ইয়াবা সেবনের পর শারীরিক সম্পর্ক, হিজড়া আলমগীরকে হত্যা করে তিনজন
jugantor
ইয়াবা সেবনের পর শারীরিক সম্পর্ক, হিজড়া আলমগীরকে হত্যা করে তিনজন

  যশোর ব্যুরো  

০৯ মার্চ ২০২১, ২৩:১৩:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

চারজন একসঙ্গে ইয়াবা সেবন করে। এরপর আলমগীরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে দুইজন। বিষয়টি লোকজনকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় আলমগীর। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে তিনজন। এরপর বাগানের মধ্যে গাছে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়।

সোমবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাহাদী হাসানের আদালতে জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করে এ তথ্য জানিয়েছে আসামি সাগর মোল্লা। বিচারক জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

সাগর মোল্লা নওয়াপাড়া পাঁচকবর এলাকার স্বপন মোল্লার ছেলে।

সাগর মোল্লা জানিয়েছে, আলমগীর হাওলাদার পেশায় একজন রংমিস্ত্রি ও হিজড়া। গত ২ মার্চ রাতে দুই সহযোগী তার ফোন দিয়ে আলমগীরকে ইয়াবা নিয়ে কবিরাজের বাগানে আসতে বলে। আলমগীর ইয়াবা নিয়ে আসলে তারা একসঙ্গে সেবন করে। এরপর ওই দুইজন আলমগীরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। বিষয়টি আলমগীর জানিয়ে দেবে বলে তাদের হুমকি দেয়। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তারা আলমগীরকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখে বলে জবনবন্দিতে জানিয়েছে।

জানা যায়, গত ২ মার্চ সন্ধ্যায় আলমগীর রং কেনার উদ্দেশে বাজারে যান। রাতে আলমগীর বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি করে উদ্ধারে ব্যর্থ হন স্বজনরা। পরদিন সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে কবিরাজের বাগানের একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় আলমগীরের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে অভয়নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিহত আলমগীরের মোবাইল ফোনের কললিস্ট দেখে সন্দেহজনকভাবে সাগর মোল্লাকে আটক করেন। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ওই জবানবন্দি দিয়েছেন।

ইয়াবা সেবনের পর শারীরিক সম্পর্ক, হিজড়া আলমগীরকে হত্যা করে তিনজন

 যশোর ব্যুরো 
০৯ মার্চ ২০২১, ১১:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চারজন একসঙ্গে ইয়াবা সেবন করে। এরপর আলমগীরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে দুইজন। বিষয়টি লোকজনকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় আলমগীর। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে তিনজন। এরপর বাগানের মধ্যে গাছে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়।

সোমবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাহাদী হাসানের আদালতে জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করে এ তথ্য জানিয়েছে আসামি সাগর মোল্লা। বিচারক জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

সাগর মোল্লা নওয়াপাড়া পাঁচকবর এলাকার স্বপন মোল্লার ছেলে।

সাগর মোল্লা জানিয়েছে, আলমগীর হাওলাদার পেশায় একজন রংমিস্ত্রি ও হিজড়া। গত ২ মার্চ রাতে দুই সহযোগী তার ফোন দিয়ে আলমগীরকে ইয়াবা নিয়ে কবিরাজের বাগানে আসতে বলে। আলমগীর ইয়াবা নিয়ে আসলে তারা একসঙ্গে সেবন করে। এরপর ওই দুইজন আলমগীরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। বিষয়টি আলমগীর জানিয়ে দেবে বলে তাদের হুমকি দেয়। কথাকাটাকাটির  একপর্যায়ে তারা আলমগীরকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখে বলে জবনবন্দিতে জানিয়েছে।

জানা যায়, গত ২ মার্চ সন্ধ্যায় আলমগীর রং কেনার উদ্দেশে বাজারে যান। রাতে আলমগীর বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি করে উদ্ধারে ব্যর্থ হন স্বজনরা। পরদিন সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে কবিরাজের বাগানের একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় আলমগীরের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে অভয়নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিহত আলমগীরের মোবাইল ফোনের কললিস্ট দেখে সন্দেহজনকভাবে সাগর মোল্লাকে আটক করেন। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ওই জবানবন্দি দিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন