১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলায় কেঁপে উঠল সাতছড়ি (ভিডিও)
jugantor
১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলায় কেঁপে উঠল সাতছড়ি (ভিডিও)

  চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৮ মার্চ ২০২১, ২২:৫৬:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গভীর বনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) উদ্ধার করা ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলা সাতছড়ি বনেই ধ্বংস করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টায় ঢাকা থেকে আসা সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল টিম এসব গোলা ধ্বংস করে। একে একে ১৮টি গোলা ধ্বংস করা হয়।

গোলাগুলো ধ্বংসের সময় নীরব নিঃশব্দ পাহাড় যেন কেঁপে কেঁপে উঠে। বোম ডিসপোজাল টিমের ক্যাপ্টেন গালিবের নেতৃত্বে এসব গোলা ধ্বংস করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৫৫ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সামীউন্নবী চৌধুরীসহ একদল চৌকস সেনা সদস্য। গোলাগুলো ধ্বংসের সময় কাউকে ভেতরে যেতে দেওয়া হয়নি।

গত ২ মার্চ সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের কনিমুছরা এলাকার দক্ষিণ দিনে ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র এক কিলোমিটার ভেতরে ৫৫ ব্যাটালিয়ন বিজিবির সদস্যরা ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলা উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আরও দুদিন বনে অভিযান চালিয়ে তার কোনো অস্ত্র গোলাবারুদ পায়নি। এটি ছিল সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ম অভিযান এবং বিজিবির প্রথম অভিযান।

এর আগেও তারা ৮ বার অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার করেছিল।এর আগে হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে এসব গোলা ধ্বংসের জন্য আবেদন করলে আদালত এসব ধ্বংসের অনুমতি প্রদান করেন।

এদিকে শনিবার চুনারুঘাট থানায় বিজিবির পক্ষ থেকে এসব গোলা উদ্ধারের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

এ বিষয়ে ৫৫ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সামীউন্নবী চৌধুরী বলেন, যথাযথ আইন মেনে এবং আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে এসব গোলাবারুদ ধ্বংস করা হয়। তবে কেন সাতছড়ি বন্যপ্রাণী উদ্যানে এসব ধ্বংস করা হলো এসব বিষয়ে তারা কোন কিছু জানায়নি। তবে বনে ধ্বংস করা নিরাপদ বলেই সেখানে এসব গোলাবারুদ ধ্বংস করা হয়েছে বলে একটি সূত্র জানায়।

এর আগেও ২০১৮ সালে সাতছড়ি গভীর বন থেকে র্যা বের হাতে উদ্ধার হওয়া ১৩টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলা সিলেট সেনাবাহিনীর একটি বোম ডিসপোজাল টিম সাতছড়ি বনের ভেতরে ধ্বংস করেছিল।

১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলায় কেঁপে উঠল সাতছড়ি (ভিডিও)

 চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৮ মার্চ ২০২১, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গভীর বনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) উদ্ধার করা ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলা সাতছড়ি বনেই ধ্বংস করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টায় ঢাকা থেকে আসা সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল টিম এসব গোলা ধ্বংস করে। একে একে ১৮টি গোলা ধ্বংস করা হয়।

গোলাগুলো ধ্বংসের সময় নীরব নিঃশব্দ পাহাড় যেন কেঁপে কেঁপে উঠে। বোম ডিসপোজাল টিমের ক্যাপ্টেন গালিবের নেতৃত্বে এসব গোলা ধ্বংস করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৫৫ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সামীউন্নবী চৌধুরীসহ একদল চৌকস সেনা সদস্য। গোলাগুলো ধ্বংসের সময় কাউকে ভেতরে যেতে দেওয়া হয়নি।

গত ২ মার্চ সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের কনিমুছরা এলাকার দক্ষিণ দিনে ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র এক কিলোমিটার ভেতরে ৫৫ ব্যাটালিয়ন বিজিবির সদস্যরা ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলা উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আরও দুদিন বনে অভিযান চালিয়ে তার কোনো অস্ত্র গোলাবারুদ পায়নি। এটি ছিল সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ম অভিযান এবং বিজিবির প্রথম অভিযান।

এর আগেও তারা ৮ বার অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার করেছিল।এর আগে হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে এসব গোলা ধ্বংসের জন্য আবেদন করলে আদালত এসব ধ্বংসের অনুমতি প্রদান করেন।

এদিকে শনিবার চুনারুঘাট থানায় বিজিবির পক্ষ থেকে এসব গোলা উদ্ধারের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

এ বিষয়ে ৫৫ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সামীউন্নবী চৌধুরী বলেন, যথাযথ আইন মেনে এবং আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে এসব গোলাবারুদ ধ্বংস করা হয়। তবে কেন সাতছড়ি বন্যপ্রাণী উদ্যানে এসব ধ্বংস করা হলো এসব বিষয়ে তারা কোন কিছু জানায়নি। তবে বনে ধ্বংস করা নিরাপদ বলেই সেখানে এসব গোলাবারুদ ধ্বংস করা হয়েছে বলে একটি সূত্র জানায়।

এর আগেও ২০১৮ সালে সাতছড়ি গভীর বন থেকে র্যা বের হাতে উদ্ধার হওয়া ১৩টি ট্যাংক বিধ্বংসী গোলা সিলেট সেনাবাহিনীর একটি বোম ডিসপোজাল টিম সাতছড়ি বনের ভেতরে ধ্বংস করেছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন