সুইচ অন করে রেখে বাড়িতে দাদা, অটোভ্যানে প্রাণ গেল নাতির
jugantor
সুইচ অন করে রেখে বাড়িতে দাদা, অটোভ্যানে প্রাণ গেল নাতির

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

১১ মার্চ ২০২১, ১৭:৫৬:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা। বাড়ির সামনে ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের সুইচ অন করে রেখে বাজার দিতে ভেতরে গিয়েছিলেন দাদা ময়লাল হোসেন। এ সময় পাশেই খেলাধুলা করছিল তিন বছর বয়সী নাতনি সুমাইয়া।

কেউ না থাকায় খেলার ছলে ভ্যানে চেপে বসে ওই শিশুটি। হাতলে হাত দিতেই ভ্যানটি চলতে শুরু করে। নিয়ন্ত্রণ না রাখতে পেরে বাড়ির পাশেই একটি মেহগনি গাছে সজোরে ভ্যানটি গিয়ে ধাক্কা লাগলে সুমাইয়ার মুখমণ্ডল থেঁতলে যায়। গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমাইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

এমনই এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথর গ্রামে। এ সময় পুরো হাসপাতালে কান্নার রোল পড়ে যায়। মেয়ের এমন মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গেছেন বাবা সাগর ইসলাম।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ওসি আমিনুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। পরিবারের লোকজন হাসপাতাল থেকে শিশুটির লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছেন। এ ব্যাপারে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি বলে জানান তিনি।

সুইচ অন করে রেখে বাড়িতে দাদা, অটোভ্যানে প্রাণ গেল নাতির

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
১১ মার্চ ২০২১, ০৫:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা। বাড়ির সামনে ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের সুইচ অন করে রেখে বাজার দিতে ভেতরে গিয়েছিলেন দাদা ময়লাল হোসেন। এ সময় পাশেই খেলাধুলা করছিল তিন বছর বয়সী নাতনি সুমাইয়া।

কেউ না থাকায় খেলার ছলে ভ্যানে চেপে বসে ওই শিশুটি। হাতলে হাত দিতেই ভ্যানটি চলতে শুরু করে। নিয়ন্ত্রণ না রাখতে পেরে বাড়ির পাশেই একটি মেহগনি গাছে সজোরে ভ্যানটি গিয়ে ধাক্কা লাগলে সুমাইয়ার মুখমণ্ডল থেঁতলে যায়। গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমাইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

এমনই এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথর গ্রামে। এ সময় পুরো হাসপাতালে কান্নার রোল পড়ে যায়। মেয়ের এমন মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গেছেন বাবা সাগর ইসলাম। 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ওসি আমিনুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। পরিবারের লোকজন হাসপাতাল থেকে শিশুটির লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছেন। এ ব্যাপারে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন