মেঘনায় মায়ের হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে পুত্রের আহাজারি
jugantor
মেঘনায় মায়ের হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে পুত্রের আহাজারি

  মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৪ মার্চ ২০২১, ১৫:৪৮:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা গ্রামে খুন হওয়া গৃহবধূ নাজমা বেগমের স্মরণে শোক সভায় পুত্র রিফাতের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

উপজেলার ভাওর খোলা গ্রামে রোববার বিকালে এ শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভাওরখোলা, নয়াগাঁওসহ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা লিটন আব্বাসী, বড়কান্দা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সেলিম মিয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সেলিম আহম্মেদ, যুবলীগ নেতা আ. কাদির জিলানী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহ্বায়ক সিরাজুল সলাম, ভাওরখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাজী নাজিমদ্দিন, সমাজসেবক শাহজাহান, মোতাহার প্রমুখ।

এসময় নিহত নাজমা বেগমের ছেলে রিফাত হোসেন কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার মা কোন দলাদলীতে ছিলেন না, তবু কেন সন্ত্রাসী খুনি ফারুক আব্বাসী আমার মাকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করল।

খুন করা যার পেশা তার ফাঁসি হওয়া উচিৎ, ইতিপূর্বে ত্রিপল মার্ডারসহ কয়েকটি হত্যা মামলা রয়েছে তার নামে। প্রধান আসামি ফারুক আব্বাসীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ডিজিটাল যুগে আসামিদের গ্রেফতার করা পুলিশের পক্ষে দূরহ কাজ নয়।

উল্যেখ, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভাওর খোলা গ্রামে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার ভাবী নাজমা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ফারুক আব্বাসীসহ ২৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পাশাপাশি ফারুক আব্বাসীর বাড়ি থেকে রামদা, বল্লম, চাপাতি, জুইতাসহ বিপুল পরিমান দেশিয় আস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় মেঘনা থানা পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক একটি মামলা দয়ের করে। এ পর্যন্ত ৮ আসামিকে গ্রেফতার করেছে মেঘনা থানা পুলিশ।

মেঘনায় মায়ের হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে পুত্রের আহাজারি

 মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৪ মার্চ ২০২১, ০৩:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা গ্রামে খুন হওয়া গৃহবধূ নাজমা বেগমের স্মরণে শোক সভায় পুত্র রিফাতের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

উপজেলার ভাওর খোলা গ্রামে রোববার বিকালে এ শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভাওরখোলা, নয়াগাঁওসহ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা লিটন আব্বাসী, বড়কান্দা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের  সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সেলিম মিয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সেলিম আহম্মেদ, যুবলীগ নেতা আ. কাদির জিলানী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহ্বায়ক সিরাজুল সলাম, ভাওরখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাজী নাজিমদ্দিন, সমাজসেবক শাহজাহান, মোতাহার প্রমুখ।

এসময় নিহত নাজমা বেগমের ছেলে রিফাত হোসেন কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার মা কোন দলাদলীতে ছিলেন না, তবু কেন সন্ত্রাসী খুনি ফারুক আব্বাসী আমার মাকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করল।

খুন করা যার পেশা তার ফাঁসি হওয়া উচিৎ, ইতিপূর্বে ত্রিপল মার্ডারসহ কয়েকটি হত্যা মামলা রয়েছে তার নামে। প্রধান আসামি ফারুক আব্বাসীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ডিজিটাল যুগে আসামিদের গ্রেফতার করা পুলিশের পক্ষে দূরহ কাজ নয়।

উল্যেখ, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভাওর খোলা গ্রামে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার ভাবী নাজমা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ফারুক আব্বাসীসহ ২৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পাশাপাশি ফারুক আব্বাসীর বাড়ি থেকে রামদা, বল্লম, চাপাতি, জুইতাসহ বিপুল পরিমান দেশিয় আস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় মেঘনা থানা পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক একটি মামলা দয়ের করে। এ পর্যন্ত ৮ আসামিকে গ্রেফতার করেছে মেঘনা থানা পুলিশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন