।

রোববার বেলা ১১টার দিকে শহরের কলেজ রোড, বড়হিস্যা বাজার এলাকার বিভিন্ন ইন্টারনেটের দোকানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। এ সুযোগে ইন্টারনেট দোকানদাররা আবেদনের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২শ' টাকা করে আদায় করেছে।

শহরের এনএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী সোহাগী আক্তার জানায়, করোনার সময়ে তাদের ১২ হাজার টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেবে- এ খবরে তারা প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে ইন্টারনেটের দোকানে এসেছিল আবেদন করতে। তবে শিক্ষার্থীদের ভিড়ের কারণে সে আবেদন করতে পারেনি।

শিক্ষার্থীদের উপচেপড়া পড়া ভিড়ের বিষয়টি স্বীকার করে বড়হিস্যা বাজার এলাকার এসএস ফটোস্ট্যাট দোকানের ফরহাদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের বারবার বোঝানোর পরও তারা তাদের দোকানে ভিড় করছে। তবে কিছু দোকানদার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে এ কথা সত্য।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মনসুর যুগান্তরকে বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়া তথ্যে শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট দোকান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হুমড়ি খেয়ে পড়ার এমন খবর তারা জেনেছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো টাকা দেওয়ার নোটিশ তারা পাননি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন